খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১০ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম থেকে সংসদে যাচ্ছেন যারা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৪, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রাম থেকে সংসদে যাচ্ছেন যারা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে ১৩টি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নৌকার প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। বাকি তিনটি আসনের মধ্যের দুটিতে স্বতন্ত্র এবং একটিতে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।

বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন-

চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে ৮৯ হাজার ৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মাহবুব উর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন পেয়েছেন ৫২ হাজার ৯৯৫ ভোট।

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে এক লাখ ৩৭০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী খাদিজাতুল আনোয়ার সনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তরমুজ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন মো. আবু তৈয়ব পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৫৮৭ ভোট।

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে ৫৪ হাজার ৭৫৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মাহফুজুর রহমান মিতা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. জামাল উদ্দিন পেয়েছেন ২৮ হাজার ৭০ ভোট।

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে এক লাখ ৪২ হাজার ৭০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এস এম আল মামুন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী দিদারুল কবির পেয়েছেন ৪ হাজার ৮৮০ ভোট।

চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে ৫০ হাজার ৯৭৭ ভোট পেয়েছেন বিজয়ী হয়েছেন নাঙ্গল প্রতীকের জাতীয় পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কেটলি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহজাহান পেয়েছেন ৩৬ হাজার ২৫১ ভোট।

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে দুই লাখ ২১ হাজার ৫৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিউল আজম পেয়েছেন ৩ হাজার ১৫৯ ভোট।

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে এক লাখ ৯৮ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ ইকবাল হাছান পেয়েছেন ৯ হাজার ৩০১ ভোট।

চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনে ৩৩ হাজার ৫৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন কেটলি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সিডিএ চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী ফুলকপি প্রতীকের প্রার্থী চসিকের সাবেক কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা বিজয় কুমার চৌধুরী পেয়েছেন ২৬ হাজার ৫৭০ ভোট।

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে এক লাখ ৩০ হাজার ৯৯৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি প্রার্থী সানজিদ রশীদ চৌধুরী পেয়েছেন ১ হাজার ৯৮২ ভোট।

চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-হালিশহর) আসনে ৫৯ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী মহিউদ্দিন বাচ্চু। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী ফুলকপি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সিটি মেয়র এম মনজুর আলম পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৫৩৫ ভোট।

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে ৫১ হাজার ৪৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী এম এ লতিফ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কেটলি প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী চসিকের কাউন্সিলর জিয়াউল হক সুমন পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৫২৫ ভোট।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে এক লাখ ২০ হাজার ৩১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সামশুল হক চৌধুরী পেয়েছেন ৩৫ হাজার ২৪০ ভোট।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) আসনে এক লাখ ৮৭ হাজার ১২৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী আবুল হোসাইন পেয়েছেন ৫ হাজার ১৪১ ভোট।

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনে ৭১ হাজার ১২৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী নজরুল ইসলাম চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী চন্দনাইশের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৮৮৪ ভোট।

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া) আসনে ৮৫ হাজার ৬২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাতকানিয়ার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ মোতালেব। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবু রেজা মোহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী পেয়েছেন ৩৯ হাজার ২৫২ ভোট।

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে ৫৭ হাজার ৪৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শিল্পপতি মুজিবুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল্লাহ কবির লিটন পেয়েছেন ৩২ হাজার ২২০ ভোট।

Feb2

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে দলীয়করণের সুযোগ রাখা হয়নি : অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে দলীয়করণের সুযোগ রাখা হয়নি : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র এক মাসের মধ্যে এই নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়ন করে প্রমাণ করেছে যে, নেতৃত্ব ঠিক থাকলে সব সম্ভব। ফ্যামিলি কার্ড একটি স্মার্ট কার্ড। ভবিষ্যতে জাতীয় সব সুযোগ-সুবিধা এই কার্ডের মাধ্যমে দেওয়া হবে। এছাড়া কৃষকদের কল্যাণে ১২ হাজার কোটি টাকার ঋণ মওকুফ এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষি কার্ডের মতো আরও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা এয়ারপোর্ট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রথম পর্যায়ে চট্টগ্রাম নগরের ৫ হাজার ৫৭৫ জন নারীর হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে।

আমির খসরু বলেন, আমাদের সীমিত সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে আমরা এই ঝুঁকি নিয়েছি। এই কার্ড বিতরণে কোনো দলীয়করণের সুযোগ রাখা হয়নি। সরকারি কর্মকর্তারা নির্দ্বিধায় ও স্বাধীনভাবে কাজ করে হতদরিদ্রদের খুঁজে বের করেছেন।

তিনি বলেন, পরিবারের নারী প্রধানকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী না করলে আগামীর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়। বাংলাদেশের মহিলারা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পরিবারের সব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের এই সেবার যথাযথ মূল্যায়ন আগে কখনো হয়নি।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান ঘোষিত এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলোকে মূল্যায়নের জন্য গৃহকর্তীদের বেছে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের অ্যাকাউন্টে সরাসরি ২ হাজার ৫০০ টাকা পৌঁছে যাচ্ছে, যা তাদের হাতে একটি অর্থনৈতিক শক্তি তৈরি করবে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান উপস্থিত ছিলেন।

তেলের প্রধান ডিপোগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
তেলের প্রধান ডিপোগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ

জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের প্রধান তেলের ডিপোগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) এক বার্তায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, জ্বালানি তেল বিপণনে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন ডিপো হতে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ডিলারদের আকস্মিক বর্ধিত চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা যায়। ফলে জ্বালানি তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গায় প্রধান স্থাপনাসহ প্রধান প্রধান ডিপোগুলোতে অর্থাৎ খুলনা জেলার দৌলতপুর, সিরাজগঞ্জ জেলার বাঘাবাড়ি, নারায়ণগঞ্জ জেলার গোদনাইল ও ফতুল্লা, দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর এবং বরিশাল ডিপোতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জ্বালানি তেল বিপণন কোম্পানি সূত্রে জানা যায়।

দেশের জ্বালানি তেলের ডিপোগুলো কেপিআইভুক্ত স্থাপনা হওয়ায় জরুরিভিত্তিতে এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিপণন কোম্পানিগুলোর উল্লিখিত স্থাপনার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জরুরি ভিত্তিতে সেনাবাহিনী মোতায়েন প্রয়োজন।

এমতাবস্থায়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিপণন কোম্পানিগুলোর চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গার প্রধান স্থাপনা, খুলনা জেলার দৌলতপুর, সিরাজগঞ্জ জেলার বাঘাবাড়ি, নারায়ণগঞ্জ জেলার গোদনাইল ও ফতুল্লা, দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর এবং বরিশাল ডিপোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সেনাবাহিনী মোতায়েনের পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

পোশাকের গায়ে ডাবল স্টিকার, জেন্টেল পার্ককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:২৮ অপরাহ্ণ
পোশাকের গায়ে ডাবল স্টিকার, জেন্টেল পার্ককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদ এলাকার সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেটে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে চারটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর

সোমবার (৯ মার্চ) পরিচালিত এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ।

অভিযানে দেখা যায়, পোশাকের গায়ে ডাবল স্টিকার লাগিয়ে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করার অভিযোগে ‘জেন্টেল পার্ক’কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠানের তৈরি পোশাক নিজেদের উৎপাদিত বলে বিক্রি করায় ‘শৈল্পিক’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এ ছাড়া নিষিদ্ধ ও অননুমোদিত প্রসাধনী বিক্রির দায়ে ‘ইন্টার লিঙ্ক কসমেটিক’কে ৫ হাজার টাকা এবং একই অপরাধে ‘আর বি কালেকশন’কে আরও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানের সময় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান, মাহমুদা আক্তার ও রানা দেবনাথ উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।