খুঁজুন
, ,

মেধাবীরা মানবিক হলে পুরো সমাজ উপকৃত হয়: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 12 May, 2026, 6:04 pm
মেধাবীরা মানবিক হলে পুরো সমাজ উপকৃত হয়: ডিসি জাহিদ

“মেধাবীরা যখন মানবিক হন, তখন সমাজ ও রাষ্ট্র সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়”— এমন মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেন, অসুস্থ মানুষ দিয়ে কখনো সুস্থ সমাজ গঠন সম্ভব নয়। তাই চিকিৎসক ও নার্সদের মানবিক সেবা একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল নার্সিং ইনস্টিটিউট ও নার্সিং কলেজের ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নবাগত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ও শিরাবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও নার্সিং সাব-কমিটির চেয়ারম্যান ডা. কামরুন নাহার দস্তগীরের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কার্যনির্বাহী কমিটির প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল মান্নান রানা, জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি মো. জাহিদুল হাসান, ট্রেজারার অধ্যক্ষ ডা. লায়ন মোহাম্মদ সানাউল্লাহ, পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. নূরুল হক ও উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইনসহ অন্যান্যরা।

অনুষ্ঠানের আগে জেলা প্রশাসক হাসপাতালের বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন করেন। তিনি বহিঃবিভাগ ও শিশু বহিঃবিভাগে রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

এনআইসিইউ পরিদর্শনের সময় হেড অব ডিপার্টমেন্ট প্রফেসর ড. ওয়াজির আহমেদের কাছে সাম্প্রতিক সময়ে শিশু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ জানতে চান। এছাড়া তিনি পিআইসিইউ, এডাল্ট আইসিইউ, ক্যান্সার ইনস্টিটিউট ও অটিজম ইউনিট পরিদর্শন করেন।

ক্যান্সার ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জেলা প্রশাসক আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

অটিজম ইউনিট পরিদর্শনকালে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সঙ্গে কথা বলে তিনি বলেন, খাদ্যে ভেজাল, পরিবেশ দূষণ এবং করোনা-পরবর্তী সময়ে পিতা-মাতার জেনেটিক পরিবর্তনের কারণে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর সংখ্যা বাড়ছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, “চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক হিসেবে আজ প্রথমবারের মতো এই মা ও শিশু হাসপাতালে এসে আমি সত্যিই অভিভূত। এখানে আসার আগে চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার মনে যে ধারণা ছিল, এখানে এসে তা পুরোপুরি বদলে গেছে। এত সুন্দর পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা এবং মানুষের প্রতি আন্তরিকতা দেখে আমি মুগ্ধ।”

তিনি বলেন, “আমরা সবাই একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই। সেই বাংলাদেশে নার্সরা মানবতার দেবদূত হিসেবে কাজ করবেন। মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব হলেও মানবিকতা ছাড়া সেই শ্রেষ্ঠত্বের কোনো মূল্য নেই।”

নার্সিং পেশাকে একটি মহৎ ও মানবিক পেশা উল্লেখ করে ডিসি জাহিদ বলেন, “আমরা মানুষ, আমরা কোনো দানব নই, আমরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নই। আমরা অসুস্থ হই, আমরা সেবা নেওয়ার জন্যই হাসপাতালে আসি। তখন নার্সরাই হাসিমুখে সেবা দিয়ে আমাদের সুস্থ করে তোলেন।”

তিনি আরও বলেন, “সূর্যের যদি তাপ না থাকে তাহলে যেমন সূর্যের শ্রেষ্ঠত্ব নেই, সমুদ্রের গর্জন না থাকলে যেমন সমুদ্রের শ্রেষ্ঠত্ব নেই, তেমনি মানুষের মধ্যে যদি মানবিকতা না থাকে তাহলে আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে আমাদের দাবিও অর্থহীন হয়ে যাবে।”

জেলা প্রশাসক বলেন, রোগীর শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি মানসিক শক্তি ও সাহস ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও নার্সদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। একটি ভালো ব্যবহার কিংবা আন্তরিক হাসি একজন রোগীর সুস্থতায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “আজ যারা শপথ নিচ্ছেন, তারা যেন সেই শপথের মর্যাদা রক্ষা করেন। সরকারি বা জনসেবামূলক হাসপাতালে আসা অধিকাংশ মানুষই অসহায়। তাদের পাশে দাঁড়ানো শুধু পেশাগত দায়িত্ব নয়, এটি মানবিক দায়িত্বও।”

বিশ্বব্যাপী নার্সিং পেশার চাহিদার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, বিশেষ করে ইউরোপ ও জাপানে দক্ষ ও মানবিক নার্সের ব্যাপক প্রয়োজন রয়েছে। এজন্য আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন দক্ষতা, নৈতিকতা ও পেশাদারিত্ব অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বর্তমানে কিডনি রোগ, অটিজমসহ বিভিন্ন জটিল রোগ বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জেলা প্রশাসক বলেন, খাদ্যাভ্যাস, পানি ও পরিবেশ নিয়ে অসচেতনতার কারণে নানা রোগ বাড়ছে। এ বিষয়ে সচেতন না হলে ভবিষ্যতে হাসপাতালের বেডই মানুষের জীবনের বড় অংশ হয়ে যেতে পারে।

তিনি বলেন, “প্রতিটি মানুষেরই উচিত প্রতি মাসে অন্তত একবার হাসপাতাল ও কবরস্থানে যাওয়া। তাহলেই আমরা জীবনের প্রকৃত অর্থ ও লক্ষ্য বুঝতে পারব।”

সবশেষে জেলা প্রশাসক বলেন, “এই দেশ আমাদের। সীমাবদ্ধতা থাকলেও সমাজের মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। আমাদের পোশাক নয়, আমাদের কাজই হবে আমাদের প্রকৃত পরিচয়।”

এর আগে আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস উপলক্ষে হাসপাতাল ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করা হয়। পরে নবাগত শিক্ষার্থীদের শপথ বাক্য পাঠ করানো এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যাপ পরিয়ে দেওয়া হয়।

Feb2

৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 2:50 pm
৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

চট্টগ্রামে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের আমানতের ওপর থেকে হেয়ারকাট বা মুনাফা কর্তনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন আমানতকারীরা।

সোমবার (২৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে শত শত ভুক্তভোগী এতে অংশ নেন।

আমানতকারীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘ দুই বছর ধরে তারা নিজেদের জমাকৃত টাকা উত্তোলন করতে পারছেন না। চিকিৎসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে না পেরে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

বিক্ষোভের সময় আমানতকারীরা বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন। এ সময় তারা হেয়ারকাট মানি না, মানব না, এক দফা, এক দাবি, হেয়ারকাট বাতিল করবি, এবং আমানত কি নিরাপদ? আপনার কষ্টের টাকা কার পকেটে? সরকার কেন চুপ? প্রশাসন কেন চুপ? এমন নানা স্লোগান দিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আমানতকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান নিয়েছেন, যার একটিতে হেয়ারকাট পদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা জানান, গত ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি স্মারকপত্রের মাধ্যমে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকে গচ্ছিত আমানতের গত দুই বছরের মুনাফা কেটে নেওয়ার এবং তার পরিবর্তে মাত্র ৪ শতাংশ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একে আমানতকারীরা ‘হেয়ারকাট’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, এটি চুক্তিভঙ্গ এবং অমানবিক।

সমাবেশ থেকে আমানতকারীরা পাঁচটি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- বিতর্কিত হেয়ারকাট নীতি বাতিল করে চুক্তি অনুযায়ী পূর্ণ মুনাফাসহ আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়া। পাঁচটি ব্যাংকের স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেন দ্রুত চালু করা। তারল্য সংকট নিরসনে সরকারকে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা। মেয়াদোত্তীর্ণ এফডিআর, ডিপিএস ও এমটিডিআরের অর্থ চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করা এবং একতরফাভাবে ঘোষিত হ্রাসকৃত মুনাফার হার প্রত্যাহার করে পূর্বের চুক্তিভিত্তিক হার বহাল রাখা।

আন্দোলনরত আমানতকারীরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, একীভূতকরণের নামে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর অধীনে এখন পাঁচটি ব্যাংকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসংগত। আমানতকারীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই এই হার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ৭৫ লাখ পরিবারের প্রায় তিন কোটি সদস্য মারাত্মক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন।

বিক্ষোভ শেষে বেলা ১২টার দিকে আমানতকারীরা একটি মিছিল নিয়ে কোতোয়ালি মোড় হয়ে নিউ মার্কেট মোড় পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করেন।

আমানতকারীদের প্রতিনিধি দলের একজন জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের দাবির বিষয়ে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করেছি। যতদিন পর্যন্ত এই হেয়ারকাট বাতিল না হবে, ততদিন আমরা আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন চালিয়ে যাব।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বিক্ষোভকারীরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করেছেন। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 1:06 pm
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

চিত্রশিল্পী ও নির্মাতা মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন। সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যকালে তার বয়েস হয়েছিল ৯০ বছর।

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মুস্তাফা মনোয়ার। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। কয়েক দিন আগে তার ভেন্টিলেটর সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবারও ভেন্টিলেটরে নেওয়া হয়।

১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান।

দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখেন মুস্তাফা মনোয়ার। শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 12:56 pm
যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও পানির সংকট নিরসনে জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেকোনো মূল্যে ‘তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানান।

সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তিস্তা অববাহিকার অসংখ্য মানুষের জীবন-জীবিকা নদীটির পানি প্রবাহের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষাকালে তীব্র নদীভাঙনের ফলে এই অঞ্চলের মানুষকে প্রতিবছর বিপুল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

উত্তরাঞ্চলের মানুষের এই দীর্ঘদিনের হাহাকার ও দুর্ভোগের স্থায়ী অবসান ঘটাতেই সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

এর আগে, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সকাল ১০টা ৩১ মিনিটে এ অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।