খুঁজুন
, ,

আত্মসমর্পণ করতে গিয়ে কেডিএস চেয়ারম্যান খলিল গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 2 February, 2026, 11:39 pm
আত্মসমর্পণ করতে গিয়ে কেডিএস চেয়ারম্যান খলিল গ্রেপ্তার

জামিনের আশায় আত্মসমর্পণ করতে গিয়ে সেখান থেকেই কারাগারে যেতে হলো চট্টগ্রামভিত্তিক কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক পরিচালক খলিলুর রহমানকে। ন্যাশনাল ব্যাংকের সাতটি মামলায় অভিযুক্ত এই শিল্পপতির বয়স ৮৫ বছর।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর আদালতে ন্যাশনাল ব্যাংকের দায়ের করা মামলাগুলোতে জামিন চাইতে হাজির হন খলিলুর রহমান। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদেশের পর বিকেলে তাকে হাতকড়া ও হেলমেট পরিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রেপ্তারের পর সন্ধ্যায় খলিলুর রহমানের শারীরিক অসুস্থতার কথা জানানো হয়। এর পর পুলিশ প্রহরায় তাকে কারাগার থেকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আদালত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, আজ সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) খলিলুর রহমানের আইনজীবীরা তার পক্ষে আবারও জামিন আবেদন করেন। তবে বিচারক সেই আবেদনও নাকচ করে দেন।

৮ মাস আগে আসে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
গত বছরের ২৪ মে ন্যাশনাল ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক মনোয়ারা সিকদার, সাবেক পরিচালক খলিলুর রহমানসহ মোট ১৫ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন গালিব। দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেওয়া হয়।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা অন্যদের মধ্যে রয়েছেন ব্রডওয়ে রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শরীফউজ্জামান খান, চেয়ারম্যান মো. ইসমাইল, পরিচালক মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি ও তওসিফ সাইফুল্লাহ্। এ ছাড়া ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক ও ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৈয়দ রইস উদ্দিন, দেশ টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, হাসান টেলিকম লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্রডওয়ে রিয়েল এস্টেটের শেয়ারহোল্ডার আরিফ হাসান, ন্যাশনাল ব্যাংকের কোম্পানি সেক্রেটারি ও সাবেক অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম বুলবুল, একই ব্যাংকের সাবেক অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ ওয়াদুদ, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক চৌধুরী মোসতাক আহমেদ ওরফে সি এম আহমেদ, সাবেক পরিচালক পারভীন হক সিকদার, পরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক পরিচালক মাবরুর হোসেন এবং সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার রজব আলী।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, ন্যাশনাল ব্যাংকের মহাখালী শাখা থেকে ব্রডওয়ে রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের নামে পূর্বপরিকল্পিতভাবে যোগসাজশে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিয়মবহির্ভূতভাবে ৪৯০ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদিত ঋণের মধ্যে ৪৬২ কোটি টাকা নগদে উত্তোলনের ব্যবস্থা করে ঋণের উদ্দেশ্যের বাইরে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের মাধ্যমে পুরো ৪৯০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়।

এ ঘটনায় ঋণ অনাদায়ী থাকায় গত বছরের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সুদ ও অন্যান্য চার্জসহ ১৭৮ কোটি ৮৯ লাখ ১১ হাজার ৪১২ টাকা আদায় না হওয়ায় ব্যাংকের বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এ অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

৪০৪ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় খলিলসহ আসামি ১৬
কোভিড মহামারির সময় প্রণোদনার ঋণের ৪০৪ কোটি টাকা আত্মসাতে সহায়তার অভিযোগেও কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। গত বছরের মে মাসে দুর্নীতি দমন কমিশনের করা ওই মামলায় সিকদার পরিবারের চার সদস্যসহ মোট ১৬ জনকে আসামি করা হয়।

মামলায় তৎকালীন ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালক মনোয়ারা সিকদার, পারভীন হক সিকদার, রন হক সিকদার ও রিক হক সিকদারকে আসামি করা হয়। দুদকের উপপরিচালক রাম প্রসাদ মন্ডল মামলাটি দায়ের করেন। এতে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়।

এই মামলায় ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক পরিচালকদের মধ্যে কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান ছাড়াও মাবরুর হোসেন, মো. নায়মুজ্জামান ভুইয়া মুক্তা ও মোয়াজ্জেম হোসেনের নাম রয়েছে। বর্তমান পরিচালকদের মধ্যে আসামি করা হয় জাকারিয়া তাহেরকে। মো. নায়মুজ্জামান ভুইয়া মুক্তা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য।

এ ছাড়া ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তাদের মধ্যে মো. একরামুল হক, মো. হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ আবু রাশেদ নোয়াব, এ এস এম বুলবুল এবং চৌধুরী মোসতাক আহমেদ ওরফে সি এম আহমেদকেও আসামি করা হয়। মামলার আসামি তালিকায় আরও আছেন সাদ মুসা হোমটেক্স অ্যান্ড ক্লথিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মোহসিন এবং রেডিয়াম কম্পোজিট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈন উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, মোহাম্মদ মোহসিন ও মঈন উদ্দিন যোগসাজশে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই প্রণোদনার ঋণ গ্রহণ করেন। ন্যাশনাল ব্যাংকের তৎকালীন শাখা ও প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রকৃত আর্থিক প্রয়োজন যাচাই না করেই রেডিয়াম কম্পোজিটের নামে ৪০৪ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন দেন।

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, এই অর্থ একাধিক ধাপে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করা হয়। ওই অর্থ দিয়ে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে চারটি বাণিজ্যিক ফ্লোর কেনা হয়, সাদ মুসা গ্রুপের আগের ঋণ ও কিস্তি পরিশোধ করা হয় এবং এলসির দায় মেটানো হয়। এতে ঋণের শর্ত ভেঙে আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিং সংঘটিত হয়েছে বলে দুদকের প্রাথমিক ধারণা।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, রেডিয়াম কম্পোজিটের নামে মোট ৪০৪ কোটি টাকার সিসি হাইপো, টার্ম লোন ও প্রণোদনার ঋণ অনুমোদন হয়। এর মধ্যে ৩৭৪ কোটি টাকা অন্য কোম্পানিতে সরিয়ে নেওয়া হয়। ঋণের অর্থ ফেরত না আসায় ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ঋণের স্থিতি বেড়ে দাঁড়ায় ৫৩৩ কোটি টাকায়। এ মামলার প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর মোহাম্মদ মোহসিনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত।

২০০৯ সালের পর থেকে দীর্ঘ সময় ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ কার্যত সিকদার গ্রুপের একক নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়।

Feb2
Feb2

দেশের যেকোনো সংকটে জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 8:11 pm
দেশের যেকোনো সংকটে জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: তারেক রহমান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের যেকোনো সংকটকালে দেশের মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে। নেতাকর্মীদের নিয়ে কাজ করে অতীতের বিভিন্ন সংকট মোকাবিলা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা জ্বালানি সংকট। আমরা তা অস্বীকার করছি না। তবে বৈশ্বিক কারণেই এই সংকট তৈরি হয়েছে। তারপরও ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যায় যাতে পড়তে না হয়, সে জন্য মহাপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাজধানীর খামারবাড়ীতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে সভায় কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা জানেন, অতীতে দেশ কীভাবে চলেছে? মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছিল। অর্থনৈতিক ভিত্তি দুর্বল করে দেওয়া হয়েছিল। তাই অতীতের মতো বিগত নির্বাচনেও জনগণ বিএনপিকে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে ভোট দিয়ে সরকার গঠনের সুযোগ দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসার পর একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পাওয়া গেছে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট তৈরি হয়েছে। তবে অচিরেই এই সংকটের সমাধান হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 10:12 am
চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ‘লংমার্চ’ শুরু হয়েছে।

এর আগে আজ (শনিবার) সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশ করেন ১১ দলীয় ঐক্য। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সমাবেশ শেষে চট্টগ্রাম অভিমুখী এ ‘লং মার্চ’ শুরু হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়ায়াতরে মাধ্যমে শুরু হওয়া সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

এতে বক্তব্য রাখছেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা। ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চের বহর রওনা হয়।

লং মার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা হবে। প্রথমটি নারায়ণঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্টান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল, মীরের সরাই এবং সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:57 am
সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতিষ্ঠ হয়ে, বিরক্ত হয়ে সিফাত নামের একজন তরুণ কী বলেছিল, তাতে বাংলাদেশ উলটপালট হয়ে যাওয়ার মতো করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলীয় সন্ত্রাসীরা থানায় নিয়ে তাকে নাজেহাল করেছে। ওকে ছেড়ে দেন। ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদিকে একদম ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, কেউ বলতে পারবে না।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, সিফাতের মুখের ভাষা দিয়ে নয়, কিন্তু যে বিষয়ে সে প্রতিবাদ করেছে, এই বিষয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাত হয়ে গর্জন করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দাবি স্পষ্ট, ছয় দফা দাবি আপনারা দেখেছেন। তার সাথে সপ্তম দফা হবে, কোনো চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বাংলাদেশে আমরা বরদাস্ত করব না।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ চাঁদাবাজদের জ্বালায় অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নাই, পানি নাই, ইলেকট্রিসিটি নাই। কিন্তু গ্যাসের বিলও যথারীতি আছে। কারেন্টের ভূতুড়ে বিল আছে। পানির জন্য কথা বলা যাবে না।

তিনি বলেন, ঢাকাবাসী আপনারা দোয়া করবেন। আমরা আপনাদের এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। সেই অঙ্গীকার পূরণ করতেই আমরা এই কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের কর্মসূচির ঔষধ ইতোমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ক্রিয়া হলে মোবারকবাদ। প্রতিক্রিয়া হলে আমরা বলে দিচ্ছি। আপনারা বলছেন, এই করলে সেই করলে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।’

তিনি আরও বলেন, আমরা আজ কোনো দল, ব্যক্তিগোষ্ঠীর জন্য এই রাস্তায় নামিনি। আমরা নেমেছি বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে। আমরা জনগণের জন্য রাস্তায় নেমেছি। জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব। আমাদের এই আন্দোলন চলবে রাস্তায়, রাজপথে এবং জাতীয় সংসদে। সমান্তরালে আন্দোলন চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যেকটি অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবে।