খুঁজুন
, ,

বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের বিশেষ নিরাপত্তায় করা আইন বাতিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 9 September, 2024, 10:22 pm
বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের বিশেষ নিরাপত্তায় করা আইন বাতিল

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের বিশেষ নিরাপত্তায় করা আইন বাতিল করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ‘জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি। এর মাধ্যমে ‘জাতির পিতা পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা আইন, ২০০৯’ বাতিল হলো।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

অধ্যাদেশে বলা হয়, ‘যেহেতু জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৬৩ নং আইন) রহিত করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; এবং যেহেতু সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় রয়েছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট তা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রয়েছে; সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করলেন।

এই অধ্যাদেশ জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৪ নামে অভিহিত হবে। ইহা অবিলম্বে কার্যকর হবে।’

এর আগে গত ২৯ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ‘জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

ওই দিন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বিগত সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে ‘জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা আইন, ২০০৯’ প্রণয়ন ও জারি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ১৫/০৫/২০১৫ তারিখে ওই আইন অনুসারে বিশেষ নিরাপত্তা এবং সুবিধাদি প্রদানের গেজেট জারি করা হয়। কেবল একটি পরিবারের সদস্যদের রাষ্ট্রীয় বিশেষ সুবিধা দেওয়ার জন্য আইনটি করা হয়েছিল, যা একটি সুস্পষ্ট বৈষম্য। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সকল বৈষম্য দূরীকরণে দৃঢ় প্রত্যয় গ্রহণ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বর্তমানে সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায়’ রয়েছে বিধায় এ বিষয়ে আশু ব্যবস্থা নিয়ে আইনটি রহিতকল্পে অধ্যাদেশ জারি করা প্রয়োজন। এ প্রেক্ষাপটে, উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠক কর্তৃক ‘জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করা হয়।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। পদত্যাগ করে শেখ হাসিনা তার বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে ভারতে পালিয়ে যান। তারা বর্তমানে ভারতেই রয়েছেন। শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার সন্তানরাও বিদেশে আছেন। টানা প্রায় ১৬ বছর ক্ষমতা আঁকড়ে রাখা আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হয়ে অনেকটা ছন্নছাড়া অবস্থায় রয়েছে। দলটির বেশির ভাগ নেতাকর্মী গা ঢাকা দিয়ে আছেন। অনেকে দেশ ছেড়ে চলেও গেছেন।

Feb2

কঙ্গোকে হারিয়ে নকআউট পর্বে কলম্বিয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 24 June, 2026, 10:55 am
কঙ্গোকে হারিয়ে নকআউট পর্বে কলম্বিয়া

ফিফা বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে টানা দ্বিতীয় জয়ে প্রথম দল হিসেবে ‘কে’ গ্রুপ থেকে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল লাতিন আমেরিকার দল কলম্বিয়া। মেক্সিকোর গুয়াদালাহারা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোকে (ডিআর কঙ্গো) ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে তারা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজায় কলম্বিয়া। তবে প্রথমার্ধে কঙ্গোর জমাট রক্ষণ ও গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসির দুর্দান্ত কিছু সেভের কারণে ডেডলক ভাঙতে পারেনি তারা। উল্টো অফসাইডের কারণে ম্যাচের ৮ম মিনিটে দানিয়েল মুনিয়োজের একটি গোল বাতিল হয়।

প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধেও যখন গোল আসছিল না, ঠিক তখনই ম্যাচের ৭৬তম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন দানিয়েল মুনিয়োজ। ডান প্রান্ত থেকে কলম্বিয়ার আক্রমণভাগের চমৎকার এক বিল্ড-আপে রক্ষণভাগ চিরে বক্সের ভেতর মাপা ক্রস বাড়িয়েছিলেন সতীর্থ উইঙ্গার। কঙ্গোর ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে পোস্টের খুব কাছ থেকে প্রথম স্পর্শেই দারুণ ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়ান এই ডিফেন্ডার। উল্লাসে ফেটে পড়ে গুয়াদালাহারার গ্যালারি।

ম্যাচের ৮০ মিনিটে লুইস দিয়াজের আরও একটি দর্শনীয় গোল অফসাইডের ফাঁদে পড়ে। এরপর আর কোনো গোল হয়নি। ফলে ১-০ ব্যবধানে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে কলম্বিয়া।

এই জয়ের ফলে ২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘কে’ এর টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে কলম্বিয়া এবং তাদের শেষ ৩২-এর টিকিট নিশ্চিত। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে পর্তুগালের সঙ্গে ড্র করা কঙ্গো ১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তৃতীয় স্থানে রইল। আর দুই নম্বরে আছে পর্তুগাল। তাদের সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট। অন্যদিকে তলানিতে অবস্থান উজবেকিস্তানের।

মদ্রিচের ২০০তম ম্যাচে পানামাকে বিদায় করল ক্রোয়েশিয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 24 June, 2026, 9:31 am
মদ্রিচের ২০০তম ম্যাচে পানামাকে বিদায় করল ক্রোয়েশিয়া

হারলেই বিদায় নিতে হবে, এমন সমীকরণ সামনে রেখে টরন্টো স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল ক্রোয়েশিয়া ও পানামা। ২০১৮ সালের পর প্রথম ও বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্বিতীয়বার প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া পানামা বেশ কয়েকবার ক্রোটদের চ্যালেঞ্জ জানায়। শেষ পর্যন্ত বদলি নামা আন্তে বুদিমিরের একমাত্র গোল গড়ে দেয় পার্থক্য। ম্যাচটি ১-০ গোলে জিতে ‘এল’ গ্রুপ থেকে নকআউটের লড়াইয়ে টিকে থাকল ক্রোয়েশিয়া। আর টানা দুটি ম্যাচ হেরে বিদায় নিলো পানামা। ৮১ মিনিটে বদলি হয়ে মাঠ ছাড়া লুকা মদ্রিচের ছিল এটি দুইশতম ম্যাচ। চতুর্থ খেলোয়াড় হিসেবে এই মাইলফলক ছুঁলেন তিনি।

ইংল্যান্ডের সঙ্গে দিনের আগের ম্যাচে গোলশূন্য ড্র করা ঘানার বিপক্ষে শনিবার খেলবে ক্রোয়েশিয়া। ম্যাচটি জিতলে শীর্ষ দুই নিশ্চিত করবে তারা। পানামাকে হারিয়ে ক্রোয়েশিয়া আপাতত গ্রুপ ‘এল’-এর তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে। তারা ইংল্যান্ড ও ঘানার চেয়ে মাত্র এক পয়েন্ট পিছিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে নিজেদের শেষ দুটি বিশ্বকাপ ম্যাচে দারুণ লড়াই করা পানামা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিল। ম্যাচে পানামা আটটি শট তৈরি করেছিল যার মধ্যে একটি ছিল অন-টার্গেট। বিপরীতে ক্রোয়েশিয়া দুটি অন-টার্গেট শটসহ মোট ছয়টি শট নিয়েছিল।

প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। বিরতির নয় মিনিট পরেই ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে লিড নেয়। স্তানিসিৎসের ডান প্রান্ত থেকে বাড়ানো ক্রসটি ব্যাক পোস্টে আলতো টোকা দিয়ে জালে জড়ান বুদিমির। এর কয়েক মিনিট পরেই ক্রোয়েশিয়ার ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ এসেছিল। পাসালিচের ওয়ান-অন-ওয়ান পজিশনে নেওয়া শটটি মস্কেরা রুখে দেন। অরল্যান্ডো সিটির এই আক্রমণভাগের খেলোয়াড় ফিরতি শটটি বারের ওপর দিয়ে ভাসিয়ে মারেন।

পানামাও উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। দ্বিতীয়ার্ধে হাইড্রেশন ব্রেকের আগে ক্রোট কিপার লিভাকোভিচ অত্যন্ত সতর্ক থেকে গোলপোস্ট অক্ষত রাখেন। পরপর মুরিলোর আক্রমণ রুখে দেওয়ার পাশাপাশি হার্ভির কাছ থেকে নেওয়া ক্লোজ-রেঞ্জ হেডার বারের ওপর দিয়ে মাঠের বাইরে পাঠান তিনি। ৮০তম মিনিটে সমতা ফেরানোর একটি সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন মিডফিল্ডার হার্ভি, কিন্তু কর্নার থেকে আসা বলে তার নেওয়া শটটি জালের বাইরের পাশে আঘাত করে।

শুরু থেকে আক্রমণে যায় ক্রোয়েশিয়া। ডান দিক থেকে ইয়োসিপ স্তানিশিচের ক্রসে মদ্রিচ হেড নিলেও বল ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়। অষ্টম মিনিটে কার্লোস হার্ভের দৌড়ে পাওয়া ফ্রি-কিক থেকে সুযোগ তৈরির চেষ্টা করে পানামা। তবে ইয়োয়েল বার্সেনাসের ক্রস নিরাপদে ক্লিয়ার করে ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণভাগ।

প্রথমার্ধে লিভাকোভিচ না ঠেকালে লিড নিতো পানামাই। ২২ মিনিটে অধিনায়ক ক্রিস্তিয়ান মার্তিনেসের সঙ্গে ওয়ান-টু পাস খেলে এগিয়ে গিয়ে শট নেন মুরিলো। তবে সহজেই বল ধরে ফেলেন ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক। পরের মিনিটে ম্যাচের সেরা সুযোগটি আসে পানামার সামনে। ডান দিক থেকে মুরিলোর নিখুঁত ক্রসে হেড করেন হোসে লুইস রদ্রিগেজ। তবে লিভাকোভিচ দুর্দান্ত সেভ করে বল ক্রসবারে লাগিয়ে বিপদমুক্ত করেন। সেই সুযোগ থেকে এগিয়ে যেতে না পারা পানামা আত্মবিশ্বাস ধরে রাখলেও জয় পায়নি। ইংল্যান্ডের কাছে ৪-২ গোলে হারের পর জয়ে ফিরে নকআউটে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখল ২০১৮ বিশ্বকাপের রানার্সআপরা।

ঘানার সঙ্গে ড্র, ইংল্যান্ডের অবাঞ্ছিত রেকর্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 24 June, 2026, 9:06 am
ঘানার সঙ্গে ড্র, ইংল্যান্ডের অবাঞ্ছিত রেকর্ড

বিশ্বকাপের এক আসরে গ্রুপ পর্বে রেকর্ড ১৩৭ গোল হওয়ার পরের ম্যাচেই গোলখরার ঘটনা ঘটল। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে পর্তুগালের তৃতীয় গোলে এই রেকর্ড হয়েছিল। তবে বোস্টনে ইংল্যান্ড ও ঘানার পরের ম্যাচটি শেষ হলো গোলশূন্য ড্রতে। জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা দুই দলই তাদের দ্বিতীয় ম্যাচে পয়েন্ট ভাগাভাগি করল।

বোস্টন স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের জন্য একটি হতাশাজনক সন্ধ্যা কাটল, যার শেষ হলো এক পয়েন্ট পাওয়ার মধ্য দিয়ে। অন্যদিকে ঘানা রক্ষণভাগের অনবদ্য পারফরম্যান্স দেখিয়ে তাদের কাজ বেশ ভালোভাবে শেষ করেছে। বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবার টানা দুই ম্যাচে গোলপোস্ট অক্ষত রেখেছে তারা।

ইংল্যান্ড ম্যাচের শেষের দিকে এসে খেলার গতি বাড়িয়েছিল। তাদের হয়তো মনে হতে পারে যে আর পাঁচ-ছয় মিনিট সময় পেলে তারা জয়সূচক গোলের দেখা পেতে পারতো।

ম্যাচের এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তে সাকার একটি জোরালো শট গোলরক্ষক আসারে চমৎকারভাবে বাঁচিয়ে দেন। ও’রেইলির হেড বারের নিচের অংশে লেগে ফিরে আসে, ফিরতি বলে কেইনের নেওয়া শট বারের উপর দিয়ে চলে যায়। গেহির একটি হেডার গোললাইনের ঠিক নিচ থেকে ক্লিয়ার করা হয়।

টমাস টুখেল ও থ্রি লায়ন ভক্তদের জন্য এটি ছিল একটি কঠিন ম্যাচ। তবে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারানো ইংল্যান্ড এখনো ‘গ্রুপ এল’-এর শীর্ষেই রয়েছে এবং গ্রুপের শেষ ম্যাচে পানামাকে হারাতে পারলে তারা শীর্ষস্থান ধরে রেখেই পরের রাউন্ডে যাবে। পানামার বিপক্ষে ১-০ গোলে জেতা ঘানাও তাদের সমান ৪ পয়েন্ট নিয়ে শেষ ৩২ এর লড়াইয়ে টিকে আছে।

ঘানার চমৎকার রক্ষণভাগের কারণে ম্যাচ গোলশূন্য থাকায় প্রথমার্ধের বিরতিতে ইংল্যান্ডকে হতাশ হয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল। প্রথমার্ধ শেষে কোনো দলই লক্ষ্যে শট রাখতে পারেনি, চলতি বিশ্বকাপে এই ম্যাচে প্রথমবার এমন ঘটনা ঘটল। ৮০ শতাংশ বল ইংল্যান্ডের দখলে ছিল, এমনকি প্রতিপক্ষের অর্ধে তারা ৬টি শট নিলেও তা লক্ষ্য বরাবর ছিল না। সব মিলিয়ে ১৯ শটের মধ্যে চারটি ছিল লক্ষ্যে, যার সবগুলোই দ্বিতীয়ার্ধে।

দ্বিতীয়ার্ধের মতো প্রথম অর্ধে ব্ল্যাক স্টাররাও বেশ রক্ষণাত্মক খেলেছে। চারজনের দুটি লাইনের মাঝে থমাস পার্টেকে রেখে তারা ডিফেন্স সামলেছে। যদিও রাইসের দূর থেকে নেওয়া একটি জোরালো শট পোস্টের সামান্য উপর দিয়ে চলে যায়।

মাদুয়েকের ক্রস থেকে হেডে বল লক্ষ্যে রাখতে পারেননি রাইস। পরে হ্যারি কেইনের একটি শট ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বাইরে চলে যায়। তবুও তারা ঘানার গোলরক্ষককে তেমন কোনো কঠিন পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি। এমনকি তারা ঘানার এই সুসংগঠিত রক্ষণভাগ ভেদ করে ভেতরেও ঢুকতে পারেনি।

প্রথমার্ধের বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে ইংল্যান্ডের হতাশা মাঠে ক্ষোভ হিসেবে প্রকাশ পায়। নিজের ৫০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নামা বেলিংহাম বল ক্লিয়ার করার সময় ঘানার ডিফেন্ডার ওপোকুকে ধাক্কা দিলে দুজনের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং পরে তাদের আলাদা করা হয়।

ম্যাচ শেষে বেশ কিছু অবাঞ্ছিত রেকর্ড ইংল্যান্ডের সঙ্গী হয়েছে। বিশ্বকাপে এনিয়ে ২৩ ম্যাচ ড্র করল তারা, যার মধ্যে ১৩টি গোলশূন্য। প্রতিযোগিতার ইতিহাসে যে কোনো দলের জন্য দুটোই সর্বোচ্চ।

এই ম্যাচে ইংল্যান্ডের বল দখল পজেশন ছিল ৭৮.৮ শতাংশ; বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনো ম্যাচে এটিই তাদের সর্বোচ্চ বল দখলের রেকর্ড। একই সাথে ফুটবলে রেকর্ড রাখা শুরু হওয়ার পর থেকে গোল করতে ব্যর্থ হওয়া যেকোনো দলের মধ্যেও এটিই সর্বোচ্চ বল দখলের নজির।

এছাড়া বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের মধ্যে গেহির করা ১২৬টি সফল পাস এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সর্বোচ্চ পাস। পুরো ম্যাচে তাকে সাতবার ফাউল করা হয়েছে; বিশ্বকাপের ইতিহাসে আর কোনো ডিফেন্ডার একটি ম্যাচে এত বেশি ফ্রি-কিক আদায় করতে পারেননি।