খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে সিএমপি’র ট্রাফিক নিদের্শনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৫:২০ অপরাহ্ণ
এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে সিএমপি’র ট্রাফিক নিদের্শনা

আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) ক্যাম্পাস, চট্টগ্রাম কলেজ ও ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখিত কেন্দ্রসমূহে পরীক্ষা চলাকালীন সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার স্বার্থে ঐদিন সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কমুখী রাস্তায় রোড ব্যারিয়ার স্থাপনের মাধ্যমে সকল ধরণের যানবাহন চলাচল সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

সড়কগুলো হচ্ছে-নগরীর অলি খাঁ মসজিদ মোড় থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) সড়ক, চকবাজার কেয়ারীর মোড় থেকে চট্টগ্রাম কলেজ সড়ক, গণি বেকারী থেকে চট্টগ্রাম কলেজ সড়ক, প্যারেড গ্রাউন্ড উত্তর-পূর্ব কর্ণার থেকে কেয়ারী সড়ক ও প্রবর্তক মোড় থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) সড়ক।

পরীক্ষার্থী পরিবাহী যানবাহনসমূহ পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রভিত্তিক সুবিধাজনক স্থান বিশেষ করে গণিবেকারী, কেয়ারী মোড়, প্যারেড গ্রাউন্ডের উত্তর-পূর্ব কর্ণার, অলি খাঁ মসজিদ মোড় ও প্রবর্তক মোড়সমূহকে ড্রপিং পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করবে। আজ ৭ ফেব্রুয়ারি বুধবার চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ট্রাফিক-দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন.এম নাসিরুদ্দিন কর্তৃক গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশনাসমূহ জারী করা হয়। নির্দেশনাগুলো অনুসরণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) এন.এম নাসিরুদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, চিকিৎসক, পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, রোগী পরিবাহী এ্যাম্বুলেন্স ও জরুরী রোগী পরিবাহী অন্যান্য যানবাহন অত্র ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনার আওতামুক্ত থাকবে। অন্যান্য যানবাহনের ক্ষেত্রে পরীক্ষা কেন্দ্রসমূহের সম্মুখ রাস্তা ও আশ-পাশের সড়ক এবং রোড ব্যারিয়ার স্থাপনকৃত পয়েন্টগুলো যথাসম্ভব এড়িয়ে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের জন্য পরামর্শ দেন তিনি।

এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নিরবিচ্ছিন্নভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে সিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগ নগরবাসীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…