খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বোয়ালখালীতে উন্নয়নের নামে শুধু স্বপ্ন দেখানো হয়ছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২০, ৭:২২ অপরাহ্ণ
বোয়ালখালীতে উন্নয়নের নামে শুধু স্বপ্ন দেখানো হয়ছে

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার বলেছেন, বিগত ১১ বছরে বোয়ালখালীতে অবকাঠামোগত কোন উন্নয়ন হয় নাই। উন্নয়নের নামে শুধু স্বপ্ন দেখানো হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে বোয়ালখালীর যোগাযোগ ব্যাবস্থার বেহালদশা। কালুরঘাট ভান্ডালজুড়ি সড়ক বিএনপির আমলেই তৈরী করা হয়েছিল। যোগাযোগের নতুন কোন সড়ক তৈরী করা হয়নি। সরকার সমর্থকরা নিজেদের পকেট ভারী করেছে। এখন নতুন করে স্বপ্নের কথা বলে জনগণের সাথে প্রতারণার দিন শেষ।

তিনি আরো বলেন, উন্নয়নের নামে স্বপ্ন দেখিয়ে লাভ নেই। বহদ্দারহাট থেকে কাপ্তাই রাস্তার মাথা পর্যন্ত সড়কটির একপাশ দীর্ঘ ৬ বছর যাবৎ বন্ধ করে রাখা হয়েছে। এতে মানুষের চরম ভোগান্তি হলেও সরকার কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেননি। এই সরকার প্রতিটি সেক্টরেই ব্যর্থ হয়েছে। তাই ১৩ জানুয়ারী আবু সুফিয়ানকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে চট্টগ্রামের প্রতি অবহেলার জবাব দিন।

আজ ৮ জানুয়ারী বুধবার চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান ধানের শীষের পক্ষে বোয়ালখালীর পোপাদিয়ায় এক পথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন।

তিনি আকুবদন্ডী, কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে শুরু করে নুরুল হকের দোকান বাঘ্যারটেক, গোরস্থানের টেক, নোয়াহাট, ঈশ্বরভট্টের বাজার, বাদামতল, চানপারা এলাকায় গণসংযোগ করেন।

বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান বলেন, নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি জায়গায় আমরা ধানের শীষের আবেদন নিয়ে আমরা যাচ্ছি। জনগণের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। অন্যান্য নির্বাচনের চেয়ে এবার আরো বেশী সাড়া পাচ্ছি। কারণ বিগত ৩০ ডিসেম্বরের ভোট ডাকাতীর প্রহসনের নির্বাচনে ভোটারেরা ভোট দিতে পারেনি।

তিনি বলেন, জনগণ এবারও ভোট দিতে পারবে কিনা, ভোট কেন্দ্রে যেতে পারবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কিত। আমরা মানুষকে তাদের শংকা দূর করে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করছি। ইতিমধ্যে বোয়ালখালীতে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর সমর্থকরা ভোটের পরিবেশকে অশান্ত করে তুলেছে। তারা ধানের শীষের পোস্টার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলছে। নির্বাচনী প্রচারণায় বাঁধা দিচ্ছে।

বোয়ালখালীতে ত্রাসের রাজত্ব কাযেম করে আতংকজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। আমাদের প্রত্যাশা ভোটারদেকে সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট দেয়ার সুযোগ দিন। জনগণ যে রায় দেবে আমরা তা মাথা পেতে নেব। বিএনপির আস্তা আছে জনগণের রায়ে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, ইভিএম একটি প্রযুক্তি। এই ইভিএম দিয়ে বহুমুখী কারচুপি করার সুযোগ আছে। ইভিএম মেশিন নিয়ে আমাদের কোন বক্তব্য নেই। কিন্তু যারা এ মেশিন পরিচালনা করবে তাদের যদি ভোট চুরির মানসিকতা থাকে তাহলে চুরি করার অনেক সুযোগ আছে।

তাই আমাদের বক্তব্য হচ্ছে ইভিএম মেশিনের আগে থেকে যে ভোট দেয়া থাকবে না, ধানের শীষে ভোট দিলে এই ভোট যে অন্য প্রতীকে যাবে না এই নিশ্চয়তা দিতে হবে। নির্বাচনের আগেই ইভিএম মেশিনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।

গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তাক আহমদ খান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যাপক ইউনুস চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা বিএনপি সদস্য মফজল আহমদ চৌধুরী, মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, শফিকুল ইসলাম চেয়ারম্যান, জিয়াউদ্দিন আশফাক, বিএনপি নেতা হাজী মোঃ ইসহাক চৌধুরী, নুরুন নবী চৌধুরী, মো. কামাল উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা কৃষকদলের সভাপতি সৈয়দ মো. সাইফুদ্দিন, শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক ডা. মহসিন খান তরুণ, পোপাদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এস এম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সুজন, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মহসিন খোকন, বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম মুন্সি, দিদারুল আলম লিটন, ইকবাল হোসেন, আছহাব উদ্দিন দুলাল, মো. বখতেয়ার মেম্বার, তছলিম উদ্দিন, আবদুস সালাম, আবদুর মান্নান, জয়নাল আবেদীন আরজু, মোহাম্মদ আলী, সরওয়ার আলম, সাইদুল হাসান হিমু, ইসকান্দর মির্জা, আবু নাসের মন্নান, মো. সেলিম, মো. আজিম, অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দ মতিউর রহমান রাসেল, এনামুর হক সজীব, সাইদুল হক, মো. লোকমান, শওকত হোসেন জাহেদ, মো. ইসকান্দর, মনিরুল ইসলাম ডালিম, সরওয়ার আলম টুটুল, মো. ফোরকান, মো. জুনাইদ, মো. ওসমান গণি, মো. আলমগীর, আশরাফ মামুন, সিদ্দিক আজাদ রিহাদ, মো. এরফান, জয় দে, মো. জিসান, মো. রাসেল, শিহাব উদ্দিস, মো. সায়েম, মো. এমরান প্রমূখ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…