খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এটুআই প্রকল্পের অর্থ লোপাটে জয়-পলকের ‘সংশ্লিষ্টতা’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ২:১৪ অপরাহ্ণ
এটুআই প্রকল্পের অর্থ লোপাটে জয়-পলকের ‘সংশ্লিষ্টতা’

• অকারণে প্রকল্পের অর্থ ও ব্যয় বৃদ্ধি
• একই ঠিকাদার বারবার কাজ পেয়েছে
• ১৪ জনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে
• জয়-পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের যোগসাজশে এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রকল্পের আওতায় কয়েকশ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি এটুআই অফিসে অভিযান চালিয়ে বেশকিছু নথিপত্র উদ্ধার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ৮৫৫ কোটি টাকার এই প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়ম করে রাষ্ট্রীয় অর্থের আত্মসাৎ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে তারা।

দুদকের অভিযান
৮৫৫ কোটি টাকার প্রকল্পে লুটপাটের অভিযোগে মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে অভিযান চালায় দুদক। সহকারী পরিচালক রাজু আহমেদের নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেয় দুদকের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

অভিযান চলাকালে দুদকের সহকারী পরিচালক রাজু আহমেদ বলেন, সরেজমিন পরিদর্শনে এটুআই প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট ১৫০ এর বেশি টেন্ডার খতিয়ে দেখা হয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ও বিধিমালা (পিপিআর) লঙ্ঘন করে ওই টেন্ডারগুলোতে নির্দিষ্ট কিছু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া হয়েছে, এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া, স্পেসিফিক/লজিক্যাল জাস্টিফিকেশন ছাড়া কার্যাদেশের ব্যয়ের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। যার মাধ্যমে ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশে থাকতে পারে। এটুআই ২০১৯ সালে ই-পেমেন্ট সার্ভিস ‘একপে’ চালু করে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, তাদের অনুমোদন ছাড়াই চালু হয় ‘একপে’। এ বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এটুআই সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিট। এটুআই প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ৪৮৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ধরা হলেও পরবর্তী সময় এর ব্যয় দাঁড়ায় ৮৫৫ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। অভিযানকালে প্রাপ্ত অনিয়মগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে টিম সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করেছে।

রাজু আহমেদ বলেন, ‘দুর্নীতি অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের অনুসন্ধানে আমরা সেখানে যাই। প্রকিউরমেন্টে আমরা কিছু অনিয়ম খুঁজে পেয়েছি। নথিপত্র সংগ্রহ করেছি। সেগুলো যাচাই করে রিপোর্ট দেবো। সেখানে একজন পিডির বক্তব্য গ্রহণ করেছি। প্রায় ১৫০টির বেশি প্রকিউরমেন্ট ছিল। সেগুলোর যতুটুকু যতসম্ভব দেখেছি। আমাদের কাছে কিছু অনিয়ম মনে হয়েছে।’

এটুআই হেড অব প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট আব্দুল্লাহ আল ফাহিম বলেন, এরইমধ্যে অভ্যন্তরীণ তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মেলায় ১৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অনিয়মের পেছনে সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলকের সম্পৃক্ততাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা হলেন, ইউএনডিপির নিয়োগকৃত প্রকল্প পরামর্শক আনীর চৌধুরী, ই-গভর্মেন্ট অ্যানালিস্ট হিসেবে ফরহাদ জাহিদ শেখ, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট মো. মাজেদুল ইসলাম, প্রজেক্ট অ্যানালিস্ট (এইচডি মিডিয়া) পূরবী মতিন, ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট মানিক মাহমুদ, রিসোর্স মোবিলাইজেশন স্পেশালিস্ট মো. নাসের মিয়া, ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস স্পেশালিস্ট তহুরুল হাসান টুটুল, সলিউশন আর্কিটেকচার স্পেশালিস্ট রেজওয়ানুল হক জামী এবং টেকনোলজি অ্যানালিস্ট মো. হাফিজুর রহমান।

দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বলেন, রেকর্ডপত্রগুলো পূর্ণাঙ্গরূপে বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২০০৯ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) অর্থায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্প শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ২০১৮ সালে এটুআই প্রোগ্রামকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীনে নেওয়া হয়। পরে ২০২০ সালে অ্যাকসেস টু ইনফরমেশনের নাম পরিবর্তন করে এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) রাখা হয়।

প্রকল্পটি থেকে আরও জানা যায়, পাঁচটি উদ্দেশ্য নিয়ে প্রকল্প শুরু হয় যার মধ্যে ছিল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের এসডিজি অর্জনকে দ্রুততর করা, সরকারি সেবাগুলো ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে সময়, খরচ ও যাতায়াত কমিয়ে সুশাসনে সততার পরিবেশ সৃষ্টিতে সহযোগিতা প্রদান, সরকারের মধ্যে তথ্য-উপাত্তভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সংস্কৃতি গড়ে তোলা, ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম তৈরিতে সহায়তা সহায়তা প্রদান করা।

প্রকল্পের মেয়াদ ও অর্থ
প্রকল্পটিতে ২০১৯ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত তিনজন প্রকল্প পরিচালক (পিডি) দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রকল্পটির মেয়াদ ছিল ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। শুরুতে প্রাক্কলিত ব্যয়ের মধ্যে সরকারের ব্যয় ছিল ৪০৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। আর সহায়তা তহবিল থেকে আসার কথা ৮১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। কিন্তু পরে প্রাক্কলিত ব্যয় সংশোধন করে মোট ব্যয় দাঁড়ায় ৮৫৫ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের ব্যয় ৪০৩ কোটি ৬৫ লাখ থেকে বেড়ে ৫৫৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা হয়। আর সহায়তা থেকে আসা ব্যয় ৮১ কোটি ৮০ লাখ থেকে বেড়ে ৩০১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা দাঁড়ায়।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র আন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয় আওয়ামী লীগ সরকার। গত বছরের ৩১ আগস্ট তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এ প্রকল্পের অনিয়ম খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। পরে সেই কমিটি তাদের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। তদন্ত প্রতিবেদনে প্রকল্পে নিযুক্ত একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়। সে অনুযায়ী বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে।

প্রকল্পের ৮৫৫ কোটি টাকা দুর্নীতির খবরটি সঠিক নয় বলে বিজ্ঞপ্তি

এদিকে, অ্যাসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রকল্পের ৮৫৫ কোটি টাকা দুর্নীতির খবরটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং এটুআই কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সংক্রান্ত সংবাদের ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। এটুআই প্রোগ্রামের প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মামুনুর রশিদ ভূঁইয়া ওই বিজ্ঞপ্তিতে সই করেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…