খুঁজুন
, ,

জাতীয় স্মৃতিসৌধে তারেক রহমানের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 26 December, 2025, 6:29 pm
জাতীয় স্মৃতিসৌধে তারেক রহমানের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন

মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানে কবর জিয়ারত করে সাভারের পথে রওনা হন তিনি। তবে নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় স্মৃতিসৌধ বেদিতে সূর্যাস্তের আগে শ্রদ্ধা জানাতে হয়। এজন্য বিকেল ৫টা ৬ মিনিট বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য বাবু গয়েশ্বর রায়, আব্দুল মঈন খান, বিএনপি চেয়ারপার্সন উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য আমানউল্লাহ আমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, ঢাকা জেলা বিএনপি সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, সাধারণ নিপুণ রায় চৌধুরী ও ডা. দেওয়ানা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, তমিজউদদীন, ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ, আইয়ুব খান মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর ও মিডিয়া সেল সদস্য শায়রুল কবির খান।

এদিকে তার আগমন উপলক্ষ্যে জাতীয় স্মৃতিসৌধে সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পূর্ণ আয়োজন করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, মহান জাতীয় স্মৃতিসৌধ বেদিতে নিয়ম অনুযায়ী সূর্যাস্ত-এর আগে বিকেল ৫টা ৬ মিনিট বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে স্মৃতিসৌধ এলাকাটি সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে স্মৃতিসৌধ এলাকায় নিরাপত্তা-ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং আশপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল সীমিত রাখা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার স্মৃতিসৌধের পুরো কমপ্লেক্স পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। স্মৃতিসৌধ এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এক হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য নিয়োজিত রাখা হয়েছে।

Feb2
Feb2

বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গতদের টেকসই পুনর্বাসনে বাড়ি বাড়ি জেলা প্রশাসক: দ্রুত নতুন ঘর নির্মাণের আশ্বাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 30 July, 2026, 8:05 pm
বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গতদের টেকসই পুনর্বাসনে বাড়ি বাড়ি জেলা প্রশাসক: দ্রুত নতুন ঘর নির্মাণের আশ্বাস

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঠিক পুনর্বাসন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরেজমিনে এলাকা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক বাহারছড়া ইউনিয়নের ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বন্যাদুর্গত এলাকাগুলোতে যান এবং ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে তাদের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন।

উল্লেখ্য, এসব এলাকায় টানা ৭ থেকে ১০ দিন পানি জমে থাকায় মাটির তৈরি বাড়িগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অধিকাংশই ভেঙে গুড়িয়ে পানিতে মিশে যায়। বর্তমানে অনেক মানুষ চরম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অর্ধভাঙা ঘরগুলোতে বসবাস করছেন, যা যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

দুর্গত মানুষদের মানবিক পরিস্থিতি প্রত্যক্ষ করে জেলা প্রশাসক গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন। পরিদর্শনকালে তিনি কেবল পরিস্থিতি দেখেই ক্ষান্ত হননি, বরং প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের সাথে সরাসরি কথা বলে তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন। পরিবারে সদস্য সংখ্যা কত, তারা কী ধরনের পুনর্বাসন চান এবং কোন ধরণের উপকরণ ও ডিজাইনে বাড়ি তৈরি করলে তাদের জন্য সুবিধাজনক হবে—সেসব বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের কাছ থেকে বিস্তারিত মতামত সংগ্রহ করেন। পুনর্বাসন প্রক্রিয়াকে নিখুঁত ও বাস্তবসম্মত করতে জেলা প্রশাসক স্থানীয় কাঠমিস্ত্রিদের সাথে কথা বলে নতুন ঘর তৈরির সম্ভাব্য খরচ এবং নির্মাণ উপকরণের মান ও স্থায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত হিসাব বুঝে নেন। নতুন ঘর নির্মাণ করা হলে দুর্গতরা সেখানে স্বাচ্ছন্দ্যে থাকবেন কিনা—সে বিষয়েও তিনি নিশ্চিত হন। এ সময় তিনি বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ রুহুল আমিন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে পুনর্বাসনের সার্বিক কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরানোর আশস্তবাণী দিয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এভাবে জরাজীর্ণ ও অর্ধভাঙা ঘরে বসবাস করা অত্যন্ত দুঃখজনক। সরকারের পক্ষ থেকে খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের জন্য নিরাপদ ও টেকসই নতুন ঘর নির্মাণ নিশ্চিত করা হবে।”

উক্ত সরেজমিন পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসকের সাথে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনের সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম বিপিএম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শরীফ উদ্দিন।

৮৬ ডেপুটি অ্যাটর্নি ও ১৭৯ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 30 July, 2026, 7:52 pm
৮৬ ডেপুটি অ্যাটর্নি ও ১৭৯ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ

উচ্চ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে তাদের নিয়োগ দিয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

একইসঙ্গে আগের সব ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সব ডেপুটি অ্যাটর্নি-জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ আদেশ বাতিলপূর্বক ‘বাংলাদেশ ল অফিসার্স অর্ডার, নাইন্টিন সেভেন্টি টু (পি. ও. নং সিক্স অব ১৯৭২)’-এর ৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতা বলে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত ৮৬ জনকে বাংলাদেশের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১৭৯ জনকে বাংলাদেশের সহকারী নিয়োগ দেওয়া হলো।

বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 30 July, 2026, 9:54 am
বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার

বাংলাদেশে বসবাসরত ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে মিয়ানমার রাজি হয়েছে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। তবে, তাদের ফেরত নেওয়ার সময়সীমা সম্পর্কে তিনি নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি।

বুধবার (২৯ জুলাই) আনোয়ার ইব্রাহিম আরও জানান, পারস্পরিক চুক্তির আওতায় মিয়ানমার মালয়েশিয়ায় বসবাসরত ৫০০০ রোহিঙ্গাকে প্রাথমিকভাবে ফেরত নিতে সম্মতি দিয়েছে।

মালয়েশিয়ার স্থানীয় গণমাধ্যম ফ্রি মালয়েশিয়া টুডের বরাত দিয়ে তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার মিয়ানমারের এ পদক্ষেপকে এই সংকট নিরসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছেন।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবাই বলে-ওদের পাঠিয়ে দাও। কোথায় পাঠাবো? মিয়ানমার আগে এদের ফেরত নিতে চাইতো না। এ কারণেই মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্কে মূল্য অনেক, এখন তারা আমাদের দেশ থেকে প্রথমে ৫ হাজার জনকে ফেরাতে রাজি হয়েছে।

বাংলাদেশ ছাড়াও মিয়ানমার থেকে সংঘাতের কারণে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের অনেকেই মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নিয়েছেন।

এ সময় আনোয়ার ইব্রাহিম আরও বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করা ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে মিয়ানমার রাজি হয়েছে।

এর কিছুদিন আগেই মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক কার্যালয়ের সামনে ১০০ জনেরও বেশি রোহিঙ্গা সমবেত হন। পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষ তাদের সবাইকে কুয়ালালামপুর, সেলাঙ্গর ও পেনাংয়ে বিভিন্ন অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে রাখে।

তিনি জানিয়েছেন, আঞ্চলিক রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে মালয়েশিয়া।