খুঁজুন
, ,

ফেনীতে পানিবন্দিদের বাঁচার আকুতি, উদ্ধারে যোগ দিয়েছে নৌবাহিনী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 22 August, 2024, 2:59 pm
ফেনীতে পানিবন্দিদের বাঁচার আকুতি, উদ্ধারে যোগ দিয়েছে নৌবাহিনী

ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের প্রবল চাপ ও অবিরাম বৃষ্টিপাতে স্মরণকালের বন্যার ভয়াবহ রূপ দেখছে ফেনীর তিন উপজেলার বিস্তীর্ণ জনপদের কয়েক লাখ মানুষ। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় জেলার ফুলগাজী, পরশুরাম এবং ছাগলনাইয়ার প্রায় ৯৫ শতাংশ এলাকা পানিতে ডুবে গেছে। বন্ধ রয়েছে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা, নেই বিদ্যুৎ সংযোগ। সারাদেশের সঙ্গে প্রায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ফেনী জেলা।

বন্যাদুর্গতদের উদ্ধারে ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি কোস্টগার্ড, বিজিবি ও নৌবাহিনী যোগ দিয়েছে। ফেনীতে নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে উদ্ধার সহায়তা বাড়ানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বাংলাদেশ নৌবাহিনী তাদের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে ফেনীতে উদ্ধারকার্যে অংশগ্রহণের তথ্য জানিয়েছে। তারা স্ট্যাটাসে জানিয়েছে, ‘নৌবাহিনীর আরো দুটো কন্টিনজেন্ট ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে রওনা হয়ে ফেনীতে বন্যা দুর্গত এলাকায় উদ্ধারকার্যে অংশগ্রহণ করেছে। ডুবুরি সামগ্রী, লাইফ-জ্যাকেট, স্পিডবোট ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ব্যবহৃত হচ্ছে উদ্ধারকার্যে। জরুরি চিকিৎসা সেবা ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

সেই স্ট্যাটোসের কমেন্ট বক্সে অনেককে সাহায্যের আবেদন জানাতে দেখা গেছে। নাদিয়া ইসলাম দিনা নামে একজন লিখেছেন, ‘প্লিজ লোকবল বাড়ান। সাধারণ মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করে টিম ভাগ করে দিয়ে ছড়িয়ে দিন।আল্লাহ আপনাদের সাহায্য করুন দোয়া করি।’

সাবের নামে একজন লিখেছেন, ‘ফুলগাজী, পরশুরাম উপজেলায় কোনো পরিবারকে উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না, অনেকের লাশ পানিতে ভেসে উঠেছে। রেস্কিউ এর ৮ টিম পাশাপাশি আর্মির ৪টি কোস্টগার্ড ও আটকে পড়ে আছে।
আর কোনোভাবে সম্ভব হচ্ছে না উদ্ধার কাজ চালানো। রাত ৩: ৩০টায় সেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং সে সাথে ফেনী সদর উপজেলার কাজিরবাগ ইউনিয়নের রুহিতীয়া গ্রামের অবস্থা ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। আপনারা দয়া করে সেখানে গিয়ে মানুষগুলোকে উদ্ধার করেন পরিস্থিতি ভালো থাকতে থাকতে।’

অন্তরা নামের একটি আইডি জানিয়েছেন, ‘কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সলাকান্দি, বাহের গড়া গ্রাম। ৮নং মুন্সিরহাট ইউনিয়ন। দয়া করে উদ্ধার করেন। আমার পরিবার আত্মীয়রা আটকে আছে। 01848179570 আমার মায়ের নাম্বার।।প্লিজ হেল্প। কারো নাম্বারে কল যাচ্ছে না। তবুও চেষ্টা করেন। সরাসরি উদ্ধার করার।’

মোহাম্মদ নূর লিখেছেন, ‘মোহসেন আলী মিয়াজী বাড়ি। গ্রাম: দৌলতপুর, ২নং ওর্য়াড, ১০নং ঘোপাল ইউনিয়ন, পুরাতন মুহুরিগঞ্জ এখানে ছোট বড় মিলায়ে ৪৫/৫০ জন আটকায়ে আছে। আমাদের ঘরের নিচ তলায় পানি ডুবি ডুবি অবস্থা, তারা বর্তমানে দোতলায় অবস্থানে আছে। আশেপাশে কোনো টিম থাকলে তাদের উদ্ধার করুন দয়া করে।’

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার তৎপরতায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ডও যুক্ত হচ্ছে। বন্যার কারণে ফেনী-পরশুরাম আঞ্চলিক সড়কসহ স্থানীয় সব গ্রামীণ সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফেনীর মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ভাঙন স্থান দিয়ে প্রবল বেগে পানি ঢুকে ডুবছে আশেপাশের জনপদ।

আজ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সেনাবাহিনী থেকে ১৬০ জন সদস্য ৪০টি উদ্ধারকারী যান ফেনী জেলায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া একটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে। নৌবাহিনীর ৭১ জন সদস্য ও ৮টি উদ্ধারকারী যান কাজ করছে।

এর আগে, দুপুরের দিকে বন্যাকবলিত এলাকায় আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে স্পিডবোট নিয়ে কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী। একইসঙ্গে বিজিবি সদস্য ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক পরিবারের শত শত স্বেচ্ছাসেবক দিনব্যাপী উদ্ধার অভিযান পরিচালনা ও খাদ্য সহায়তা প্রদান করছে।

Feb2
Feb2

হাসিনাকে এবং হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 3:21 pm
হাসিনাকে এবং হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ড নিয়ে ভারতে অবস্থান করা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্প‌ন ত্বরা‌ন্বিত করতে দি‌ল্লিকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ। একইসঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণেরও অনুরোধ করা হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স‌ঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সৌজন্য সাক্ষাতে এ অনু‌রোধ করা হ‌য়।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় দূতের সাক্ষাতের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খ‌লিলুর রহমা‌ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ে সাংবা‌দিকদের ব্রিফ করে এ তথ্য জানান।

বাংলাদেশ-ভারতের গণতান্ত্রিক ইস্যু থাকবে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 3:10 pm
বাংলাদেশ-ভারতের গণতান্ত্রিক ইস্যু থাকবে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গণতান্ত্রিক বিভিন্ন ইস্যু থাকবে এবং সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে বিভিন্ন ধরনের ইস্যু থাকবে, ইস্যু আসবে। সেগুলো সমাধান করতে হবে। ভারতের জনগণ চায় দুই দেশের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক। আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীও সুন্দর সম্পর্ক চান। ভবিষ্যতে ভালো কিছু হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার খুব ভালো লেগেছে। তাদের সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট ইস্যু রয়েছে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ইস্যু না থাকলে তো গণতন্ত্র থাকবে না। ইস্যু তো বাড়িতেও থাকে। আমি যখন বাড়ি যাই, বাড়িতেও ইস্যু থাকে। কিন্তু কোনো ইস্যু আমরা সমাধান করতে পারি এটা আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি।

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে এমন কোনো ইস্যু নেই, যা বসে আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশই প্রাণবন্ত গণতন্ত্র। দুই দেশের সাধারণ মানুষই ভালো সম্পর্ক চায়। ভারতের সাধারণ মানুষ এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার মধ্যেও মিল রয়েছে।

দুই দেশের সম্পর্কের ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক বাস্তবতার কথা তুলে ধরে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, আমাদের ইতিহাস তো আপনি বদলাতে পারবেন না। আমাদের প্রতিবেশীকেও বদলাতে পারবেন না। আমরা শুধু সীমান্ত ভাগ করি না, স্বপ্নও ভাগ করি।

বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, তিনি গত দুই মাসে বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে অনেক সম্মান, ভালোবাসা ও আন্তরিকতা পেয়েছেন। এতে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রথম সাক্ষাতে তার মনেই হয়নি যে এটি প্রথমবারের সাক্ষাৎ। অত্যন্ত আন্তরিক ও বিনয়ী পরিবেশে তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও আলোচনা আরও বাড়বে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘পিপল টু পিপল’ যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দুই দেশের নেতারা একসঙ্গে বসলে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে এবং সেগুলোর সমাধানের পথও বের হবে। তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক ভালো রাখার বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীও আগ্রহী।

দুই দেশের সরকার কবে বৈঠকে বসবে এবং আসন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দুই দেশের নেতৃত্বের বৈঠক হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সবই ভালো হবে।

তিনি আরও বলেন, ইস্যু থাকবে, বাংলাদেশের ইস্যু থাকবে, ভারতের ইস্যু থাকবে। কিন্তু মানুষের ইস্যু একটাই ভালো সম্পর্ক। আর ভালো সম্পর্ক হলে বিভিন্ন পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সহজ হবে।

দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে নিজের আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ইস্যুগুলো সমাধান করতেই হবে। আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী, আগামী দিনগুলো ভালোই হবে।

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৫৯.৪৮ শতাংশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 2:53 pm
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৫৯.৪৮ শতাংশ

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় কমেছে পাসের সংখ্যা। এবার পাসের হার ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

যা গতবছর ছিল ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন, গতবছর পেয়েছিল ১১ হাজার ৮৪৩ জন।

এবার পাস করেছে ৭৭ হাজার ৪৫৩ হাজার শিক্ষার্থী, যা গত বছর ছিল ১ লাখ ১ হাজার ১৮১ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৪১ শতাংশ।

যা গত বছর ছিল ৯২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষায় ৬০ দশমিক ১২ শতাংশ যা গত বছর ছিল ৭৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে ৩৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ যা গত বছর ছিল ৫৫ দশমিক ০২ শতাংশ।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে এসব তথ্য জানান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী।

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় এবছর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৮২ জন। পরীক্ষায় উপস্থিত ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জন।

চট্টগ্রাম মহানগরে পাসের হার ৭৪ শতাংশ। গত বছর ছিল ৮১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। চট্টগ্রাম জেলায় এবার পাসের হার ৫৭ দশমিক ১৩ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭১ দশমিক ২৯ শতাংশ। কক্সবাজারে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩ শতাংশ, গত বছর ছিল ৭০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। রাঙামাটিতে ৪১ দশমিক ১৭ শতাংশ, গত বছর ছিল ৫৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ। খাগড়াছড়িতে পাসের হার ৩৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ, গত বছর ছিল ৬০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। বান্দরবানে পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ, গত বছর ছিল ৬৩ দশমিক ১২ শতাংশ।

বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৪১ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৬০ দশমিক ১২ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে পাসের হার ৩৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এবার ২১টি বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে ৮টি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।