খুঁজুন
বুধবার, ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দীর্ঘ অপেক্ষায় ছিল যুবসমাজ, ভোটটা সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ হোক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ণ
দীর্ঘ অপেক্ষায় ছিল যুবসমাজ, ভোটটা সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ হোক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দীর্ঘ অপেক্ষায় ছিল আমাদের যুবসমাজ। গত ১৭ বছর যুবকরা ভোট দিতেই পারেনি, আমিও পারি নাই। আজকের ভোটটা সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ হোক।

ভোট দিতে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ২০ মিনিটের দিকে মিরপুর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেন তিনি। ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

ঢাকা-১৫ আসনের প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত ১৭ বছর ভোটাররা ভোট দিতে পারেননি, আমিও ভোট দিতে পারি নাই। ২০১৪, ২০১৮, ২০২৪ সালে ভোটাধিকার হারানোর পর আজকে আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ভোট দেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। আমি মহান রব্বুল আলামিনের শুকরিয়া আদায় করি।

তিনি বলেন, আল্লাহ তাআলা এই ভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটা নতুন সূচনা করে দিন সেটা দোয়া করি। আমি বিশ্বাস করি শুধু আমি না, সবাই বিশ্বাস করে, যুব সমাজ যারা জীবনে একটা ভোটও দিতে পারে নাই, তারা আজকের এই ভোটের জন্য অপেক্ষায় ছিল। এই ভোটটা শান্তিপূর্ণ হোক, সুষ্ঠু হোক এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হোক।

তিনি বলেন, ভোটের মাধ্যমে আগামীতে এমন সরকার গঠিত হোক যে সরকার কোন ব্যক্তি, পরিবার, দলের হবে না। বরঞ্চ যে সরকার হবে ১৮ কোটি মানুষের জনগণের সরকার আমরা সেই সরকার গঠনের ব্যাপারে আশাবাদী।

তিনি বলেন, আজকে আমি ভোট দিয়ে এখান থেকে শুরু করলাম। পরবর্তী পর্যায়ে অন্যান্য কেন্দ্রেও যাবো। একটু দেখবো, সকলের সহযোগিতা চাই।

জামায়াত আমির বলেন, দেশ আমাদের সকলের এই দেশটা গড়তে হবে সকলে মিলে হাতে হাত মিলিয়ে। মিডিয়া একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকে। এটা জানেন যে মিডিয়া সমাজের চতুর্থ স্তম্ভ। এই চতুর্থ স্তম্ভকে আমরা দেশ করার কাজে আমাদের পাশে চাই। আপনাদের ভালোবাসার আমরা অত্যন্ত আকাঙ্ক্ষী। আমরা আকাঙ্ক্ষা করি আপনাদের ভালোবাসা পাবো এবং আগামী দিনগুলোতে ইনশাআল্লাহ আমরা দেশড়ার কাজে হাতে হাত মিলিয়ে কাজে হাত মিলিয়ে একসঙ্গেই আমরা চলবো।

এক প্রশ্নের জবাবে জামায়াত আমির বলেন, সারাদেশে ছোটখাটো কিছু ঘটলে অবশ্যই এগুলাকে ইগনোর করবো। কিন্তু বড় কোনো বিষয় হলে আমরা ছাড় দিবো না এবং আমাদের যা করা প্রয়োজন তাই করবো।

তিনি বলেন, মানুষের ভোটের অধিকার হারিয়ে যায় এটা আমরা কোনোভাবেই চাই না। আমরা চাই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের মাধ্যমে রেজাল্ট যেটা হবে সেটা আমরাও মানবো, অন্যদেরকেও মানতে হবে। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। আমরা এটা চাই।

দেশবাসীর ভোট কামনা করে তিনি বলেন, সারা দেশবাসী প্রত্যেকটা ভোট শান্তিপূর্ণভাবে নিরাপদে, নিঃসঙ্কোচে নিশ্চিতে যাতে সবাই দিতে পারে, নারী পুরুষ সবাই মিলে এজন্য আমি সকলের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। সবাই আসুন ঘর থেকে বেরিয়ে এসে এবং রাষ্ট্রের আপনি গর্বিত অংশীদার হোন এবং আপনার দায়িত্বটাও পালন করুন।

অনেক জায়গায় ঝামেলা হচ্ছে, গণমাধ্যমে একপেশে খবর হচ্ছে। আপনারা কিভাবে দেখছেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, মিডিয়া এক ধরনের নিউজ সবাই পরিবেশন করে না। মিডিয়ার মধ্যেও একই নিউজ ভিন্নভাবে পরিবেশন হচ্ছে। কেউ যদি অপরাধ করে থাকে সে আমি হলেও আমি অপরাধের বিপক্ষে। কিন্তু অপরাধ নয় সেটাকে আবার জোর করে অপরাধ বানানো সেটা আরেকটা বড় অপরাধ। সেটা আছে আমাদের এখানে।

বিএনপির অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেনো, বিএনপিও করছে আমরাও করছি। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।

Feb2

চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৫ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

মাসুদ আলম বিসিএস পুলিশের ২৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তার বাড়ি বগুড়া জেলায়। রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নানা কারণে আলোচনায় আসেন এবং কর্মদক্ষতার জন্য সুনাম অর্জন করেন।

বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যমুনা, সচিবালয়, হাইকোর্ট ও টিএসসি এলাকায় বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে হওয়া আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়।

রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে যোগদানের আগে মাসুদ আলম পাবনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব-৬) ঝিনাইদহ ক্যাম্পেও কর্মরত ছিলেন।

স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ‘স্বাস্থ্যসেবায় সমতা প্রতিষ্ঠায় ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তাবায়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাত দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার। সরকারি হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত চাপের মধ্যে রয়েছে এবং অনেক মানুষ মানসম্মত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত। তিনি উল্লেখ করেন, মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭২ শতাংশ মানুষকে নিজ পকেট থেকে দিতে হয়। ফলে অসুস্থতা এখনো দারিদ্র্যের অন্যতম প্রধান কারণ।

ঢাকা-১৭ এলাকার মানুষের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, কড়াইল, ভাষানটেক, সাততলার মানুষ এই শহরকে সচল রাখে। পোশাকশিল্প, নির্মাণ… সবখানে তাদের শ্রম। অথচ তারাই সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। আমাদের লক্ষ্য এসব এলাকার মানুষ যাতে আর চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন।

তিনি আরও বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের বড় একটি অংশ প্রায় ৪২.৬ শতাংশ মানুষ প্রতিদিনের স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান খুঁজতে স্থানীয় ফার্মেসির ওপর নির্ভর করেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ। তারা অসুস্থ হওয়ার সুযোগ পায় না কারণ অসুস্থতা মানেই আয় বন্ধ।

ডা. জুবাইদা বলেন, আমাদের এই এলাকাবাসীর মধ্যে কয়েকজন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী প্রয়োজন, যারা সবাইকে অবহিত করবেন এই চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম। সেই নাম কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল। আমি আশাবাদী, ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্গত স্বেচ্ছাসেবী ও কুর্মিটোলার সদস্যরা একত্রিত হয়ে বহু প্রাণ বাচাঁতে সক্ষম হবে। এখানকার স্বাস্থ্যসেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার।

এর আগে ডা. জুবাইদা রহমান কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি প্যাভিলিয়ন, গ্যাস্ট্রোলিভার সেন্টার ও ৫০ শয্যা আইসিইউর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর তিনি আইসিইউতে ভর্তি রোগীদের খোঁজ-খবর নেন এবং চিকিৎসাসেবার মান নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, সরকারের লক্ষ্য সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই উদ্যোগগুলো নেওয়া হচ্ছে।

ডা. জুবাইদা রহমান আশা প্রকাশ করেন, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি মানুষকে চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

 

সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘মতিঝিলের শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় ১ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে।’

মঙ্গলবার (৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি জানান, নিহতদের পরিবারের বক্তব্য এবং সকল হত্যাকাণ্ডের সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর। হেফাজতে ইসলামের যে প্রোগ্রামটা তারা আগে থেকেই প্রতিবাদ করে জানিয়ে আসছিলেন এবং তারা ঢাকায় এসে সেখানে অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল- সেই প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, কোনোভাবে তাদের সেখানে অবস্থান নিলে মোকাবিলা করতে হবে। তা না পারলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল- এটিকে তিনি সিস্টেমেটিক, ওয়াইড স্প্রেড অ্যাটাক এবং টার্গেটেড কিলিং হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, প্রত্যেক নিহতের পরিবারের সঙ্গে তারা কথা বলেছেন এবং যেসব হেফাজতে ইসলামের সদস্য নিহত হয়েছেন, প্রত্যেক পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। অতএব প্রত্যেক নিহত হওয়ার পক্ষে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে তিনি দাবি করেন।