খুঁজুন
, ,

নির্বাচন কমিশনারের অনুরোধে তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 10 January, 2026, 12:19 am
নির্বাচন কমিশনারের অনুরোধে তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত

নির্বাচন কমিশনারের অনুরোধে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে গুলশানে রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যের বৈঠক শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সময় দলের স্থায়ী কমিটি আমাদের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এবং চেয়ারম্যান দল পরিষদ এর ক্ষেত্রে যেন সফল হতে পারে সেই ব্যাপারে সবাই দোয়া করেছেন।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনারের অনুরোধে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ১১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে জাতীয় নেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও ২০২৪ গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদসহ অন্যান্য শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য, তাদের কবর জিয়ারত ও কিছু পারিবারিক দায়িত্ব পালনের জন্য দেশের উত্তর অঞ্চলের কয়টি অঞ্চলে সফর করার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনারের অনুরোধে বিএনপির চেয়ারম্যানের সফর স্থগিত করা হয়েছে।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য বিভিন্ন চেষ্টা করা হচ্ছে দাবি করে বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে। সম্প্রতি স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সদস্য সচিব আজিজুর রহমান মোসাব্বির কে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এসব হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছি এবং অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছি।

Feb2
Feb2

গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি রচনা করেছিল বিএনপি: এরশাদ উল্লাহ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 31 July, 2026, 9:50 pm
গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি রচনা করেছিল বিএনপি: এরশাদ উল্লাহ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার নগরীর নসিমন ভবস্থ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় আগামী ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ বলেন, গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি রচনা করেছিল বিএনপি। দীর্ঘ ১৭ বছর রক্তঝরা আন্দোলন-সংগ্রাম, অসংখ্য নেতাকর্মীর ত্যাগ, নির্যাতন ও আত্মদানের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পথ সুগম হয়। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে যে অভিনব প্রতিরোধ ও প্রতিবাদের আবহ সৃষ্টি করেছিল, তা জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী, তরুণ ও কিশোর-কিশোরীর আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে এক ভয়ঙ্কর রক্তপিপাসু ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন ঘটেছিল। এই ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, গত বছর বিএনপি যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে স্মরণ করে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছিল। এবারও বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনসমূহ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালন করবে।

সভায় আগামী ৪ আগস্ট বিকেল জামিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে নিউমার্কেট পর্যন্ত একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পাশাপাশি ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সাংগঠনিক প্রস্তুতি ও দায়িত্ব বণ্টন করা হয়।

সভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান।

প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিয়া ভোলা, এম. এ. আজিজ, অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার, সৈয়দ আজম উদ্দিন, কাজী বেলাল উদ্দিন, শফিকুর রহমান স্বপন, হারুন জামান, শাহ আলম, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন ও আহামেদুল আলম চৌধুরী।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, এস. এম. ফয়েজ, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, মুজিবুল হক, খোরশেদ আলম, কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, শিহাব উদ্দিন আলম, মো. জাফর আহমেদ, গাজী আইয়ুব, মাহাবুব রানা, এম. এ. সবুর, আবু মুসা, মো. আজম, আশরাফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইউসুফ।

আরও উপস্থিত ছিলেন যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শাহেদ, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, মহানগর মহিলা দলের সভানেত্রী মনোয়ারা বেগম মনি, কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক সাবের হোসেন টারজান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলম, জাসাসের সাধারণ সম্পাদক মো. শিপন, ওলামা দলের আহ্বায়ক শহিদুল হক চিশতী এবং সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীনসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করতে হবে। একই সঙ্গে গৃহীত সকল কর্মসূচি সফল করতে মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

চিকিৎসক মেহেদী-শেফাতুজ্জাহান’র বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 31 July, 2026, 2:27 pm
চিকিৎসক মেহেদী-শেফাতুজ্জাহান’র বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ডা. মেহেদী হাসান ও ডা. শেফাতুজ্জাহানকে উদ্দেশ্যে করে অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন প্রকার অপপ্রচারের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হসপিটাল মেডিকেল কলেজ টিসার্স এসোসিয়েশন গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন।

সংগঠনের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ডা. অসিম কুমার বড়ুয়া ও জেনারেল সেক্রেটারি ডা. রানা চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রতিবাদলিপি নিম্নরূপঃ

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতি গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি কিছু অননুমোদিত অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাদের প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত চিকিৎসক ডা. মেহেদী হাসান, সহযোগী অধ্যাপক, ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন বিভাগ এবং ডা. শাফাতুজ্জাহান, পরিচালক ও সহযোগী অধ্যাপক, সিমশ ক্যান্সার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ এবং অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

উক্ত সংবাদসমূহে উপস্থাপিত তথ্যের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বক্তব্য গ্রহণ কিংবা যথাযথ তথা যাচাই না করেই এসব মানহানিকর সংবাদ ও প্রচারণা পরিচালিত হয়েছে। আমরা মনে করি, এ ধরনের অপপ্রচারের উদ্দেশ্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ণ করা, তাঁদের পরিবারকে মানসিকভাবে হয়রানির শিকার করা এবং একই সঙ্গে চট্টগ্রাম মা ও শিশু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা।

উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকগণ দীর্ঘদিন ধরে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করে আসছেন। করোনা মহামারিসহ বিভিন্ন জাতীয় সংকটময় সময়ে তাঁরা সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁদের এই অনন্য অবদানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত মর্যাদার প্রতি নয়, সমগ্র চিকিৎসক সমাজের প্রতিও চরম অসম্মানজনক।

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতি এ ধরনের মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। আমরা মনে করি, এ ধরনের অপপ্রচার চিকিৎসকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে এবং জনমনে অযথা বিভ্রান্তির জন্ম দিতে পারে।

আমরা সকল গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী এবং সচেতন নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি, যাচাইবিহীন তথ্য প্রচার বা শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন এবং দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রচারে সহায়ক ভূমিকা পালন করুন।

আরও বেড়েছে মাছ-মুরগি-ডিমের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 31 July, 2026, 12:15 pm
আরও বেড়েছে মাছ-মুরগি-ডিমের দাম

বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের বাজারগুলোতে গরুর মাংস বাদে চলতি সপ্তাহে আরও এক দফা বেড়েছে মাছ, ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম। তবে সবচেয়ে বেশি উত্তাপ ছড়াচ্ছে মাছের বাজার। বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছের দাম এখন সাধারণ ক্রেতাদের একেবারেই নাগালের বাইরে; হাজার টাকার নিচে মিলছে না কোনো সামুদ্রিক মাছ।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) নগরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে প্রতি কেজি মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গরিবের মাছ হিসেবে পরিচিত পাঙাশের কেজি এখন ২০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। পুকুরে চাষ করা পাঙাশ, তেলাপিয়া, রুই, কাতলা, মৃগেল ও পোয়া মাছের দাম কেজিতে ২০-৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি জীবিত পাঙাশ ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ওজন ভেদে রুই মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা ও টেংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়। তবে রূপচাঁদা, বড় আকারের শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে ক্রেতাকে হাজার টাকার বেশি গুনতে হচ্ছে।

পাহাড়তলী বাজারের মাছ বিক্রেতা খোকন জানান, বাজারে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক মাছ বিক্রি হচ্ছে। তবে দাম বেশ চড়া। মান ও আকারভেদে প্রতি কেজি ইলিশ ১ হাজার ৬০০ থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা, রূপচাঁদা (সাদা) ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা, লাল কোরাল ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, সামুদ্রিক সুরমা ৭০০ টাকা এবং টুনা মাছ ৮৫০ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজার ও মাছের আকারের ওপর ভিত্তি করে এসব দামে কিছুটা তারতম্য হতে পারে বলে তিনি জানান।

মাছের পাশাপাশি দাম বেড়েছে ডিমেরও। গত সপ্তাহের তুলনায় ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে বর্তমানে ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫৫ টাকায়। গরুর মাংসের দাম স্থির থাকলেও তা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে। আর খাসির মাংস কিনতে গেলে কেজিতে গুনতে হচ্ছে ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা।

অন্যদিকে মুরগির বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুরগি ব্যবসায়ী মাহবুব বলেন, ‘এ সপ্তাহে মুরগির দাম গত সপ্তাহের মতোই আছে। প্রতিদিন কেজিতে ৫-১০ টাকা ওঠানামা করে। আজ ১৯০ টাকা কেজি দরে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করছি।’

মাছ কিনতে আসা মোরশেদ রনী নামের এক ক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, ‘মাছের দাম নাগালের বাইরে। প্রতিটি মাছের দামই বেড়েছে। আমাদের মতো মধ্যবিত্তরা খুব কষ্টে আছে।’