খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আগে প্রতাপশালী অপরাধী ছাড় পেয়ে যেত, তা আর হবে না

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৪, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ
আগে প্রতাপশালী অপরাধী ছাড় পেয়ে যেত, তা আর হবে না

অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ক্রিমিনালকে (অপরাধী) কোনো অবস্থাতেই ছাড় দেওয়া যাবে না। সে যত প্রতাপশালী হোক না কেন। আগে অনেক সময় অনেক প্রতাপশালী অপরাধী ছাড়-টার পেয়ে যেত। সেটা আর হতে দেওয়া যাবে না।

সোমবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর পিলখানায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট ঘিরে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি একটু উন্নতি হলেও সন্তোষজনক নয় বলে স্বীকার করেছেন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের থেকে একটু উন্নতি হয়েছে, কিন্তু আরও উন্নতি হওয়া দরকার। খুব একটা সন্তোষজনক পর্যায়ে যে চলে গেছে, তা না। এখন যদি বলেন- আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেমন। জাস্ট সন্তোষজনক কিন্তু এটা আরও ভালো হওয়া দরকার।

পরিস্থিতির উন্নতিতে সময় চেয়ে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, যেহেতু আপনারা জানেন ঢাকার প্রায় সব পুলিশকে আমরা চেঞ্জ করছি। তাদের কিন্তু অলিগলি চিনতেও সময় লাগবে। তাদের ইন্টেলিজেন্স নেটওয়ার্ক করতে সময় লাগবে। বিজিবিতেও অনেক চেঞ্জ করা হয়েছে। এজন্য একটু সময় লাগছে, তবে পরিস্থিতি আস্তে আস্তে উন্নতি হচ্ছে। সামনের দিকে আরও উন্নতি হবে।

বিজিবিকে এক গুচ্ছ নির্দেশনা দেওয়ার কথা তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, জনগণের সঙ্গে একটা সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক যেন বজায় রাখে। বিজিবির যেহেতু বর্ডার ভিত্তিক কাজ করতে হয়, জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে হয়। জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখলেই কাজ করতে সুবিধা হয়। তারাই কিন্তু বিভিন্ন ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা করে।

সীমান্ত দিয়ে ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে জোর দিয়ে তিনি বলেন, সীমান্ত দিয়ে অনেক সময় ফেনসিডিলসহ অন্যান্য চলে আসে। কোনো অবস্থায় যেন আর না আসে। এগুলো আমাদের জাতির অনেক অনেক ক্ষতি করছে।

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির অবস্থান জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনুপ্রবেশ নিষেধ। কিন্তু মানবিক একটা দিক রয়েছে। ওই বেল্টে আপনারা জানেন সারাদিনই গুলাগুলি হচ্ছে। এদের কিন্তু আবার পাঠিয়ে দেওয়া হয়, খুব একটা বেশি রোহিঙ্গা ঢুকতে পারে না। আমাদের ১২ লাখ রোহিঙ্গা আছে, এখন ১৩ লাখের মতো হয়ে গেছে। তবুও কিছু ঢুকছে আমিও অস্বীকার করি না।

বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে তিনি বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত হবে এবং অবশ্যই হতে হবে। দ্রুতই তদন্ত টিম করা হবে। যেহেতু অন্যান্য অনেকগুলো হচ্ছে, এটাও হয়ে যাবে। কি হবে বলতে পারবো না। তবে যে কোনো একটা হইতেই হবে।

রমনা থানা ৫০ গজের মধ্যে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এই মুহূর্তে এটা আমি জানি না। এ জন্য উত্তরটা আমি দিতে পারবো না। আমি গিয়ে দেখবো।

এ সময় বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

এফএসআরইউ বন্ধ, গ্যাস সরবরাহে বড় ধাক্কা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৮ অপরাহ্ণ
এফএসআরইউ বন্ধ, গ্যাস সরবরাহে বড় ধাক্কা

কারিগরি ত্রুটির কারণে এলএনজি সরবরাহকারী একটি ভাসমান টার্মিনাল (এফএসআরইউ) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এতে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস কম সরবরাহ হচ্ছে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার এক জরুরি নোটিশে সংস্থাটি জানায়, এই ঘাটতির প্রভাব পড়েছে গজারিয়া, মেঘনা ঘাট, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জসহ ঢাকার দক্ষিণাঞ্চলে। এসব এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় আবাসিক ও শিল্প গ্রাহকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।

তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপক (মিডিয়া ও জনসংযোগ) মো. আল আমিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আরএলএনজি সরবরাহের একটি এফএসআরইউ কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এর ফলে তিতাস গ্যাসের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় স্বল্পচাপ বিরাজ করছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। তবে সমস্যা পুরোপুরি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক নাও থাকতে পারে।

এ অবস্থায় গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে শিল্পাঞ্চলগুলোতে উৎপাদনে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা, আর আবাসিক গ্রাহকরাও রান্নার কাজে বিঘ্নের শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

পরীক্ষা সুন্দর হয়েছে, নকল-প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি: শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ
পরীক্ষা সুন্দর হয়েছে, নকল-প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি: শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি ও সমমানের প্রথমদিনের পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং নকল-অনিয়মের তেমন ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, আজকের এসএসসি পরীক্ষা সুন্দর হয়েছে। আমি নিজে কয়েকটি কেন্দ্রে গেছি, সিসি ক্যামেরায় দেখেছি। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরীক্ষা হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসেরও কোনো ঘটনা নেই। আগামীতে এ ধরনের সুযোগ দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার পর রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এসএসসি পরীক্ষা-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মানিকগঞ্জে পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমি কয়েকটি কেন্দ্রে গিয়েছিলাম, ওই এলাকার জনগণ তারাও এ পরীক্ষায় সহযেগিতার জন্য অংশ নিয়েছেন। পরীক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ পানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে পরীক্ষা সুন্দর হয়েছে। এবারের পরীক্ষা সুন্দর হবে, এটা জাতি আগেই জেনেছে। কারণ আমরা সবাইকে সচেতন করেছি। অনৈতিকপন্থা পরিহার করতে অনুরোধ জানিয়ে এসেছি।

পরীক্ষাকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশনার বিষয়ে তিনি বলেন, পরীক্ষার প্রতিটি কেন্দ্রের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সাতদিন সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছি। প্রয়োজনে সেগুলো আবারও যাচাই করে দেখা হবে।

পরীক্ষাকেন্দ্রে বিভিন্ন ভুল সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এহছানুল হক মিল বলেন, কেন্দ্রসচিবরা হলেন পরীক্ষার্থীদের অভিভাবক। শিক্ষার্থীদের কোনো ভুল হলে সেটা কীভাবে সামাল দেবেন এটা তাদের জানার কথা এবং জানেনও। শিক্ষকদের এ ধরনের ট্রেনিং আছে।

ফের বদলাচ্ছে পুলিশের পোশাক, রং নির্ধারণ করে মন্ত্রণালয়ে চিঠি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ
ফের বদলাচ্ছে পুলিশের পোশাক, রং নির্ধারণ করে মন্ত্রণালয়ে চিঠি

বাংলাদেশ পুলিশের পোশাকে বড় ধরনের পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইউনিফর্মের রঙ নিয়ে বাহিনীর ভেতরে ও বাইরে নানা আলোচনা-সমালোচনার প্রেক্ষাপটে আবারও পুরোনো ঘরানার রঙে ফেরার উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুলিশের পোশাকে এখন থেকে গাঢ় নীল এবং হালকা অলিভ বা জলপাই রঙের সংমিশ্রণ দেখা যাবে।

পুলিশ সদর দপ্তরের লজিস্টিকস শাখা থেকে এই পরিবর্তনের সপক্ষে ‘পুলিশ ড্রেস রুলস, ২০২৫’ সংশোধনের একটি প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সারোয়ার জাহান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে জানানো হয়, ইতিপূর্বে শার্টের রঙ লোহার মতো এবং প্যান্টের রঙ কফি নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে এই রঙ নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ায় এবং সাধারণ মানুষের মাঝেও এটি নিয়ে নেতিবাচক আলোচনা শুরু হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পুনরায় রঙ নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করেন।

পরিবর্তিত নতুন প্রস্তাবনা অনুযায়ী, দেশের সকল মেট্রোপলিটন পুলিশের শার্টের রঙ হবে হালকা অলিভ বা জলপাই। অন্যদিকে এপিবিএন, এসপিবিএন, এসবি, সিআইডি এবং র‍্যাব বাদে পুলিশের অন্যান্য সকল ইউনিটের জন্য শার্টের রঙ নির্ধারণ করা হয়েছে গাঢ় নীল। তবে উভয় ক্ষেত্রেই প্যান্টের রঙ হবে খাকি (টিসি টুইল)। এই নতুন রূপরেখা কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি বিধিমালা সংশোধনের খসড়া ইতিমধ্যই চূড়ান্ত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, পুলিশের এই ইউনিফর্ম পরিবর্তনের ফলে সরকারের ওপর অতিরিক্ত কোনো আর্থিক চাপ পড়বে না। যেহেতু ইউনিফর্মগুলো নিয়মিত সরবরাহ ও প্রাপ্যতার ভিত্তিতে প্রদান করা হয়, তাই বর্তমান বাজেটের মধ্যেই এই সমন্বয় করা সম্ভব হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে নতুন পোশাকের কার্যক্রম শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। মূলত বাহিনীর সদস্যদের সন্তুষ্টি এবং পেশাগত গাম্ভীর্য বজায় রাখতেই এই রঙ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।