বিদেশের মাটিতে বাঁশখালী’র রেমিট্যান্স যোদ্ধা যখন পুড়ে অঙ্গার!!!
মোজাম্বিক বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের জন্য দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে। চুরি ডাকাতি বাঙ্গালীদের প্রতি কালো জাতির আচরণ দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে যা বাংলাদেশীদের দুচিন্তা বাড়াচ্ছে বলে জানিয়েছেন এক প্রবাসী। অন্যদিকে মোজাম্বিকে প্রতিনিয়ত বাঙ্গালী বেড়ে যাচ্ছে যার কারণে বাংলাদেশীরা ও আগের মত ব্যবসা বাণিজ্য করে সুযোগ সুবিধা করতে পারতেছে না। আগে যেখানে দুইটা বাঙ্গালী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিলো সেখানে হয়ে গেছে ১০ থেকে ১৫ টি বাঙ্গালির ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যার কারণে এক বাঙ্গালি আরেক বাঙ্গালি কে বিভিন্নভাবে হয়রানি বা কালো জাতি দিয়ে চুরি ডাকাতি এমন কি হত্যাও করার অভিযোগ রয়েছে। ডাকাত গুলো টাকা পাওয়ার পরেও নির্মমভাবে হাত পা বেঁধে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করার মত একটা ঘটনা গতকাল রাতে ঘটল। এটি দেখে পুরো বাঙ্গালী সমাজের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
মোজাম্বিক প্রবাসী মুজিব জানায়, একটা মানুষের টাকা পয়সা সব নিয়ে যাওয়ার পরে কি ভাবে আগুন দিয়ে একটা এই রকম নির্মম ভাবে হত্যা করতে পারে আল্লাহ ভালো জানে। এটা আমি কিছুতেই মানতে পারতেছি না। একজন বাংলাদেশীকে বিদেশের মাটিতে এইভাবে নির্মম ভাবে আগুনে পুড়ে হত্যা করা দেখে আমরা মোজাম্বিক প্রবাসীরা দিন দিন আতঙ্কিত হচ্ছি। আসলে মোজাম্বিকে অবস্থানরত বাংলাদেশীদের অনেক দিক দিয়ে সতর্ক হয়ে চলতে হবে এখন থেকে। নাইলে এই রকম ঘটনা আরও ঘটাবে। যাদের সিটিতে বা গ্রামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অস্ত্রধারি সিকিউরিটি গার্ড রাখতে হবে। সব সিটি বা গ্রামে সকল বাংলাদেশীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তাহলে এই সব ঘটনা থেকে পরিত্রাণ পাবো। আমি বাঁশখালী প্রবাসী ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে শহিদ ফজল কাদের এর নির্মম হত্যাকান্ড ও অকাল মৃত্যুতে গভীর শোকা প্রকাশ করছি এবং তার শোকাতহ পরিবারকে আল্লাহ ধর্য্যধারণ ক্ষমতা দান করুক।
অন্য দিকে শোক প্রকাশ করেছেন মোজাম্বিকে ইয়াম্বানি প্রভিন্সিয়া মামবনি ডিস্ট্রিক্টের পক্ষ থেকে নিহত ফজল কাদেরের প্রতি। এই ভাবে বাংলাদেশীকে ডাকাতে হাত পা বেঁধে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে আমি এটার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
খবর নিয়ে জানা যায় গতকাল রাতে এক দল ডাকাত ফজল কাদের দোকানে টাকা পয়সা সহ দামি সব মালামল নিয়ে যাওয়ার সময় ফজল কাদেরকে দোকানের ভিতর হাত পা বেঁধে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করে।
নিহত ফজল কাদের চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গন্ডামারা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের কবির আহমেদের ছেলে।


আপনার মতামত লিখুন