খুঁজুন
রবিবার, ১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শীর্ষ তিন পদে ছাত্রশিবিরের জয়জয়কার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:২৬ পূর্বাহ্ণ
শীর্ষ তিন পদে ছাত্রশিবিরের জয়জয়কার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) এবং জিএস পদে এস এম ফরহাদ ও এজিএস পদে মহিউদ্দিন খান জয়ের পথে রয়েছেন। এবার কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টা পর্যন্ত মোট ৮ ভোটকেন্দ্রের ১৮টি হলের ফল ঘোষণা করা হয়।

ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের ভিপি প্রার্থী মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) সর্বমোট ১৪ হাজার ৪২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী মো. আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৫৮ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী উমামা ফাতেমা পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৮৯ ভোট। আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম হোসেন পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৮১ ভোট।

ফলাফল ঘোষণা করা হলগুলো হলো- শামসুন্নাহার হল, মুহসীন হল, এফ রহমান হল, রোকেয়া হল, এসএম হল, জহুরুল হক হল, জগন্নাথ হল, শহীদুল্লাহ হল, কার্জন হল, ফজলুল হক মুসলিম হল, অমর একুশে হল ও সুফিয়া কামাল হল, জসিম উদ্দীন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, সূর্যসেন হল, কুয়েত মৈত্রী হল।

কোন কেন্দ্রে কে কত ভোট পেলেন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব কেন্দ্র

শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব ও কুয়েত মৈত্রী হলের শিক্ষার্থীরা এই কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন।

শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব হলে ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম ৭৪২ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া আবিদুল ইসলাম ২২৭; উমামা ফাতেমা ২২৩; শামীম হোসেন ৩৩৭; আবদুল কাদের ৬৪ এবং বিন ইয়ামিন মোল্লা ১২ ভোট পেয়েছেন। জিএস প্রার্থীদের মধ্যে এস এম ফরহাদ ৫৯৫ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া মেঘ মল্লার বসু ৩১২; আবু বাকের মজুমদার ৯৩; তানভীর বারী হামীম ২২৯ ভোট পেয়েছেন।

কুয়েত মৈত্রী হলে ভিপি প্রার্থী সাদেক কায়েম ৬২৬ ভোট পেয়েছেন। আবিদুল ইসলাম পেয়েছেন ২১০ ভোট। এছাড়া উমামা ফাতেমা ২২৬; শামীম হোসেন ২৩৩; আবদুল কাদের ৪৭; বিন ইয়ামিন মোল্লা ৬ ভোট পেয়েছেন। এই হলে জিএস পদে এসএম ফরহাদ ৪৫৮ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া মেঘ মল্লার বসু ২৭৫; তানভীর বারী হামীম ১৭৯ এবং আবু বাকের মজুমদার ৬৪ ভোট পেয়েছেন।

উদয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্র

এই কেন্দ্রে চারটি হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দিয়েছেন। হলগুলো হলো- কবি জসীম উদদীন হল, সূর্যসেন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল।

জসিম উদ্দীন হলে ডাকসুর ভিপি পদে সাদিক কায়েম ৬৪৭ ভোট পেয়েছেন। আবিদুল ইসলাম পেয়েছেন ১৮৭ ভোট। এছাড়া উমামা ৬২; আবদুল কাদের ৫৫; শামীম হোসেন ৯৪ এবং বিন ইয়ামিন মোল্লা ৪ ভোট পেয়েছেন। জিএস পদে এসএম ফরহাদ ৫৪০ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া তানভীর বারী হামীম ২৫৫; মেঘ মল্লার বসু ৮১; আবু বাকের মজুমদার ৬৭ ভোট পেয়েছেন।

মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলে ডাকসুর ভিপি পদে সাদিক কায়েম ৬৭৪ ভোট পেয়েছেন। আবিদুল ইসলাম পেয়েছেন ২৪৮ ভোট। এছাড়া উমামা ফাতেমা ১৫১; আবদুল কাদের ৭০; শামীম হোসেন ১৩১ ভোট পেয়েছেন। এই হলে ডাকসুর জিএস পদে এসএম ফরহাদ ৫৪৪ ভোট, তানভীর বারী হামীম ৩৩৪ ভোট এবং মেঘ মল্লার বসু ১৭৬ ভোট পেয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে ডাকসুর ভিপি পদে সাদিক কায়েম ৮৪২ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া আবিদুল ইসলাম ২৩৮; উমামা ফাতেমা ৬৯; আবদুল কাদের ৬৭; বিন ইয়ামিন মোল্লা ১১ এবং শামীম হোসেন ১২২ ভোট পেয়েছেন। এই হলে ডাকসুর জিএস পদে এসএম ফরহাদ ৬৮৩; মেঘ মল্লার বসু ১২৪; আবু বাকের মজুমদার ৮১ এবং তানভীর বারী হামীম ৩০৭ ভোট পেয়েছেন।

সূর্যসেন হলে ডাকসুর ভিপি পদে সাদিক কায়েম ৭৬৯ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া আবিদুল ইসলাম ২১০; উমামা ফাতেমা ৬৪; আবদুল কাদের ৬৪ এবং শামীম হোসেন ১২১ ভোট পেয়েছেন। এই হলে ডাকসুর জিএস পদে এসএম ফরহাদ ৫৬৮ ভোট পেয়েছেন। আরাফাত চৌধুরী ১৬৪; মেঘ মল্লার বসু ১০৮; আবু বাকের মজুমদার ৬৬ এবং তানভীর বারী হামীম ২৮৫ ভোট পেয়েছেন।

সিনেট ভবন ভোটকেন্দ্র

তিনটি হলের শিক্ষার্থীরা এই কেন্দ্রে ভোট দেন। হলগুলো হলো- স্যার এএফ রহমান হল, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ও বিজয় একাত্তর হল।

এএফ রহমান হলে ডাকসুর ভিপি পদে সাদিক কায়েম ৬০২ ভোট পেয়েছেন। আবিদুল ইসলাম ১৮৬; উমামা ফাতেমা ৭৯; আবদুল কাদের ৯১ ও শামীম হোসেন ১২২ ভোট পেয়েছেন। জিএস পদে এসএম ফরহাদ ৫৮৮ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়ার মেঘ মল্লার বসু ১৫৭ ; আবু বাকের মজুমদার ৫৪ ও তানভীর বারী হামীম ২৪৫ ভোট পেয়েছেন।

হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে ডাকসুর ভিপি পদে সাদিক কায়েম ৬৩৩ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া আবিদুল ইসলাম ২২১; শামীম হোসেন ১২৩, আবদুল কাদের ৭০ ও উমামা ফাতেমা ৫৬ ভোট পেয়েছেন। এই হলে জিএস পদে এসএম ফরহাদ ৫০১ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া তানভীর বারী হামীম ২৫৮; আরাফাত চৌধুরী ১৫৬; মেঘ মল্লার বসু ১০৬ এবং আবু বাকের মজুমদার ৭৫ ভোট পেয়েছেন।

বিজয় একাত্তর হলে ডাকসুর ভিপি পদে সাদিক কায়েম ৯৯১ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া আবিদুল ইসলাম ২৭৮; শামীম হোসেন ১৯১; উমামা ফাতেমা ১০৪; আবদুল কাদের ৯৫ ভোট পেয়েছেন। এই হলে ডাকসুর জিএস পদে এসএম ফরহাদ ৭৭৯ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া তানভীর বারী হামীম ৪৪২; মেঘ মল্লার বসু ১৪৫ ও আরাফাত চৌধুরী ১৯৪ ভোট পেয়েছেন।

টিএসসি ভোটকেন্দ্র

শুধু রোকেয়া হলের শিক্ষার্থীরা এই কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন। ফল ঘোষণায় দেখা যায়, রোকেয়া হলে ডাকসুর ভিপি পদে সাদিক কায়েম সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১৪৭২। এ ছাড়া উমামা ফাতেমা ৬১৪; আবিদুল ইসলাম ৫৭৫; শামীম হোসেন ৬৮৪ ভোট পেয়েছেন। এই হলে ডাকসুর জিএস পদে এস এম ফরহাদ ১১২০ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া আরাফাত চৌধুরী ৬৬৪; মেঘ মল্লার বসু ৭৮০, তানভীর বারী হামীম ৪৪৭ ও আবু বাকের মজুমদার ২৪১ ভোট পেয়েছেন।

শারীরিক শিক্ষা ভোটকেন্দ্র

জগন্নাথ হল, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা এই কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন।

জগন্নাথ হলের ভোট গণনায় দেখা যায় ডাকসুর ভিপি পদে ছাত্রদলের প্যানেলের প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান ১২৭৬ ভোট পেয়েছেন। শিবিরের সাদিক কায়েম পেয়েছেন ১০ ভোট। এছাড়া উমামা ফাতেমা ২৭৮; আবদুল কাদের ২১; বিন ইয়ামিন মোল্লা ৫; শামীম হোসেন ১৭১ ও তাসনিম আফরোজ ইমি ১১ ভোট পেয়েছেন। জিএস পদে মেঘ মল্লার বসু ১১৭০ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া এসএম ফরহাদ ৫; তানভীর বারী হামিম ৩৯৮; আরাফাত চৌধুরী ১৬৯ ও আবু বাকের মজুমদার ২৭ ভোট পেয়েছেন।

জহুরুল হক হলের ভোট গণনায় দেখা যায়, ডাকসুর ভিপি পদে সাদিক কায়েম ৮৯৬, আবিদুল ইসলাম ৩১৪; উমামা ফাতেমা ৯৬; আবদুল কাদের ৮৭; বিন ইয়ামিন মোল্লা ৬ ও শামীম হোসেন ১৯৪ ভোট পেয়েছেন। জিএস পদে এসএম ফরহাদ ৬৭০ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া তানভীর বারী হামীম ৪০৯; মেঘ মল্লার বসু ১৪০; আরাফাত চৌধুরী ২২০ ও আবু বাকের মজুমদার ৮৯ ভোট পেয়েছেন।

সলিমুল্লাহ মুসলিম (এস এম) হলে ভিপি পদে সাদিক কায়েম ৩০৩ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া আবিদুল ইসলাম ১১০; উমামা ফাতেমা ৩৪; আবদুল কাদের ২১; বিন ইয়ামিন মোল্লা ৬ ও শামীম হোসেন ৫০ ভোট পেয়েছেন। এই হলে ডাকসুর জিএস পদে এসএম ফরহাদ ২৩৭ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া আরাফাত চৌধুরী ৬৬; মেঘ মল্লার বসু ৪১; তানভীর বারী হামীম ১২৪ ও আবু বাকের মজুমদার ১৮ ভোট পেয়েছেন।

ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোট কেন্দ্র

শুধু শামসুন্নাহার হলের শিক্ষার্থীরা এই কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন। ঘোষণা অনুযায়ী এই কেন্দ্রে ডাকসুর ভিপি পদে শিবিরের আবু সাদিক কায়েম ১১১৪ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া আবিদুল ইসলাম ৪৩৪; উমামা ফাতেমা ৪০৩; শামীম হোসেন ৪১২; আবদুল কাদের ৫৯ ও বিন ইয়ামিন মোল্লা ৪ ভোট পেয়েছেন। এই কেন্দ্রে জিএস পদে এসএম ফরহাদ ৮১৪; মেঘ মল্লার বসু ৫১৭; আবু বাকের মজুমদার ১৩২ ও তানভীর বারী হামীম ৩১২ ভোট পেয়েছেন।

কার্জন হল কেন্দ্র

অমর একুশে হল, ফজলুল হক হল ও শহীদুল্লাহ হলের শিক্ষার্থীরা এই কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন।

অমর একুশে হলের ফলাফলে ডাকসুর ভিপি পদে আবু সাদিক কায়েম ৬৪৪, আবিদুল ইসলাম ১৪১; উমামা ফাতেমা ৯০; শামীম হোসেন ১১১; আবদুল কাদের ৩৬ ও বিন ইয়ামিন মোল্লা ১ ভোট পেয়েছেন। একই হলে জিএস পদে এস এম ফরহাদ ৪৬৬; মেঘ মল্লার বসু ৮৬; আবু বাকের মজুমদার ১৪৭ ও তানভির বারী হামিম ১৮০ ভোট পেয়েছেন।

ফজলুল হক হলের ফলাফলে ডাকসুর ভিপি পদে আবু সাদিক কায়েম ৮৪১, আবিদুল ইসলাম ১৮১; উমামা ফাতেমা ১৫৩; শামীম হোসেন ১৪১; আবদুল কাদের ৪৭ ও বিন ইয়ামিন মোল্লা ৬ ভোট পেয়েছেন। একই হলে জিএস পদে এস এম ফরহাদ ৫৮৯; মেঘ মল্লার বসু ৯৯; আবু বাকের মজুমদার ৩৪১ ও তানভির বারী হামিম ২২৮ ভোট পেয়েছেন।

শহীদুল্লাহ হলের শিক্ষার্থীরাও ভোট দিয়েছেন। এই হলের ফল অনুযায়ী ডাকসুর ভিপি পদে সাদিক কায়েম ৯৬৬; আবিদুল ইসলাম ১৯৯; উমামা ফাতেমা ১৪০; শামীম হোসেন ১৬১; আবদুল কাদের ৫৬ ও বিন ইয়ামিন মোল্লা ৬ ভোট পেয়েছেন। একই হলে জিএস পদে এস এম ফরহাদ ৭৭৩; মেঘ মল্লার বসু ১২৫; আবু বাকের মজুমদার ২৪১ ও তানভির বারী হামিম ২৪৯ ভোট পেয়েছেন।

ভূতত্ত্ব বিভাগ কেন্দ্র

শুধু সুফিয়া কামাল হলের শিক্ষার্থীরা এই কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন। এই হলে ডাকসুর ভিপি পদে শিবির সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী সাদিক কায়েম পেয়েছেন ১ হাজার ২৭০ ভোট। তার পরে আছেন স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের উমামা ফাতেমা, তিনি পেয়েছেন ৫৪৭ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম হোসেন ৪৮৫; ছাত্রদলের আবিদুল ইসলাম ৪২৩ ভোট পেয়েছেন। বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী জোটের ভিপি প্রার্থী আব্দুল কাদের পেয়েছেন ৫৫ ভোট। জিএস পদে শিবিরের এস এম ফরহাদ পেয়েছেন ৯৬৪ ভোট। তার পরে রয়েছেন প্রতিরোধ পর্ষদ প্যানেলের মেঘমল্লার বসু, তিনি পেয়েছেন ৫০৭ ভোট। এছাড়া আরাফাত চৌধুরী ৪৯৮ ভোট; ছাত্রদলের জিএস প্রার্থী তানভীর বারী হামীম ৪০২ ভোট ও বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী জোটের আবু বাকের মজুমদার পেয়েছেন ২১৬ ভোট।

প্রসঙ্গত, এবার ডাকসুতে ২৮টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ৪৭১ জন। আর ১৮টি হল সংসদে নির্বাচন হবে ১৩টি করে পদে। হল সংসদের ২৩৪টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ১ হাজার ৩৫ জন।

ডাকসুতে এবার মোট ভোটার ৩৯ হাজার ৮৭৪। এর মধ্যে পাঁচটি ছাত্রী হলে ১৮ হাজার ৯৫৯ আর ১৩টি ছাত্র হলে ভোটার ২০ হাজার ৯১৫ জন। এবারের নির্বাচনে ডাকসুতে ২৮টি পদের বিপরীতে ৪৭১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে বিভিন্ন পদে ছাত্রী ৬২ জন। এছাড়া প্রতি হল সংসদে ১৩টি করে ১৮টি হলে মোট পদের সংখ্যা ২৩৪টি। এসব পদে ভোটে লড়েছেন এক হাজার ৩৫ জন।

Feb2

মন্ত্রিসভার শপথ সংসদের খোলা আকাশের নিচে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৭ পূর্বাহ্ণ
মন্ত্রিসভার শপথ সংসদের খোলা আকাশের নিচে

চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় বঙ্গভবন–এর দরবার হলে। তবে এবার সেই ধারাবাহিকতা থাকছে না। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা থেকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে।

একই দিন সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথও একই স্থানে অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে সংসদ সদস্যদের এবং বিকেল ৪টার দিকে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান হওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

রীতি অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের শপথ জাতীয় সংসদ ভবনে এবং মন্ত্রিসভার শপথ বঙ্গভবনের দরবার হলে অনুষ্ঠিত হতো। এবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিতে যাওয়া দল বিএনপির পছন্দ অনুযায়ী সংসদ ভবনে শপথ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত হওয়া সব সরকারের শপথ বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের খুব বেশি আনুষ্ঠানিকতা নেই। এখানে আলাদাভাবে অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো বা আপ্যায়নের ব্যবস্থা করতে হয় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘মন্ত্রিসভার শপথে দেশি-বিদেশি অতিথিদের আমন্ত্রণ, তাদের আপ্যায়ন, পর্যায়ক্রমে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনাসহ নানান ধাপের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। শেষ মুহূর্তে এ ধরণের সিদ্ধান্ত হওয়ায় শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের বিভিন্ন পর্ব নিয়ে নতুনভাবে পরিকল্পনা সাজাতে হচ্ছে।’

তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ
তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

অভিনন্দন বার্তায় তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। গণতান্ত্রিক উত্তরণের ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় জনগণের এই সুস্পষ্ট রায় দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আপনার প্রজ্ঞা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনকল্যাণমুখী চেতনার আলোকে আপনি দেশকে একটি স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উন্নয়নমুখী পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। আমি স্মরণ করছি আপনার বাবা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাষ্ট্রদর্শন এবং আপনার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকারের কথা। তাদের আদর্শ ও মহান কর্ম আপনার আগামী দিনের চলার পথকে আলোকিত করবে বলে আমি একান্তভাবে আশা করি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ আজ বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক রূপান্তর, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, জলবায়ু সহনশীলতা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ—এসব ক্ষেত্রে সুসমন্বিত মেধা, মননশীলতা ও প্রজ্ঞার প্রয়োগ অপরিহার্য। আশা করি, আপনার নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় হবে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, একই সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পালনকালে আপনার মূল্যবান সহযোগিতা ও গঠনমূলক ভূমিকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পরিবর্তনের এই সংবেদনশীল সময়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখা, সহনশীলতা প্রদর্শন এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার ক্ষেত্রে আপনার ইতিবাচক অবস্থান জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

‘পরিশেষে, দেশের মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে আপনার সব উদ্যোগ সফল হোক—এই কামনা করি। মহান আল্লাহ আপনাকে দেশ ও জাতির সেবায় প্রজ্ঞা, ধৈর্য ও দৃঢ়তা দান করুন’—বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বানানোর সময় বিস্ফোরণ, নিহত ২

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বানানোর সময় বিস্ফোরণ, নিহত ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণে দুইজন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন অনন্ত তিনজন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর পাঁচটার দিকে সদর উপজেলার চর বাগডাঙ্গা ইউপির ফাটাপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে ককটেল বানাতে গিয়ে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

বিস্ফোরণে বাড়ির ইটের দেওয়াল ধসে গেছে। টিনের চাল উড়ে গেছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম ঘটনাস্থল থেকে বলেন, বিস্ফোরণে দুজন নিহত ও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহতদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছি। আহত তিনজন হলেন সদর উপজেলার পাঠাপাড়া গ্রামের মিনহাজ (৫২) ও বজলুর রহমান (২০) এবং রানীহাটির ধুমী গ্রামের মো. শুভ (২০)।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয়রা কেউ নিহত ও আহতদের নাম-ঠিকানা এখনো জানাতে পারেনি। ফাটাপাড়ার কালামের বাড়িতে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।