খুঁজুন
, ,

খাগড়াছড়িতে ধর্ষণের অভিযোগ এনে শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা, ১৪৪ ধারা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 1 October, 2024, 6:31 pm
খাগড়াছড়িতে ধর্ষণের অভিযোগ এনে শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা, ১৪৪ ধারা

খাগড়াছড়িতে আবারও পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এবার টেকনিক্যাল স্কুলের পাহাড়ি ছাত্রদের বিরুদ্ধে একই প্রতিষ্ঠানের ইন্সট্রাক্টর (বিল্ডিং মেইনটেন্যান্স) ও বিভাগীয় প্রধান শিক্ষক আবুল হাসনাত মুহাম্মদ সোহেল রানাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার পর পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) রিপল বাপ্পী চাকমা।

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বাতেন মৃধা জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই শিক্ষক সোহেল রানাকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছিল পাহাড়ি ছাত্রছাত্রীরা। বেশ কয়েক বছর আগে সোহেল রানার বিরুদ্ধে এক পাহাড়ি ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা হয়েছিল। ওই ছাত্রী আদালতে এসে পাহাড়ি একটি সংগঠনের চাপে মামলা করেছে মর্মে সাক্ষ্য দিলে সোহেল রানা খালাস পান এবং চাকরিতে যোগদান করেন। সোহেল রানা চাকরিতে যোগদানের পর থেকে পাহাড়ি ছাত্ররা তার বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির নানা অভিযোগ এনে প্রত্যাহার দাবি করে আসছিল। আজও ত্রিপুরার এক ছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠে।

এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্কুলটির শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করতে থাকে। একপর্যায়ে সোহেল রানাকে অধ্যক্ষের কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরে অধ্যক্ষের কক্ষে ঢুকে ১০–১৫ জন পাহাড়ি তরুণ অভিযুক্ত শিক্ষক সোহেল রানাকে এলোপাতাড়ি মারতে থাকেন। এ সময় তাঁকে পুলিশসহ কয়েকজন রক্ষা করতে গিয়ে ব্যর্থ হন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে, শিক্ষককে হত্যার প্রতিবাদে পাহাড়ি ও বাঙালি ছাত্রদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভাঙচুর হয়েছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিভিন্ন কক্ষ ও আসবাবপত্র। আহত হয়েছেন ১৫-২০ জন। মহাজনপাড়ার কয়েকটি দোকানেও ভাঙচুর করা হয়। এ ছাড়া একটি বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে।  নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার দাবি করলেও পুরো শহরজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সহিদুজ্জামান বলেন, এক শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে উত্তেজনা দেখা দেয়। ধর্ষণের অভিযোগে তাঁকে পিটুনি দেওয়া হয়। এরপর বেলা ৩টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ভোরে চোর সন্দেহে খাগড়াছড়িতে মামুন (৩০) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। এরপর অশান্ত হয়ে ওঠে পাহাড়। যার জেরে পরবর্তীতে পার্বত্য চট্টগ্রামের দুই জেলায় (খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি) ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।

Feb2
Feb2

সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে: মীর হেলাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 11 August, 2026, 8:59 pm
সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে: মীর হেলাল

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি অর্জনে দক্ষ জনশক্তির কোনো বিকল্প নেই। তাই আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শুধু সনদসর্বস্ব বা প্রচলিত একাডেমিক শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবমুখী ও কর্মমুখী শিক্ষার দিকে মনোযোগী হতে হবে।

আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম হাটহাজারীর মীর নোয়াবুল হক মেমোরিয়াল হাই স্কুল-এ নবনির্মিত ‘মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন একাডেমিক ভবন’-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান উদ্বোধক হিসেবে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক মন্ত্রী, মেয়র ও রাষ্ট্রদূত মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন। শুভ উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে নবনির্মিত একাডেমিক ভবনের ফলক উন্মোচন করেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি।

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি আরও বলেন, বর্তমান সময়ের চাহিদা ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষায় পারদর্শী করে তোলা অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশজুড়ে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা প্রসারে বৈপ্লবিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে যেভাবে ধ্বংস করেছে, বর্তমান সরকার তা সংস্কার করে একটি আধুনিক ও টেকসই শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে উন্নত ও শিক্ষিত জাতি গঠনের পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে সফল হতে হলে নিজেদের এখন থেকেই যোগ্য ও মানসম্মত নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বক্তব্য শেষে তিনি বিদ্যালয়টি থেকে এসএসসি (সমমান) পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারী শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করতে আগামী এক বছরের সম্পূর্ণ শিক্ষা খরচ ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে পুরস্কার হিসেবে প্রদানের ঘোষণা দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক মন্ত্রী, চট্টগ্রামের মেয়র ও রাষ্ট্রদূত মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন হাটহাজারীর স্মৃতিচারণ করে আবেগময় কণ্ঠে বলেন, হাটহাজারীর মাটির সাথে আমার রক্তের ও আত্মার সম্পর্ক। আমি এই হাটহাজারী হাই স্কুলেই পড়াশোনা করেছি। মাইলের পর মাইল হেঁটে কষ্ট করে স্কুলে গিয়েছি ও ফিরেছি। কিন্তু আমাদের পড়াশোনার প্রতি অগাধ শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও মনোযোগ ছিল।

অভিভাবক ও এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে সাবেক মন্ত্রী মীর নাছির বলেন, আপনারা আপনাদের সন্তানদের সৎ ও নীতিবান হিসেবে গড়ে তুলুন। তারা যেন কোনো প্রকার অন্যায় বা অপকর্মের সাথে জড়িয়ে না পড়ে। সততার সাথে জীবনযাপন করলেই তারা জীবনে উন্নতি করতে পারবে এবং দেশের কল্যাণে নিজেদের আত্মনিয়োগ করতে পারবে। সততা ও সুশিক্ষায় শিক্ষিত তরুণ প্রজন্মই সমাজের প্রকৃত আলো।

সাবেক মন্ত্রী মীর নাছির দৃঢ়তার সাথে আরও বলেন, আমাদের সমাজে অন্যায় কাজের কোনো স্থান নেই। আপনারা যদি কোথাও কোনো অন্যায় বা দুর্নীতি দেখতে পান, সরাসরি আমার কিংবা প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল-এর কাছে চলে আসবেন—আমরা তাৎক্ষণিক কঠোর আইনি প্রতিকারের ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ সেলিম উদ্দীন রেজা-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য ব্যারিস্টার ইসরাত নাজনীন নাছির, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর ইসলাম।

এক আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

১২ দিন ব্যাপী ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) মুসলমানদের ঈমানী প্রেরণার উৎস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 11 August, 2026, 8:39 pm
১২ দিন ব্যাপী ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) মুসলমানদের ঈমানী প্রেরণার উৎস

চট্টগ্রাম নগরীর (হাশেমী নগর) জালালাবাদস্থ দরবারে হাশেমীয়া আলীয়া শরীফে হতে আন্জুমানে মুহিব্বানে রাসূল (দ.) গাউছিয়া জিলানী কমিটি ও গাউছিয়া হাশেমী কমিটি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনায় আসন্ন পবিত্র মাহে রবিউল আউয়াল শরীফকে স্বাগত জানিয়ে ও যুগশ্রেষ্ট ইসলামী স্কলার, ইমামে আহলে সুন্নাত আল্লামা কাযী মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম হাশেমী (রহ.)’র প্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক ১২ দিনব্যাপী পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) শীর্ষক সেমিনারের অর্ধশত বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মোটরগাড়ি শোভাযাত্রা সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সভাপতি, দরবারের অন্যতম সাজ্জাদানশীন কাযী মুহাম্মদ আবুল ফোরকান হাশেমীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রাটি দরবার থেকে শুরু হয়ে অক্সিজেন – বায়েজীদ – নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জামালখান প্রেসক্লাবে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে ” ইমাম আল্লামা হাশেমী (রহ.)’র প্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক ১২ দিন ব্যাপী ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) সেমিনারের অর্ধশত বার্ষিকীতে ইমাম এর স্মরণঃ সেমিনারের প্রভাব ও আমাদের করণীয় ” শীর্ষক এক আলোচনা সভা হয়।

মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবস্থ ইন্জিনিয়ার আব্দুল খালেক মিলনায়তনে গাউছিয়া হাশেমী কমিটি বাংলাদেশের আহ্বায়ক শাহাজাদা কাযী মুহাম্মদ বাহাউদ্দীন হাশেমীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দরবারে হাশেমীয়া আলীয়া শরীফের সাজ্জাদানশীন শাহজাদা কাযী মুহাম্মদ আবুল ফোরকান হাশেমী।

সংগঠনের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আহ্বায়ক মাওলানা মনির আহমদ আনোয়ারীর সঞ্চালনায় উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা নুরুল আবছার আল কাদেরী, দরবারের সাজ্জাদনশীন পীরে তরীকত মাওলানা কাযী মুহাম্মদ জিয়াউদ্দীন হাশেমী, বিশিষ্ট সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ রানা, মাওলানা ছৈয়দ মুহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম কাদেরী, মুহাম্মদ ইব্রাহীম মিয়া, মাওলানা হাফেজ আবুল হোসাইন, মাওলানা ছৈয়দুল হক ছৈয়দ, মাওলানা ফরিদুল আলম শাহ, মুহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম শিমুল, মাষ্টার আবু রায়হান চৌধুরী, মাষ্টার মহিউদ্দিন, কাযী মুহাম্মদ রোকনুজ্জামান,মুহাম্মাদ নুরুন নবী মেম্বার, মুহাম্মদ আবুল মনছুর, মাওলানা মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন সমরকন্দী, মুহাম্মদ জাবেদ হোসাইন, মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন বরাত, মুহাম্মদ তারেক, মুহাম্মদ গরিবউল্লাহ, হাজী মুহাম্মদ ইদ্রিস সওদাগর, মাষ্টার শাহ দেলোয়ার।

এছাড়াও সংগঠনের অংসখ্য নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ উপস্থিত ছিলেন।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতায় প্রস্তুত সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 11 August, 2026, 3:57 pm
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতায় প্রস্তুত সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বর্তমানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে, আগ্রহী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত- বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচেম) একটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব গাজী শাহরিয়ার পামির এ কথা জানান। অ্যামচেম বাংলাদেশের পক্ষে সংগঠনটির সভাপতি ও মাস্টারকার্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল আট সদস্যের এই প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব দেন। অ্যামচেম প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, প্রায় দুই মাস আগে সংগঠনটির নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

নতুন কমিটি বাংলাদেশে আরও মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদারে কাজ করছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। আগ্রহী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত।

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।