খুঁজুন
শনিবার, ৩০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান: দলীয় নেতাকর্মীদের প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান: দলীয় নেতাকর্মীদের প্রধানমন্ত্রী

দলের নেতাকর্মীদের দেশের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (৩০ মে) বিকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দুস্থদের মধ্যে বস্ত্র ও শুকনো খাবার বিতরণ শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই কর্মসূচির আয়োজন করেছে দলটি।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আজকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী। আপনারা যারা বহুদিন যাবত দলের সঙ্গে জড়িত আছেন, আপনারা জানেন, শহীদ জিয়ার শাহাদতবরণের পর থেকে আমরা চেষ্টা করি এই দিনটিতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। এই দিনে বিভিন্ন জায়গায় অসহায় মানুষ যারা আছেন, অসুবিধায় যারা আছেন, আমাদের যতটুকু সম্ভব, তাদের জন্য আমরা চেষ্টা করেছি।

তারেক রহমান বলেন, ‘আপনাদের কাছে আমার আহ্বান থাকবে, দলের পক্ষ থেকে শুধু নয়, আপনাদের যাদের পক্ষে সম্ভব, ব্যক্তিগত উদ্যোগেও চেষ্টা করবেন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য, এটাই শহীদ জিয়ার শিক্ষা।’

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আসুন, এটি আমরা শপথ গ্রহণ করি যে, আমাদের যার যার অবস্থান থেকে আমরা চেষ্টা করব, যাতে সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষের জন্য আমরা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে পারি। আজকের এই দিনে এটিই হোক আমাদের প্রত্যাশা, এটিই হোক আমাদের সাফল্য।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, উত্তরের আহ্বায়ক ও প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, উত্তরের প্রশাসক শফিকুল আলম মিল্টন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এদিন ঢাকার ১৭টি স্পটে বস্ত্র ও শুকনো খাবার বিতরণে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সকালে শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের টিঅ্যান্ডটি কলেজ মাঠে তার এ কর্মসূচি শুরু হয়। বিভিন্ন স্পট ঘুরে নয়াপল্টনে আসার আগে খিলগাঁওয়ের জোড় পুকুর মাঠে বস্ত্র ও শুকনো খাবার বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

Feb2

দেশকে গড়ে তুলতে প্রত্যেককে সচেতন হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
দেশকে গড়ে তুলতে প্রত্যেককে সচেতন হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশ কারও একার না। দেশ যেমন কোনো সরকারের একার না, যেমন কোনো রাজনৈতিক দলের একার না, কোনো পরিবার বা কোনো ব্যক্তির একার না। দেশটি হচ্ছে লাখো-কোটি মানুষের, প্রত্যেকের। তাই এই দেশকে গড়ে তুলতে আমাদের প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে।

শনিবার (৩০ মে) বিকেলে রাজধানীর জুরাইনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

এলাকার মানুষকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনি যদি এই এলাকার মানুষ হয়ে থাকেন, আপনি চেষ্টা করবেন আবর্জনা যেখানে-সেখানে না ফেলার জন্য। আবর্জনা সঠিকভাবে ফেলার জন্য। কারণ আজকে যদি মনে করেন, আপনি যে আবর্জনাটা এখানে ফেলেন, এইটুকু আবর্জনা, এক কেজি, আধা কেজি আবর্জনা বা দুই কেজি আবর্জনা– কী হবে? কিন্তু আপনি চিন্তা করেন, এখানে যতগুলো মানুষ, এখানে কয়েক হাজার মানুষ আমরা জড়ো হয়েছি। প্রত্যেকে যদি ১ কেজি করে ময়লা একটা জায়গায় ফেলে, তাহলে কত কেজি ময়লা হবে? না হলে ১০ হাজার কেজি ময়লা হয়ে যাবে। মানে ১০ টন ময়লা।

তিনি বলেন, তাহলে পরিচ্ছন্নতা কর্মী তারাও তো মানুষ। তারা হয়ত গরিব মানুষ। তাদেরও পরিষ্কার করতে কষ্ট হয়। কিন্তু আমরা সবাই মিলে যদি চেষ্টা করি, তাহলে আপনি নিজের শহরকে যেমন পরিষ্কার রাখতে পারবেন, সেই পরিচ্ছন্নতা কর্মীও অল্পতেই জায়গাটাকে পরিষ্কার করে ফেলতে পারবে। ঠিক একইভাবে তারও কষ্ট কম হবে। আপনার সন্তানরা, আপনি নিজে, আপনার বাবা-মা, পরিবারের সদস্যরাও একটি পরিষ্কার ও সুন্দর পরিবেশের মধ্যে থাকতে পারবেন।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, কমবেশি সবাই তো এই ঢাকা শহরেই বাস করেন। এই এলাকায় বাস করেন, তাই না? এখন চিন্তা করেন, এলাকা যদি পরিষ্কার থাকে, তাহলে তো আপনার নিজের কাছেই ভালো লাগবে। ভালো লাগবে না? টিভির পর্দায় যখন অন্যান্য দেশের ছবি দেখেন, সুন্দর রাস্তাঘাট দেখেন, পরিষ্কার রাস্তাঘাট দেখেন, তখন একটু হিংসা হয় না মনের মধ্যে? যে, আমাদের রাস্তাঘাট কেন এত ময়লা হয়? আমার তো হয় ভাই। আমার কিন্তু হিংসা হয় যে, ওই দেশের রাস্তাঘাট এত পরিষ্কার। আমার দেশের রাস্তাঘাট কেন পরিষ্কার না? এখন ওই দেশের যে রাস্তাঘাট পরিষ্কার, এটা তো বাইরে থেকে কেউ এসে করে দিয়ে যায় না। যে দেশের রাস্তাঘাট পরিষ্কার, সে দেশের সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা যেমন পরিষ্কার করে, একইভাবে সে দেশের জনগণও কিন্তু যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলে না। এখন আপনি সরকারের কেউ না।

এই কাজটি করার জন্য কিন্তু সরকারের কেউ হওয়ার দরকার নেই। এমপি হওয়ার দরকার নেই। মন্ত্রী হওয়ার দরকার নেই। মেয়র হওয়ার দরকার নেই। ওয়ার্ড কমিশনার হওয়ার দরকার নেই। একজন নাগরিক হিসেবে আপনি এই কাজটি করতে পারেন। ময়লাটা আপনার পকেটে নিয়ে নেন। যদি টিস্যু পেপার থাকে, কিছু থাকে, ময়লা নেন। বাদাম খাবেন, তখন বাদামের খোসাটা এমনভাবে এক জায়গায় ফেলেন, যাতে জায়গাটা ময়লা না হয়।

সবাইকে দেশ গঠনে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
তিনি বলেন, কোনো পরিষ্কার জায়গায় ময়লা করলে বা আপনার শার্টের মধ্যে যদি একটা দাগ থাকে, হঠাৎ চা পড়ে গেল, খাবার পড়ে গেল, নিজের কাছে খারাপ লাগবে না? ময়লা শার্ট পরে থাকতে ইচ্ছা করবে? তাহলে চিন্তা করেন, আপনি যে জায়গাটায় বসবাস করেন, সেই জায়গাটা যদি ময়লা হয়, আপনার থাকতে ইচ্ছা করবে? কাজেই আসুন, আমরা যদি সবাই মিলে চেষ্টা করি, তাহলে ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের দেশটাকে সুন্দরভাবে গুছিয়ে তুলতে পারবো।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশটি কারও একার না। দেশটি যেমন কোনো সরকারের একার না, দেশটি যেমন কোনো রাজনৈতিক দলের একার না, দেশটি কোনো পরিবার বা কোনো ব্যক্তির একার না। দেশটি হচ্ছে লাখো-কোটি মানুষের, আমরা যারা বাংলাদেশে বসবাসকারী ২০ কোটি মানুষ, প্রত্যেকের। প্রত্যেকেই এই দেশের মালিক। তাই এই দেশকে যদি গড়ে তুলতে হয়, তাহলে আমাদের প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে।

দেশ গঠনে ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কাজে লাগানোর আহ্বান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ
দেশ গঠনে ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কাজে লাগানোর আহ্বান

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সবাই নিজ নিজ যোগ্যতা অনুযায়ী দেশ গঠনের কাজে থাকতে হবে। তিনি বলেন, দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে আমরা যদি শ্রমিকের হাতে রূপান্তরিত করি, তাহলে আমরা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হবো। দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব হবে। যে দেশটি নিয়ে আমরা গৌরব করতে পারি, এই রকম একটি দেশ ইনশাআল্লাহ আমরা গঠন করতে সক্ষম হবো।

শনিবার (৩০ মে) দুপুরে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আল্লাহ আমাদের দেশের মানুষ ও দেশ গঠনের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি ১২ তারিখ নির্বাচনের আগে যখন এখানে এক নির্বাচনী জনসভায় এসেছিলাম, তখন আমি বলেছিলাম সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়ে আমরা দেশ গঠনের কাজে নিজেদেরকে নিয়োজিত করবো। সেই সুযোগ আমাদের কাছে এসেছে।

তিনি বলেন, বিএনপির সব ক্ষমতার উৎস হচ্ছে জনগণ। কাজেই সেই জনগণের সহযোগিতা যদি আমাদের সঙ্গে থাকে, সেই জনগণের সাহায্য যদি আমাদের সঙ্গে থাকে, সেই জনগণের সমর্থন যদি আমাদের সঙ্গে থাকে, ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ধীরে ধীরে বাংলাদেশের মানুষের এবং এই দেশের ভাগ্যের উন্নয়ন করতে সক্ষম হবে।

সবাইকে দেশ গঠনে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ণ
সবাইকে দেশ গঠনে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নিজ নিজ অবস্থানে থেকে সবাইকে দেশ গঠনের কাজে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শনিবার (৩০ মে) দুপুরে রাজধানীর ইসিবি চত্বরে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আয়োজিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত দুস্থদের মধ্যে কাপড় ও খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেহেতু আজকের এই অনুষ্ঠান রাস্তার মধ্যে আয়োজন করা হয়েছে, দেখুন কত গাড়ি চলে সমস্যা হয়ে যাচ্ছে। মানুষের কষ্ট হচ্ছে। সেজন্য আমরা প্রোগ্রামটি একটু সংক্ষিপ্ত করেছি।

তিনি বলেন, আমরা অঙ্গীকার করি সমাজের সবাইকে বিভিন্নভাবে একে অপরের সাহায্য সহযোগিতা করবো। একজন নাগরিক হিসেবে যদি সবাই সবার নিজ নিজ অবস্থান থেকে একে অপরের প্রতি সহযোগিতা করি, তাহলেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের এই মৃত্যুবার্ষিকীতে তার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন আমরা আজকে সেই কাজটি করি। আমরা প্রত্যেকে যার যার অবস্থান থেকে চেষ্টা করি যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দেশ গঠনে কাজ করছে তাদেরকে সহযোগিতা করব। তাদের সাহায্য করবো একজন নাগরিক হিসেবে।

তিনি বলেন, আজকে আর কথা বলাবো না। কারণ আমরা আজকের এই অনুষ্ঠানটির কারণে মানুষের চলাচলের সমস্যা হচ্ছে। ইনশাআল্লাহ সাংগঠনিক কার্যক্রমের বিষয়ে আরেকদিন সভা সমাবেশ করব। সেদিন আমরা বসে ভালো করে সংগঠনকে কীভাবে আরো শক্তিশালী করা যায়, সেগুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা করব।