খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আত্মসমর্পণ করতে গিয়ে কেডিএস চেয়ারম্যান খলিল গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
আত্মসমর্পণ করতে গিয়ে কেডিএস চেয়ারম্যান খলিল গ্রেপ্তার

জামিনের আশায় আত্মসমর্পণ করতে গিয়ে সেখান থেকেই কারাগারে যেতে হলো চট্টগ্রামভিত্তিক কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক পরিচালক খলিলুর রহমানকে। ন্যাশনাল ব্যাংকের সাতটি মামলায় অভিযুক্ত এই শিল্পপতির বয়স ৮৫ বছর।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর আদালতে ন্যাশনাল ব্যাংকের দায়ের করা মামলাগুলোতে জামিন চাইতে হাজির হন খলিলুর রহমান। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদেশের পর বিকেলে তাকে হাতকড়া ও হেলমেট পরিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রেপ্তারের পর সন্ধ্যায় খলিলুর রহমানের শারীরিক অসুস্থতার কথা জানানো হয়। এর পর পুলিশ প্রহরায় তাকে কারাগার থেকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আদালত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, আজ সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) খলিলুর রহমানের আইনজীবীরা তার পক্ষে আবারও জামিন আবেদন করেন। তবে বিচারক সেই আবেদনও নাকচ করে দেন।

৮ মাস আগে আসে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
গত বছরের ২৪ মে ন্যাশনাল ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক মনোয়ারা সিকদার, সাবেক পরিচালক খলিলুর রহমানসহ মোট ১৫ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন গালিব। দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেওয়া হয়।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা অন্যদের মধ্যে রয়েছেন ব্রডওয়ে রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শরীফউজ্জামান খান, চেয়ারম্যান মো. ইসমাইল, পরিচালক মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি ও তওসিফ সাইফুল্লাহ্। এ ছাড়া ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক ও ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৈয়দ রইস উদ্দিন, দেশ টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, হাসান টেলিকম লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্রডওয়ে রিয়েল এস্টেটের শেয়ারহোল্ডার আরিফ হাসান, ন্যাশনাল ব্যাংকের কোম্পানি সেক্রেটারি ও সাবেক অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম বুলবুল, একই ব্যাংকের সাবেক অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ ওয়াদুদ, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক চৌধুরী মোসতাক আহমেদ ওরফে সি এম আহমেদ, সাবেক পরিচালক পারভীন হক সিকদার, পরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক পরিচালক মাবরুর হোসেন এবং সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার রজব আলী।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, ন্যাশনাল ব্যাংকের মহাখালী শাখা থেকে ব্রডওয়ে রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের নামে পূর্বপরিকল্পিতভাবে যোগসাজশে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিয়মবহির্ভূতভাবে ৪৯০ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদিত ঋণের মধ্যে ৪৬২ কোটি টাকা নগদে উত্তোলনের ব্যবস্থা করে ঋণের উদ্দেশ্যের বাইরে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের মাধ্যমে পুরো ৪৯০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়।

এ ঘটনায় ঋণ অনাদায়ী থাকায় গত বছরের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সুদ ও অন্যান্য চার্জসহ ১৭৮ কোটি ৮৯ লাখ ১১ হাজার ৪১২ টাকা আদায় না হওয়ায় ব্যাংকের বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এ অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

৪০৪ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় খলিলসহ আসামি ১৬
কোভিড মহামারির সময় প্রণোদনার ঋণের ৪০৪ কোটি টাকা আত্মসাতে সহায়তার অভিযোগেও কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। গত বছরের মে মাসে দুর্নীতি দমন কমিশনের করা ওই মামলায় সিকদার পরিবারের চার সদস্যসহ মোট ১৬ জনকে আসামি করা হয়।

মামলায় তৎকালীন ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালক মনোয়ারা সিকদার, পারভীন হক সিকদার, রন হক সিকদার ও রিক হক সিকদারকে আসামি করা হয়। দুদকের উপপরিচালক রাম প্রসাদ মন্ডল মামলাটি দায়ের করেন। এতে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়।

এই মামলায় ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক পরিচালকদের মধ্যে কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান ছাড়াও মাবরুর হোসেন, মো. নায়মুজ্জামান ভুইয়া মুক্তা ও মোয়াজ্জেম হোসেনের নাম রয়েছে। বর্তমান পরিচালকদের মধ্যে আসামি করা হয় জাকারিয়া তাহেরকে। মো. নায়মুজ্জামান ভুইয়া মুক্তা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য।

এ ছাড়া ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তাদের মধ্যে মো. একরামুল হক, মো. হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ আবু রাশেদ নোয়াব, এ এস এম বুলবুল এবং চৌধুরী মোসতাক আহমেদ ওরফে সি এম আহমেদকেও আসামি করা হয়। মামলার আসামি তালিকায় আরও আছেন সাদ মুসা হোমটেক্স অ্যান্ড ক্লথিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মোহসিন এবং রেডিয়াম কম্পোজিট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈন উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, মোহাম্মদ মোহসিন ও মঈন উদ্দিন যোগসাজশে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই প্রণোদনার ঋণ গ্রহণ করেন। ন্যাশনাল ব্যাংকের তৎকালীন শাখা ও প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রকৃত আর্থিক প্রয়োজন যাচাই না করেই রেডিয়াম কম্পোজিটের নামে ৪০৪ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন দেন।

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, এই অর্থ একাধিক ধাপে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করা হয়। ওই অর্থ দিয়ে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে চারটি বাণিজ্যিক ফ্লোর কেনা হয়, সাদ মুসা গ্রুপের আগের ঋণ ও কিস্তি পরিশোধ করা হয় এবং এলসির দায় মেটানো হয়। এতে ঋণের শর্ত ভেঙে আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিং সংঘটিত হয়েছে বলে দুদকের প্রাথমিক ধারণা।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, রেডিয়াম কম্পোজিটের নামে মোট ৪০৪ কোটি টাকার সিসি হাইপো, টার্ম লোন ও প্রণোদনার ঋণ অনুমোদন হয়। এর মধ্যে ৩৭৪ কোটি টাকা অন্য কোম্পানিতে সরিয়ে নেওয়া হয়। ঋণের অর্থ ফেরত না আসায় ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ঋণের স্থিতি বেড়ে দাঁড়ায় ৫৩৩ কোটি টাকায়। এ মামলার প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর মোহাম্মদ মোহসিনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত।

২০০৯ সালের পর থেকে দীর্ঘ সময় ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ কার্যত সিকদার গ্রুপের একক নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়।

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।