খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পরিচ্ছন্ন সমুদ্র সৈকত গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫০ অপরাহ্ণ
পরিচ্ছন্ন সমুদ্র সৈকত গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: ডা. শাহাদাত

পরিবেশ সংরক্ষণ ও সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষার লক্ষ্যে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বিচ ক্লিন আপ ক্যাম্পেইন’।

এ ক্যাম্পেইনে তরুণদের সাথে নিয়ে নিজ হাতে বিচ এলাকা থেকে বর্জ্য সংগহ করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক, তরুণ-তরুণী ও পরিবেশকর্মী অংশগ্রহণ করেন। ইপসা ও কক্সবাজারে কর্মরত যুব সংগঠনগুলোর এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল সমুদ্র সৈকতের প্লাস্টিক দূষণ হ্রাস, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই পর্যটনের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া।

কক্সবাজারের লাবণী পয়েন্ট সংলগ্ন হোটেল জলতরঙ্গের সামনে শনিবার (১০ জানুয়ারি) সমুদ্র সৈকতে বীচ ক্লিনিং ক্যাম্পেইন প্রোগ্রামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, পরিবেশ রক্ষায় নাগরিক দায়িত্ববোধ তৈরি করতে স্থানীয় সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যমকর্মী, যুব সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনা ও পর্যটন ব্যবস্থাপনা, প্লাস্টিক দূষণ কমানো এবং নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে যুবসমাজের এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। কক্সবাজারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকায় নিয়মিত বীচ ক্লিনিং কার্যক্রম পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

তিনি বলেন, কক্সবাজার পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত। এটা আমাদের অহংকারের বিষয়। এই সমুদ্র সৈকতকে পরিবেশ বান্ধব এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে রাখা আমাদের সকলের কর্তব্য। এই লক্ষে আমাদের এই সৈকতে প্লাস্টিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং প্লাস্টিকের ব্যবহার সর্বোচ্চ পর্যায়ে কমিয়ে আনতে হবে। আমরা নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব এই সমূদ্র সৈকতকে বিশ্বমানের হিসেবে গড়ে তুলতে অবদান রাখা।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন একটি ক্লিন, গ্রীন, হেলদি এবং সেফ সিটি গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে। পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনা, প্লাস্টিক দূষণ কমানো এবং নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে যুবসমাজকে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

বীচ ক্লিনিং ক্যাম্পেইন প্রোগ্রামে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিট’র প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান লায়ন মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান এবং ইপসা’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ড. মো. আরিফুর রহমান।

বক্তারা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে প্লাস্টিক ও দূষণমুক্ত রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং সকল ট্যুরিস্ট স্পটকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান এবং ট্যুরিস্ট পুলিশের ইতিবাচক ভূমিকা, দায়িত্বশীল পর্যটন শিল্প এবং সমুদ্র সৈকতে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। গণমাধ্যমকর্মীরা এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

বীচ ক্লিনিং কার্যক্রমে কক্সবাজার ১২টি যুব সংগঠনের সহকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক, স্থানীয় যুব প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। সম্মিলিত উদ্যোগে সমুদ্র সৈকত এলাকা থেকে প্রায় ২৫০ কেজি প্লাস্টিক ও অন্যান্য কঠিন বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়, যা পরবর্তীতে পরিবেশবান্ধব উপায়ে ব্যবস্থাপনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এবং টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়ন সহযোগিতায় এবং ইপসা’র উদ্যোগে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে কক্সবাজারের যুব সংগঠন সমূহ পাশাপাশি ১২০ জন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল) সহযেগিতায় ইপসা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাথে যৌথভাবে প্লাস্টিক ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট (পিডাব্লিউএম) প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করে আসছে। পাশাপাশি পিকেএসএফ’র সহযোগিতায় স্মার্ট প্রজেক্ট এবং ইউএনডিপি’র সহযোগিতায় প্ল্যাস্টিক সার্কুলারিটি প্রজেক্টসহ প্লাস্টিক ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট নিয়ে অনেকগুলো প্রজেক্ট বাস্তবায়নাধীন ও পরিকল্পনাধীন আছে।

Feb2

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সপরিবারে সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সপরিবারে সাক্ষাৎ

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে প্রায় ২ ঘণ্টা সাক্ষাৎ শেষে গুলশানের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত ৯টা ১১ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা সরকারি বাসভবন যমুনা ত্যাগ করেন তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা।

এর আগে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে বের হয়ে বাসভবনে যান তিনি। বাসভবনে ৬টা ৪৭ মিনিটে প্রবেশ করে ৬টা ৫২ মিনিটে সেখান থেকে বেরিয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বাসে করে যমুনার উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান।

বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে প্রথমবাোরের মতো তারেক রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। তারেক রহমানের সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এই দীর্ঘ সময় তাদের মধ্যকার আলোচনা বিষয়ে বিএনপি কিংবা সরকারের প্রেস উইং থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাত ৯টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি।

গত ২৫ ডিসেম্বর ১৭ বছর পর দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমেই ফোনে প্রধান উপদেষ্টা সঙ্গে কথা বলেন তারেক রহমান। দেশে আসার ২১ দিন পর আজ প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে দেখা করতে এলেন তিনি। যদিও এরমধ্যে গত ৩১ ডিসেম্বর প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় সাক্ষাৎ হয় ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের।

এর আগে গত বছর ১৩ জুন লন্ডনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তারেক রহমানের মধ্যে একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই বৈঠক শেষে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা যৌথ বিবৃতি দিয়েছিলেন। সেখান থেকেই মূলত বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক হয়।

১১ দলের আসন সমঝোতা: ১৭৯ আসনে জামায়াত, ৩০ আসনে এনসিপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
১১ দলের আসন সমঝোতা: ১৭৯ আসনে জামায়াত, ৩০ আসনে এনসিপি

নানা জল্পনা-কল্পনা শেষে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের আসন ঘোষণা করলেও এখনও পর্যন্ত মীমাংসা হয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জোটে অংশগ্রহণ।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলভিত্তিক আসনসংখ্যা ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট। তবে এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি।

সংবাদ সম্মেলন আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, আসন্ন নির্বাচন হবে নতুন বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন। বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে এর আগে এতগুলো দল মিলে এতবড় জোট গঠন হয়নি। আজকের এই ঐক্য একটি মডেল হিসেবে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করবে।

‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ জোটের হয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৭৯টি আসনে প্রার্থী দিবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকে জন্ম নেওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসনে প্রার্থী দিবে। এছাড়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি আসনে প্রার্থী দিবে।

জোটের অন্যান্য সঙ্গীদের মধ্যে, খেলাফত মজলিস ১০টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩টি, বিডিপি ২টি, নেজামে ইসলাম ২টি আসনে প্রার্থী দিবে। বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) জোটে থাকলেও তাদের আসন কতটি সে বিষয়টি জানাননি ড. তাহের।

এছাড়া, এই জোটের বহুল আলোচিত দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য ৫০টি আসন রেখে দিয়েছে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’।

এদিকে, ১৬ জানুয়ারি বিকাল ০৩:০০ টায় ‘নির্বাচনী সমঝোতা বিষয়ে’ সংবাদ সম্মেলন করা হবে বলে জানিয়েছে প্রেস ব্রিফিং করবে বলে জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

শর্ত সাপেক্ষে আগামীকাল থেকেই খেলায় ফিরতে রাজি ক্রিকেটাররা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
শর্ত সাপেক্ষে আগামীকাল থেকেই খেলায় ফিরতে রাজি ক্রিকেটাররা

সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের অবস্থান থেকে সরে এসেছে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। আগামীকাল শুক্রবার থেকেই ক্রিকেটে ফিরতে চায় তারা। তবে এ জন্য কিছু শর্ত দিয়েছে সংগঠনটি।

আজ থেকে বিপিএলের ঢাকা পর্বের খেলা শুরুর কথা ছিল। তবে কোয়াবের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি ‘সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটে’র অংশ হিসেবে আজ বিপিএলের ম্যাচও বয়কট করেছেন তারা। ফলে বিপিএলে আজকের দুটি ম্যাচই স্থগিত হয়। তবে দিন শেষে ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনা শেষে ক্রিকেটে ফেরার ইচ্ছার কথা জানায় কোয়াব।

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, নারী বিশ্বকাপ বাছাই ও চলমান অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ও বিপিএলের কথা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে কোয়াব। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোয়াব বলেছে, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেটের চলমান জটিলতা নিয়ে আমাদের নিজেদের মধ্যে আলোচনা চলমান রয়েছে। আমরা ক্রিকেটাররা আলোচনা করে উপলব্ধি করতে পেরেছি, আমাদের নারী জাতীয় দল এখন এখন বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে খেলছে নেপালে, ছেলেদের জাতীয় দলের সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ছেলেদের অনূর্ধ্ব-১৯ দল দল এখন বিশ্বকাপে আছে, সব ধরনের খেলা বন্ধ করার প্রভাব এই দলগুলির ওপর পড়তে পারে। বিপিএলকেও আমরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থে আমরা তাই আমাদের আগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেছি।’

নাজমুলকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে কোয়াব বলেছে, ‘বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। যেহেতু তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং তার পরিচালক পদ নিয়ে প্রক্রিয়াগত কারণে যেহেতু বিসিবি সময় চেয়েছে, সেই সময়টুকু আমরা দিতে চাই। তবে আশা করব, সেই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে।’

‘পাশাপাশি, পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম যেহেতু প্রকাশ্যে ক্রিকেটারদের নিয়ে অপমানজনক কথা বলেছেন, তিনি প্রকাশ্যেই ক্ষমা চাইবেন বলে আমরা আশা করি। বিসিবিকে আমরা জানিয়ে দিয়েছি, তিনি প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলে ও তার পরিচালক পদ নিয়ে প্রক্রিয়া চলমান থাকলে আমরা শুক্রবার থেকেই খেলায় ফিরতে প্রস্তুত।’