খুঁজুন
শনিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

 মন কেন স্মৃতির পাহাড় হাতড়ায়?

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০২৪, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
 মন কেন স্মৃতির পাহাড় হাতড়ায়?

মানুষের জীবন খুব অদ্ভুত। যার আঁকে-বাঁকে ভরপুর বিচিত্রতা। আর এই বিচিত্র জীবনে ঘটে অসংখ্য সব বিচিত্র ঘটনা। হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা, দুঃখ-সুখ, ভালো-মন্দের মিশেলে এগিয়ে চলে জীবন খরস্রোতা নদীর মতো। কখনো মুক্ত পাখির মতো, কখনওবা চুপসে যাওয়া ফুলের মতো। হারিয়ে যায় কত চেনা মুখ, কতশত স্মৃতি। নীল নীলিমায় দূরে কোথায় মন যে হারায় ব্যাকুলতায়। একটা কথা-ই মন জানতে চায়, ‘মন কেন স্মৃতির পাহাড় হাতড়ায়’

মানুষের জীবন তো একটাই। অথচ এ জীবনে কত কিছুই না ঘটে যায়। জীবনের একেকটা মুহূর্ত যেনো একেক রকম মনে হয়। কখনো জমাট বরফের মতো কষ্টগুলো বুকের মধ্যে জমতে থাকে। জীবনটা বড় অসহ্য মনে হয় তখন। মনে হয় এ জীবনের কী দরকার ছিলো? আবার কখনো জীবন ভরে যায় অনাবিল সুখ আনন্দে; তখন মনে হয় জীবন কেন দ্রুত ফুরিয়ে যায়!

একটা সময় জীবনের পুরনো অনেক স্মৃতি মনে পড়ে যায়। মনে হয় পুরনো দিনগুলিই বুঝি সুন্দর ছিলো। মনের পর্দায় এসব স্মৃতি হাতড়াতে বড় ভালো লাগে, একা আনমনে। মনটা বাস্তবে ফিরে আসতে চায় না।

কিন্তু বাস্তবে তো আসতেই হবে। আসলে বাস্তবই সব, কল্পনা নিছক একটা মায়া। কল্পনা যদি সত্যি হতো, মানুষের দুঃখ-কষ্ট কিছুই থাকতো না। তবে কষ্ট যে সবসময় খারাপ লাগে তা নয়। অনেক সময় কষ্ট পেতেও অনেক ভালো লাগে। কেন ভালো লাগে তা জানি না।

এবার আমার জীবনের সংক্ষিপ্ত গল্প শেয়ার করি >>> আমার জম্ম গ্রহণ ছিল সাদামাটা মধ্যবিত্ত পরিবারে।পরিবারের আকাশচুম্বী নাম ডাক না থাকলেও ছিলনা কলঙ্কময় কোন অধ্যায়, আল্লাহর কাছে অশেষ মেহেরবানি।

শৈশব কৈশর কেটেছে গ্রামীণ জনপদে যেখানে ছিল আবেগ ভালোবাসা ও প্রকৃতির সাথে। শিক্ষা জীবনের অনেক বছর নিজ জম্মস্থানের বাইরে অতিবাহিত হয়েছে। এসএসসির গণ্ডি পেরিয়ে চট্টগ্রাম শহরে আগমন, আবারো পড়ালেখার যুদ্ধে নেমে পড়ি পাশাপাশি শুরু হয়ে যায় কর্মজীবন।
একটা সময় শুরু হয়ে যায় জীবন নামক যুদ্ধ, চলতে থাকে অবিরাম বছরের পর বছর। কর্মজীবনে অনেক গুলো বাস্তবতার কথা মনে পড়ে যেমন, ‘মানুষ বহুরূপী’
মানুষ আপনার সামনে যে ভালোবাসা দেখায় সেটা প্রকৃত ভালোবাসা না, তার পিছনে আরেক রুপ। আমি এমনই দেখেছি আমার সামনে সে আমার জন্য অনেক ত্যাগী কিন্তু দীর্ঘ ১০/১২ বছর পরে জানতে পারি সে আমার ক্ষতির মুল নায়ক ছিলেন।

এই অল্প জীবনে অনেক গুলো দেশে ভ্রমণ করার সুযোগ হয়েছে, আগামী দিন গুলোতে আরো অনেক গুলো দেশ ভ্রমণ করার স্বপ্ন আছে, বিভিন্ন দেশের কালচার কালচার জীববৈচিত্র ও প্রকৃতি দেখার ও জানার ইচ্ছা আছে।

বাস্তবতা হচ্ছে, ‘জন্ম ও মৃত্যু একটি অপূর্ণাঙ্গ সত্য’ পার্থিব জীবনের পর মানুষের জন্য অপেক্ষা করছে এক অন্তহীন জীবন। যে জীবন অন্তহীন, অনন্ত। পৃথিবীর প্রায় সব ধর্মে মৃত্যু-পরবর্তী এ জীবনের স্বীকৃতি আছে। একজন বিশ্বাসী মানুষ পার্থিব জীবনে পরকালীন সে জীবনের জন্য প্রস্তুত হয়। কেননা মৃত্যু অপরিহার্য এবং পরকালীন মুক্তিই সাফল্যের মাপকাঠি। ইরশাদ হয়েছে, ‘জীবমাত্রই মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে। কিয়ামতের দিন তোমাদের কর্মফল তোমাদের পরিপূর্ণভাবে আদায় করা হবে। যাকে জাহান্নামের আগুন থেকে দূরে রাখা হয়েছে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, সে-ই সফলকাম। পার্থিব জীবন ছলনাময় ভোগ ছাড়া কিছুই না।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ১৮৫।

জীবনটা খুবই ছোট, আমার মনে হয় প্রত্যেকটা মুহূর্ত উপভোগ করা উচিত। যখন যেটা ভালো লাগে তখন সেটা করা উচিত। সব সময় পরে করবো পরে করবো বলে আমরা অনেক কিছুই করি না। অনেক ইচ্ছা থাকে সেগুলো পূরণ করা হয় না।

মানব জীবন বড়ই বিচিত্র। প্রত্যাশা প্রাপ্তির বিষয়গুলো বেশ জটিল। কার জীবনে কখন কীভাবে কী ঘটবে সেটা একমাত্র সৃষ্টিকর্তা ছাড়া কেউ বলতে পারে না। সব সময় যোগ্যতা দক্ষতা আর অভিজ্ঞতা দিয়ে জীবনের সব প্রাপ্তি অর্জন সম্ভব নয়, চেষ্টা করলে মানুষ সব কিছু অর্জন করতে পারে না। তারপরও চেষ্টা করতেই হয়, সব গ্লানিকে পাশ কাটিয়ে এগিয়ে যেতে হয় বীরদর্পে। তবেই মিলবে জীবনের সার্থকতা।

আজ জীবনের অনেক গুলো সময় অতিবাহিত করে মনে হয়, জীবন জীবনের গতিতে অবিরত চলছে। সে নির্দেশিত পথ চিনে না, শুধু জানে তার নির্ধারিত গন্তব্য। আমি না চাইলেও জীবন ঠিক পৌঁছে যাবে সময়ের নৌকোয় ভেসে তার কাঙ্খিত গন্তব্যে। আমি জানিনা সে পথচলা কবে, কখন, কোথায় স্থিরতা পাবে। হয় তো কেউ জানে না কার চলা কোথায় শেষ হবে। বড় বিচিত্র জীবন চক্র, কখন ফোরাবে এ নিত্য আসা যাওয়া তা আল্লাহ ভালো জানেন।

জাহাঙ্গীর আলম
সাংবাদিক ও কলামিস্ট –
ব্যুরো প্রধান চট্টগ্রাম,
আজকের বিজনেস বাংলাদেশ
সাধারণ সম্পাদক,
রেলওয়ে জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন
সদস্য, চট্টগ্রাম রিপোটার্স ফোরাম

Feb2

দেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
দেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান

বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, বিভীষিকাময় দিনের বা রাতের অবসান হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। যেসব মানুষরা তাদের স্বজন হারিয়েছেন, মায়েরা তাদের সন্তান হারিয়েছেন, যেসব বোনেরা তাদের স্বামীকে হারিয়েছেন, যেসব সন্তানেরা তাদের পিতাকে হারিয়েছেন, তাদের সত্যিকারভাবে যদি বলতে হয় আসলে আপনাদের সান্ত্বনা দেওয়ার মতো ভাষাবোধ আমাদের কাছে নেই।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিগত আন্দোলন নিপীড়নে গুম খুন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এ সভার আয়োজন করে আমরা ‘বিএনপি পরিবার ও মায়ের ডাক’।

এক দুঃসহ সময় আমরা অতিক্রম করেছি মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের তীব্রতা কখনো কখনো হয়ত কিছুটা স্তিমিত হয়েছে, কিংবা আন্দোলন কখনো তুঙ্গে উঠেছে। এই আন্দোলন করতে গিয়ে বছরের পর বছর ধরে অসংখ্য গুম-খুন করে অপর মিথ্যা মামলার হয়রানি যাতনের পরও বিএনপির একজন নেতাকর্মীও কিন্তু রাজপথ ছাড়েনি। একই পরিবারের এক ভাই ঘুম হয়েছে, আরেক ভাই তার জায়গায় গিয়ে রাজপথের আন্দোলনকে আরও তীব্রতর করার প্রতিজ্ঞার শপথ নিয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, দলের নেতাকর্মীরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে এ ধরনের আপোষহীন ভূমিকা রাখতে পারে সেই দলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে কেউ দলকে দমন করে রাখতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ। ফ্যাসিবাদী আমলের নির্যাতনের শিকার আমার সামনে বসা হাজারো প্রিয় মুখ আপনাদেরকে আত্মত্যাগ আপনাদের বুক ভরা কষ্ট আমরা যারা আজ পেছনে রয়ে গিয়েছি আমরা আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করবো যাতে এটি বৃথা না যায় ইনশাআল্লাহ।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে যারা ঘুম হয়েছেন, যারা শহীদ হয়েছেন। তাদের প্রতি আগামী দিনের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের আকাঙ্ক্ষা আমরা দেখছি। সেই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং সরকারের অবশ্যই অনেক দায় এবং দায়িত্ব রয়েছে। রাষ্ট্র কখনোই আপনাদের ভুলে যেতে পারে না।

সব শহীদদের আত্মত্যাগকে জনমনে স্মরণীয় করে রাখতে আগামী দিনে বিএনপি কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যদিও নির্বাচন কমিশনের বাধ্যবাধকতার কারণে এই মুহূর্তে আমি হয়ত বিস্তারিতভাবে সেই পরিকল্পনা আজকের এই অনুষ্ঠানে তুলে ধরতে পারছি না। কিন্তু তারপরও বলতে কষ্ট হচ্ছে, আমরা দেখেছি নির্বাচনের কমিশনের রিসেন্টলি কিছু বিতর্কিত ভূমিকা বা বিতর্কিত অবস্থান। তারপরেও একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা ধৈর্যের পরিচয় দিতে চাই।

রাষ্ট্রীয় সহিংসতার শিকার পরিবারগুলোর প্রতি সাধ্যমতো রাষ্ট্রীয় সহায়তা হাত বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতা প্রিয়, গণতন্ত্র প্রিয় প্রতিটি মানুষের সামনে জনগণের দায়িত্বশীল একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে। কেউ কেউ বিভিন্ন রকম কথা বলে একটি অবস্থা তৈরি করার চেষ্টা করছে। যাতে যে গণতন্ত্রের পথ তৈরি হয়েছে সেটি যেন বাধাগ্রস্ত হয়।

আমি অনুরোধ করব আপনারা এবং বাংলাদেশের দলমত নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন তাদের আজ সজাগ থাকার জন্য। যারা বিভিন্ন উসিলা দিয়ে বিতর্ক তৈরি করে গণতন্ত্রের পথকে আবার নষ্ট করার বা ব্যাহত করার চেষ্টা করছেন, তারা যাতে সফল না হতে পারে।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, নির্যাতিত মানুষের অধিকার ও ন্যায্যতা ফিরিয়ে দেওয়ার একমাত্র উপায় হলো জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলক একটি সরকার গঠন করা। শহীদ পরিবারগুলোর ত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি সবাইকে ধৈর্য ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান, যাতে দেশের চলমান গণতান্ত্রিক যাত্রা কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয়।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত আছেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনসহ আরও অনেকেই।

“রঙিন ঘুড়ি ফাউন্ডেশন’র ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন”

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ
“রঙিন ঘুড়ি ফাউন্ডেশন’র ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন”

রঙিন ঘুড়ি ফাউন্ডেশন সংগঠনের মানবিক প্রকল্পের আওতায় নগরীর শেরশাহ বায়েজিদস্থ গুলশান শাহে মদিনা তা’লিমুল কুরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ২৬তম মানবিক প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে।

এতে আফাজ উদ্দীন আসিফ’র সার্বিক পরিচালনায় সভাপতিত্ব করেন মাসুদ আলম চৌধুরী এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ রানা সহ আরও উপস্থিত ছিলেন শফিকুল ইসলাম বাবু, মোঃ মাঈন, স্টিবেন ডায়েজ, জাহেদুল ইসলাম, মোঃ রিপন, আবু দাউদ, তানজিম, আলী রেজা তালুকদার বাপ্পী প্রমুখ।

দোয়া পরিচালনা করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মুফতী মোঃ সলিমুল্লা।

জোট নয়, এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ
জোট নয়, এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান।

তিনি বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৬৮ আসনে প্রার্থীরা মাঠে কাজ করছেন। তারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করবেন। তারা কেউ মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন না।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান জানান, তারা কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন না। এছাড়া বাকি ৩২ আসনে সমর্থন জানাবে ইসলামী আন্দোলন। তবে নির্বাচনে কোন দলকে সমর্থন জানানো হবে তা পরবর্তী সময়ে জানিয়ে দেয়া হবে বলে জানান তিনি।