খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রচন্ড শীতে জবুথবু সৈয়দপুর সহ নীলফামারী জেলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২০, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ
প্রচন্ড শীতে জবুথবু সৈয়দপুর সহ নীলফামারী জেলা

শাহজাহান আলী মনন, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি ॥ প্রচন্ড কনকনে শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সৈয়দপুর সহ নীলফামারী জেলার জনজীবন।

মৃদু শৈত্য প্রবাহে শীতের তীব্রতা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। ফলে হিমেল বাতাসে জবুথবু হয়ে পড়েছে পুরো এলাকা। কর্মচাঞ্চল্য একেবারে স্থবির হয়ে পড়েছে। যানবাহন চলাচলেও দেখা দিয়েছে প্রতিবন্ধকতা। বাতাসের সাথে সাথে মাঝে মাঝে ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ছে জনপদগুলো। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষ। তারা যেমন কর্মে যেতে পারছেনা শীতের কারণে তেমনি কাজ না করায় আয় বঞ্চিত হয়ে অনাহারে দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে। হাড় কাপানো শীতে অসুস্থ হয়ে অনেকেই ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালে। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও রোগাক্রান্তরা সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছে। শিল্প ও বানিজ্য নগরী শীতের প্রকোপে কর্মনিস্তব্ধ হয়ে পড়েছে।

এদিকে শীত তথা ঘন কুয়াশার কারণে কৃষকরা পড়েছে চরম বিপাকে। তাদের বোরো বীজতলা, আলুর খেত, রবিশস্য সরিষা, ভুট্টা, বাদাম ও গমের খেত ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ধানবীজ হলদে বরণ ধারণ করায় কৃষকরা দুশ্চিন্তায় পড়েছে আগামী বোরো আবাদ নিয়ে।

যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে দেখা দিয়ে সিডিউল বিপর্যয়। ট্রেনগুলো প্রতিটিই ৫ থেকে ৬ ঘন্টা বিলম্বে যাতায়াত করছে। সড়কপথে বাস, ট্রাক, মোটর সাইকেল ধীরগতিতে দিনের বেলাতেও লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। আকাশপথে ঢাকা-সৈয়দপুর রুটে চলাচলকারী বিমানগুলো যথাসময়ে আসতে পারছেনা। সকালের বিমান দুপুরে বা বিকালে এসে পৌছায় যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছে।

সব মিলিয়ে কনকনে শীতে সৈয়দপুরসহ নীলফামারী জেলার সর্বস্তরের মানুষ কাতর হয়ে পড়েছে। আজ ১৩ জানুয়ারি সোমবার সৈয়দপুরে তাপমাত্রা পরিমাপ করা হয়েছে ৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা আগামী কয়েকদিনে আরও বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…