খুঁজুন
সোমবার, ১১ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সড়ক-মহাসড়কে গরুর হাট নয়; অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ চট্টগ্রাম ডিসির

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ
সড়ক-মহাসড়কে গরুর হাট নয়; অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ চট্টগ্রাম ডিসির

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে সড়ক, মহাসড়ক ও রেললাইনের পাশে গরুর হাট বসানো যাবে না বলে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। একই সঙ্গে ফেরিঘাটে যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান জোরদার এবং উৎসবকেন্দ্রিক দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।

রোববার (১০ মে) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, রাজনৈতিক মামলাসংক্রান্ত প্রায় ২০০টি মামলার নিষ্পত্তির প্রস্তাব গত মাসেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে সড়ক দুর্ঘটনা ও জনদুর্ভোগ এড়াতে সবাইকে সতর্কভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সে জন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, রাস্তা, মহাসড়ক কিংবা রেললাইনের পাশে কোনো অবস্থাতেই গরুর হাট বসানো যাবে না। যানজট ও জনদুর্ভোগ এড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে কঠোর অবস্থানে থাকতে হবে। কর্ণফুলী এলাকার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জায়গাসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে কোনো পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

ফেরি পারাপারে নিরাপত্তার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কুমিরা-গুপ্তছড়া ও সন্দ্বীপ রুটসহ সব ফেরিঘাটে বাস বা ট্রাক ফেরিতে ওঠার আগে সব যাত্রীকে নামিয়ে নিরাপদভাবে পারাপার নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে ফেরিঘাট এলাকায় নির্দেশনামূলক ব্যানার টানানোর কথাও বলেন তিনি।

সভায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক। চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়—এমন কোনো পরিস্থিতি চলতে দেওয়া যাবে না। সন্ত্রাস, অস্ত্রের মহড়া, চাঁদাবাজি ও মাদককারবার কঠোর হাতে দমন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, উন্নত বিশ্বের মতো উৎসবের সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর সংস্কৃতি চালু করা প্রয়োজন। ঈদকে কেন্দ্র করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

সভায় চট্টগ্রাম জেলার গত মাসের সার্বিক অপরাধচিত্র পর্যালোচনা করা হয়। আলোচনায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, ঈদুল আজহা সুষ্ঠুভাবে উদযাপন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান দমন ও যানজট নিরসনের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
নতুন ব্রিজ এলাকা ও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যানজট কমাতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিভিন্ন বক্তা বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা গেলে যানজট অনেকাংশে কমবে। রাস্তার ওপর বাজার ও দোকান বসানো এবং যেখানে-সেখানে সিএনজিচালিত অটোরিকশা দাঁড় করানো বন্ধ করতে হবে।

বিভিন্ন বক্তার বক্তব্যের জবাবে পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি বলেন, জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক পাচার ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসায়ী ও দুর্বৃত্তদের তালিকা প্রস্তুত করে জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহায়তায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সভায় আরও বলা হয়, আন্দোলনের নামে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি বা যানজট তৈরি করে জনজীবন অচল করা যাবে না। চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। কোনো ব্যক্তি রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া ঈদ উপলক্ষে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল-জরিমানার ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়। শ্রমিকদের ঈদের আগে বেতন-বোনাস পরিশোধে মালিকপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য নুরুল আমিন, সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী, সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক, সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামসহ জেলা পুলিশ, সিএমপি, নৌবাহিনী, এনএসআই, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।

Feb2

অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৯:১৬ পূর্বাহ্ণ
অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন স্থানে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা ছয়টি শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন।

গত ১২ এপ্রিল একটি জাতীয় দৈনিকে ‘৩২০ কোটি টাকা খরচে ৬ শিশু হাসপাতালের ভবন পড়ে আছে’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হলে তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, রংপুর, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট ও কুমিল্লায় আধুনিক ছয়টি হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হলেও জনবল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে বছরের পর বছর সেগুলো অব্যবহৃত পড়ে আছে।

সড়ক-মহাসড়কে গরুর হাট বন্ধ ও অস্ত্র উদ্ধারে কড়া নির্দেশ
পত্রিকার খবরটি আমলে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এবং স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী অবিলম্বে এই ছয়টি হাসপাতাল পরিদর্শন করে সেগুলো কার্যকরের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে আগামী ২ জুনের মধ্যে এই নির্দেশনার বাস্তবায়ন ও অগ্রগতির সার্বিক প্রতিবেদন পেশ করার সময়সীমা বেধে দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি বৈঠকের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বৈঠকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালটি আংশিক চালু থাকলেও একে ৫০০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপান্তর করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) অধীনে নির্মিত সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালসহ অন্যান্য অচল হাসপাতালগুলো দ্রুত চালুর তাগিদ দেন তিনি।

এদিকে, নীলফামারীতে ১ হাজার শয্যাবিশিষ্ট প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল-এর কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চীনা দূতাবাসকে সম্পৃক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সদর উপজেলায় নির্মিতব্য এই প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রতিটি জেলায় আধুনিক সেকেন্ডারি স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতির অংশ।

স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী সংবাদ মাধ্যমকে জানান, দেশের উত্তরাঞ্চলে, বিশেষ করে রংপুর বিভাগে প্রায় ২ কোটি মানুষের বসবাস। দারিদ্র্য ও সীমিত অবকাঠামোর কারণে এই অঞ্চলে জটিল রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত করা কঠিন। এ অবস্থায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালটি নির্মিত হলে এটি ওই অঞ্চলের প্রধান রেফারেল কেন্দ্র হিসেবে স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, উত্তরাঞ্চলে উন্নত চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণ সরকারের একটি সময়োপযোগী ও কৌশলগত পদক্ষেপ।

পরিবহন খাতের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে : মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
পরিবহন খাতের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে : মেয়র

চট্টগ্রাম প্রাইম মুভার ট্রেইলার ওনার্স এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন–এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

রবিবার চসিকের প্রধান নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকালে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পরিবহন খাতের বিভিন্ন সমস্যা, দাবি-দাওয়া ও পেশাগত প্রতিবন্ধকতার বিষয় মেয়র মহোদয়ের কাছে তুলে ধরেন।

এ সময় তারা নগরের সড়ক ব্যবস্থাপনা, ভারী যানবাহন চলাচল, ট্রেইলার পার্কিং সংকট এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা কামনা করেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “চট্টগ্রাম দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী। এ নগরের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখতে পরিবহন খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই খাতের যৌক্তিক সমস্যা সমাধানে সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “নগরবাসীর স্বার্থ রক্ষা এবং যানজট ও জনদুর্ভোগ কমিয়ে সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। চট্টগ্রামকে আধুনিক, নিরাপদ ও পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”

সাক্ষাৎ শেষে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মেয়র মহোদয়কে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে : মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে : মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান মাসব্যাপী নালা নর্দমা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে আরও গতি আনতে মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

রবিবার (১০ মে ২০২৬) নগরীর দেওয়ান বাজার ও জামাল খান ওয়ার্ডে পরিচালিত ক্র্যাশ প্রোগ্রামের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

দৈনিক কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১১টায় সাব এরিয়া এলাকা এবং সকাল সাড়ে এগারটায় রহমতগঞ্জ, মিডটাউন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন মেয়র। এ সময় সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, পাইপ দিয়ে পানি নিষ্কাশন হচ্ছে, তবে তা এখনো পর্যাপ্ত নয়। ভারী বৃষ্টিপাত হলে এসব এলাকায় জলাবদ্ধতার ঝুঁকি থেকে যায়। তাই দ্রুত মাটি অপসারণসহ চলমান কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে।তিনি ৩৪ ব্রিগেড আর্মি ইঞ্জিনিয়ারিং টিমকে দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যার অন্যতম কারণ হচ্ছে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলা ও নালায় বর্জ্য নিক্ষেপ। এতে পানি চলাচল ব্যাহত হয়ে সামান্য বৃষ্টিতেই জলজট সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল হতে হবে। সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, যারা নালা খালে ময়লা ফেলবে, অবৈধ দখল করবে কিংবা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চসিকের ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করবে এবং আইন অনুযায়ী জরিমানা ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মেয়র স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ভবন মালিক, ব্যবসায়ী ও সমাজের সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, গত বছর সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা অনেকাংশে জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছিলাম। এবারও সব সেবা সংস্থা, জনপ্রতিনিধি ও নগরবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে কাজ করছি।

তিনি নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।