খুঁজুন
, ,

জলাবদ্ধতা নিরাসনে খাল খনন করতে চান মেয়র ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 7 December, 2024, 7:33 pm
জলাবদ্ধতা নিরাসনে খাল খনন করতে চান মেয়র ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসণে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচিতে সমাধান দেখছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। শনিবার চন্দনাইশের কাশেম মাহবুব উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে চন্দনাইশ উপজেলা, চন্দনাইশ পৌরসভা ও দোহাজারী পৌরসভা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে মেয়র এ মন্তব্য করেন।

জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচিকে পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান জানান মেয়র। তিনি বলেন, “জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধানে আওয়ামী লীগ ব্যর্থ হয়েছে কারণ জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে জনসম্পৃক্ত কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়নি। কেবল হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প করে জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। কারণ যেই নালা-খাল হাজার কোটি টাকা খরচ করে বানানো হয়েছে তা যদি জনগণ দখলমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন না রাখে তাহলে জলাবদ্ধতার সমস্যা কোনদিনও সমাধান হবে না। এজন্য শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেখানো পথে হাঁটতে হবে। জনগণকে সম্পৃক্ত করে স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে নগরীর খাল ও বড় নালাগুলো পরিষ্কার করতে হবে। খাল খনন কর্মসূচি এ সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।”

ডা. শাহাদাত জানান, দক্ষিণ চট্টগ্রামের যানজট নিরসনে কর্ণফুলী ব্রিজের পাশে একটি টার্মিনাল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “ দক্ষিণ চট্টগ্রামের যানজট নিরসনে কর্ণফুলী ব্রিজের পাশে একটি টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। জায়গা চিহ্নিত করে ডিসি মহোদয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ করেছি। আশা করি, এটি শীঘ্রই বাস্তবায়ন হবে।”

সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম প্রসারের লক্ষ্যে ৪১ ওয়ার্ডের বাইরের এলাকাগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “চট্টগ্রামকে একটি ক্লিন, গ্রিন, এবং হেলদি সিটিতে রূপান্তর করার লক্ষ্য নিয়ে আমি কাজ করছি। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও রিসাইক্লিং প্রসেস চালু করে ময়লা-আবর্জনাকে সম্পদে রূপান্তর করার পরিকল্পনা করেছি। বর্তমানে চট্টগ্রাম শহরে নগরায়ন ও শিল্পায়ন বৃদ্ধি পাওয়ায় যুগের চাহিদা মেটাতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সীমানা বৃদ্ধির জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব শহর গড়ে তোলার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে মেয়র জানান, “কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, এবং জাপানের রাষ্ট্রদূতদের সাথে বৈঠক করেছি। তাদের সহায়তায় চট্টগ্রামকে আধুনিক শহরে রূপান্তরিত করতে কাজ করছি।”

দেশের গণতন্ত্র উদ্ধারে জেল-জুলুমের মধ্যেও লড়াই চালিয়ে যাওয়ায় চন্দনাইশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মেয়র।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আবদুস সালাম মামুন , চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর। সভা আয়োজন কমিটির আহবায়ক ইখতিয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, শহীদ খান, বাহার উদ্দীন, সাইফুল করিম, আরিফুল ইসলাম, পৌর বিএনপি ‘র যুগ্ম আহ্বায়ক অলি হোসেন মুন্সী, মোরশেদুল আলম, জহিরুল আলম শহীদ, সদস্য আবু মালেক, মুজিবুর রহমান, হাবিবুর রহমান, নাজিম উদ্দিন, মোঃ সেলিম উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মজিদ শাহ, আবু বক্কর, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম টুটুল, আজম খান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক রবিউল হোসেন ছোটন, হেলাল উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোনায়েম খান, সদস্য সচিব মোঃ জাহাঙ্গীর, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সেলিম উদ্দিন, সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম, মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, এডভোকেট মিজানুল হক, নজরুল ইসলাম, এমদাদুল হক, আব্দুল মাবুদ, গাফফার চৌধুরী, এম এ হাশেম রাজুসহ বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।