খুঁজুন
সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারবাসীর দাবী অচিরই সড়কের দুর্ভোগের মুক্তি চাই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২০, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ
কক্সবাজারবাসীর দাবী অচিরই সড়কের দুর্ভোগের মুক্তি চাই

ইসলাম মাহমুদ, কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কসহ খানা-খন্দে ভরা সকল সড়কের দুর্ভোগ থেকে জনগণ দ্রুত মুক্তি পাবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) চেয়ারম্যান লে. কর্ণেল (অব.) ফোরকান আহমেদ।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) কক্সবাজার প্রেসক্লাব প্রাঙ্গনে ‘কক্সবাজার শহরের জনদুর্ভোগ ও বেহাল সড়ক দ্রুত সংস্কারের দাবীতে’ আয়োজিত নাগরিক সভায় এই আশ্বাস দেন।

নাগরিক সভায় সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের। সঞ্চালনা করেন অধিকার আন্দোলনের নেতা ইমরুল কায়েস।

নাগরিক সভায় বক্তারা বলেন, শহরের প্রধান সড়কসহ সকল সড়ক ৯০ শতাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। একটিও চলাচল উপযোগী নেই। মানুষের দুর্ভোগের সীমা ছাড়িয়েছে। বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলারা ভীষণ কষ্টে আছে। কউক চেয়ারম্যান বার বার আশার বাণী শুনিয়েছেন, কিন্তু সেই আশ্বাসের বাস্তবায়ন দেখিনি। রাস্তার কারণে পর্যটকেরা কক্সবাজার বিমুখ হচ্ছে। সাধারণ মানুষের ধৈর্যের সীমা আর নেই। তাই দলমত নির্বিশেষে সবাই সড়ক সংস্কারের দাবীতে আন্দোলনে নেমে এসেছে। আর আমরা আশ্বাসের বাণী নয়, দ্রুত বাস্তবায়ন চায়। নয়তো জনগণ রাস্তায় নামতে বাধ্য হবে।

বক্তারা আরও বলেন, কক্সবাজারে লাখো কোটি টাকার উন্নয়ন হচ্ছে বলে নিয়মিত প্রচার হচ্ছে। কিন্তু সেই উন্নয়ন থেকে কক্সবাজারবাসী কতটুকু উপকৃত হচ্ছে। যে উন্নয়ন থেকে নাগরিকরা লাভবান হবে না সেই উন্নয়ন কতটুকু যৌক্তিক। আমরা চায়, নাগরিক অধিকার অধিকার দ্রুত বাস্তবায়ন হোক। যতক্ষণ পর্যন্ত নাগরিক সমস্যার সমাধান হবেনা ততক্ষণ পর্যন্ত নাগরিক সমাজ আন্দোলন চালিয়ে যাবে। প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবো।

নাগরিক আন্দোলনের নেতারা বলেন, কউক চেয়ারম্যান আমাদেরকে সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়ার গল্প শুনিয়েছিলেন। আমরা আর সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়ার স্বপ্ন দেখতে চায়। আমরা চায়, সেই ১৫ বছর আগের স্বাস্থ্যসম্মত কক্সবাজার। আমরা চায়, দুর্ভোগ থেকে দ্রুত মুক্তি।

তারা আরও বলেন, জাগ্রত না হওয়ার কারণে নাগরিকরা অধিকার বঞ্চিত হচ্ছে। এভাবে যদি প্রত্যেকটি দাবী আদায়ের জন্য নাগরিকরা সোচ্চার হয়, তাহলে কেউ দায় এড়াতে পারবে না।

আমাদেরকে অধিকার বঞ্চিত করতে পারবে না।
সভায় বক্তারা বলেন, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে কক্সবাজারের উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত আন্তরিক। কিন্তু এখানকার দায়িত্বরতদের সমন্বয়হীনতার কারণে কোন উন্নয়নই হচ্ছে না। সমন্বয়হীনতার কারণে জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। সবাইকে এক টেবিলে বসে আগে সর্বসম্মত হতে হবে। সমন্বয় করতে হবে। তারপর কক্সবাজারের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

বক্তারা আরও বলেন, পৌরসভার একটি নালা-নর্দমাও ঠিক নেই। ১০ মিনিট বৃষ্টি হলে রাস্তায় পানি উঠে যায়। সুপেয় পানির সমস্যাও প্রকট আকার ধারণ করেছে। বলতে গেলে, কঠিন দুর্ভোগের সময় পার করছে নাগরিকরা। এসব সমস্যার সমাধান দরকার। একজন আরেকজনের উপর দায় না চাপিয়ে সকল সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে হবে।

কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, আরেকটু সময় দিন, কক্সবাজারবাসীকে শতভাগ উন্নয়ন বুঝিয়ে দেব। সমালোচনা না করে কাজ করার পরামর্শ দিন, শহরটাকে সাজানোর জন্য। জনগণ যে সম্মান আমাকে দিয়েছে তা আমি ফিরিয়ে দিব। খুব শিগগিরই পৌর এলাকার উন্নয়ন কাজ শুরু হবে।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্ণেল (অব.) ফোরকান আহমেদ বলেন, জনগণ রাস্তার কারণে কষ্ট পাচ্ছে। এটা আমিও অনুভব করি। আমিও ভুক্তভোগী। আজ (সোমবার) সকাল থেকে আপাতত খানা-খন্দ ভরাটের কাজ শুরু হয়েছে। তিনদিনের মধ্যে দুর্ভোগ কমে যাবে।

বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার পৌরসভার প্যানেল মেয়র মাহবুবুর রহমান, কক্সবাজার বাঁচাও আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক আয়াছুর রহমান, বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য মোহাম্মদ মুজিবুল ইসলাম, প্রথম আলোর সাংবাদিক আব্দুল কুদ্দুস রানা, সাংস্কৃতিক কর্মী তাপস রক্ষিত, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রাসেদুল ইসলাম, জেলা যুবলীগ সভাপতি সোহেল আহমেদ বাহাদুর, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক সোহেল, দৈনিক হিমছড়ির সম্পাদক হাসানুর রশীদ, কক্সবাজার পিপলস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক অনুপ বড়ুয়া অপু, নাগরিক আন্দোলনের নেতা এইচএম নজরুল ইসলাম, পরিকল্পিত কক্সবাজার আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল আলীম নোবেল, কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আবু নাছের মো. হেলাল, আইনজীবী রেজাউর রহমান, আইনজীবী সাকি এ কাউসার, দৈনিক কক্সবাজার একাত্তরের সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদার, সমাজকর্মী ফাতেমা আনকিজ ডেইজি, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কক্সবাজার শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, ব্যবসায়ী নেতা জেবর মুল্লুক, ডা. সাজ্জাদ কাশেম, যুবলীগ নেতা কুতুব উদ্দিন, ছাত্র ইউনিয়ন নেতা অন্তিক চক্রবর্তী।

উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী খোকা, পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আবছার, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা এড. রনজিত দাশ, সিভিল সোসাইটিজ সভাপতি সাংবাদিক ফজলুল কাদের চৌধুরী প্রমুখ।

Feb2

আনোয়ারায় চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা প্রধান আসামি রিমন বড়ুয়া গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৮:২০ অপরাহ্ণ
আনোয়ারায় চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা প্রধান আসামি রিমন বড়ুয়া গ্রেফতার

চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলার পরৈকোরা ইউনিয়নের চেনামতি এলাকার বড়ুয়া পাড়ায় গত শনিবার (১৩ জুন) রাতে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি রিমন বড়ুয়া প্রকাশ তেজু বড়ুয়াকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ। তার কাছ থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাকু ও ভিকটিমের মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত খুনী রিমন এলাকার বেশান্ত বড়ুয়ার পুত্র। নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়ার সাথে ঋণ সংক্রান্ত স্ট্যাম্প চুরির উদ্দেশ্যে রিমন বড়ুয়া প্রকাশ তেজু বড়ুয়া একটি চাকু নিয়ে ভিকটিমের বাড়ির পিছনের দরজার বাইরে ওৎ পেতে ছিল। এ সময় ভিকটিম এনি বড়ুয়া (৪০) ঘর থেকে বের হয়ে আসামিকে দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে আসামি তাকে চাকু দিয়ে আঘাত করে। পরে তার স্কুল পড়ুয়া মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬) মায়ের চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। ঘটনাস্থল ত্যাগের সময় আসামি ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহত এনি বড়ুয়ার ছোট ছেলে পিয়াস বড়ুয়া (৪) গুরুতর আহত হয়।

ঘটনার সংবাদ পেয়ে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোঃ মাসুদ আলমের সার্বিক নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও আনোয়ারা থানা পুলিশের সমন্বয়ে একাধিক বিশেষ টিম গঠন করা হয়। ঘটনাটির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে রাতদিন নিরবচ্ছিন্নভাবে তথ্য সংগ্রহ, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ, সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তদন্তকালে জানা যায়, ঘটনার পর আসামি দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনের চেষ্টা করে। তাকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন থানা এলাকাসহ সম্ভাব্য অবস্থানগুলোতে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করা হয়। দীর্ঘ অনুসন্ধান ও তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে গতকাল রোববার (১৪ জুন) রাতে পটিয়া থানা এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি রিমন বড়ুয়াা প্রকাশ তেজু বড়ুয়াকে গ্রেফতার সংক্রান্তে আজ ১৫ জুন সোমবার সকালে নগরীর ষোলশহরের ২ নম্বর গেটস্থ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম।

তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকারসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে। তার দেয়া তথ্যমতে জানা যায়, ভিকটিমের বাড়িতে সংরক্ষিত সুজন বড়ুয়ার ঋণ সংক্রান্ত স্ট্যাম্প চুরির উদ্দেশ্যে সে একটি চাকু নিয়ে বাড়ির পিছনের দরজার বাইরে ওৎ পেতে ছিল। এ সময় ভিকটিম এনি বড়ুয়া ঘর থেকে বের হয়ে আসামিকে দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে আসামি তাকে চাকু দিয়ে আঘাত করে। পরে তার স্কুল পড়ুয়া মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬) মায়ের চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। ঘটনাস্থল ত্যাগের সময় আসামি ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়।

এসপি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামির দেখানো মতে ভিকটিমের বাড়ির পিছনের খাল থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত চাকু উদ্ধার করা হয়। এছাড়া পটিয়া রেললাইনের পাশের একটি ডোবায় ফেলে দেওয়া এনি বড়ুয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধারের মাধ্যমে ঘটনার প্রমাণ সংগ্রহে তদন্তকারী দল উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

দুর্গম এলাকা, আসামির আত্মগোপনের কৌশল এবং গুরুত্বপূর্ণ আলামত গোপন করার চেষ্টা সত্ত্বেও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পেশাদার তদন্ত, নিরলস পরিশ্রম, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সমন্বিত অভিযানের ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই মামলার রহস্য উদঘাটন, প্রধান আসামি গ্রেফতার এবং গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার সম্ভব হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে সর্বদা বদ্ধপরিকর। এ মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারের নিচের অবৈধ বসতি উচ্ছেদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারের নিচের অবৈধ বসতি উচ্ছেদ

চট্টগ্রাম নগরীর ওয়াসা মোড় থেকে বহদ্দারহাট মোড় পর্যন্ত ফ্লাইওভারের নিচে গড়ে ওঠা অবৈধ বাসস্থান ও স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।

সোমবার (১৫ জুন) পরিচালিত এ অভিযানে ফ্লাইওভারের নিচে নির্মিত বিভিন্ন অস্থায়ী বসতি ও অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যা।

চসিক সূত্র জানায়, নগরীর সৌন্দর্য সংরক্ষণ, জনস্বার্থ রক্ষা এবং ফ্লাইওভারের নিচের স্থান দখলমুক্ত রাখতে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সরকারি জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলবে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এ সময় অধিকাংশ বাসিন্দাকে সেখানে পাওয়া না গেলেও, উপস্থিত ব্যক্তিদের ভবিষ্যতে সরকারি জায়গা দখল করে বসতি স্থাপন থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়।

ডা. জাহেদ ইস্যুতে ভারতীয় ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
ডা. জাহেদ ইস্যুতে ভারতীয় ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার (ডেপুটি হাইকমিশনার) পাওয়ান বাঢ়েকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করেছে বাংলাদেশ সরকার।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশে বাধার ঘটনায় এই তলব করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, ভারতীয় ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে ডেকে নিয়ে বাংলাদেশ গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানাতে পারে।

ভারতের ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা
উল্লেখ্য, গেল ১৪ জুন সন্ধ্যায় জাহেদ উর রহমান দিল্লিতে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। তবে ইমিগ্রেশন জটিলতার কারণে দিল্লিতে ঢুকেননি তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দিল্লিতে না গিয়ে কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফিরছেন। তিনি কূটনৈতিক পাসপোর্ট এ ভ্রমণ করেননি।