খুঁজুন
, ,

অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান: দলীয় নেতাকর্মীদের প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 30 May, 2026, 10:57 pm
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান: দলীয় নেতাকর্মীদের প্রধানমন্ত্রী

দলের নেতাকর্মীদের দেশের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (৩০ মে) বিকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দুস্থদের মধ্যে বস্ত্র ও শুকনো খাবার বিতরণ শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই কর্মসূচির আয়োজন করেছে দলটি।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আজকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী। আপনারা যারা বহুদিন যাবত দলের সঙ্গে জড়িত আছেন, আপনারা জানেন, শহীদ জিয়ার শাহাদতবরণের পর থেকে আমরা চেষ্টা করি এই দিনটিতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। এই দিনে বিভিন্ন জায়গায় অসহায় মানুষ যারা আছেন, অসুবিধায় যারা আছেন, আমাদের যতটুকু সম্ভব, তাদের জন্য আমরা চেষ্টা করেছি।

তারেক রহমান বলেন, ‘আপনাদের কাছে আমার আহ্বান থাকবে, দলের পক্ষ থেকে শুধু নয়, আপনাদের যাদের পক্ষে সম্ভব, ব্যক্তিগত উদ্যোগেও চেষ্টা করবেন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য, এটাই শহীদ জিয়ার শিক্ষা।’

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আসুন, এটি আমরা শপথ গ্রহণ করি যে, আমাদের যার যার অবস্থান থেকে আমরা চেষ্টা করব, যাতে সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষের জন্য আমরা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে পারি। আজকের এই দিনে এটিই হোক আমাদের প্রত্যাশা, এটিই হোক আমাদের সাফল্য।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, উত্তরের আহ্বায়ক ও প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, উত্তরের প্রশাসক শফিকুল আলম মিল্টন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এদিন ঢাকার ১৭টি স্পটে বস্ত্র ও শুকনো খাবার বিতরণে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সকালে শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের টিঅ্যান্ডটি কলেজ মাঠে তার এ কর্মসূচি শুরু হয়। বিভিন্ন স্পট ঘুরে নয়াপল্টনে আসার আগে খিলগাঁওয়ের জোড় পুকুর মাঠে বস্ত্র ও শুকনো খাবার বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

Feb2
Feb2

অনিয়ম ও দুর্নীতির রাজা ফরেস্টর সোহেল রানা, বন খেয়ে কোটিপতি অবৈধ টাকার গরমে বেপরোয়া আচরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 14 July, 2026, 10:56 pm
অনিয়ম ও দুর্নীতির রাজা ফরেস্টর সোহেল রানা, বন খেয়ে কোটিপতি অবৈধ টাকার গরমে বেপরোয়া আচরণ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:: ফরেস্টার সোহেল রানার বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সুফল বাগান সৃজনের বরাদ্দকৃত টাকা আত্মসাৎ, বন বিভাগের জায়গা দখল বিক্রি, বন বিভাগের জায়গায় বসবাসরত লোকজনকে দালান নির্মাণের মৌখিক অনুমতি ও বনের মূল্যবান গাছ বিক্রি সহ নানা অভিযোগ সোহেল রানার বিরুদ্ধে।

অনুসন্ধানে জানাযায়, ২০২০ সালে সোহেল রানার চাকরি হয় বন বিভাগে। চাকরির শুরুতে তার পোস্টিং হয় কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের হোয়াইকং রেঞ্জের অধিনে শাফলাপুর বিটে।

শাফলাপুর বিটে কর্মরত থাকাকালে ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ১০০ হেক্টর সুফল বাগান সৃজন ও পরিচর্যার জন্য বরাদ্দকৃত টাকা মেরেই সোহেল রানা বনেছে কোটিপতি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শাফলাপুর বিটে কর্মরত একজন ফরেস্ট গার্ড বলেন, সোহেল রানা শাফলাপুর বিটে সুফল বাগানের টাকা মেরেছে-তো মেরেছে সাথে উজাড় করেছে বনের গাছও।

‎টাকা থাকলে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের ম্যানেজ করা কোন ব্যাপার না। এমন বেপরোয়া ও দাম্ভিকতাপূর্ণ আচরণ ছিলো সোহেল রানার।

পরে তার বদলি হয় একই রেঞ্জের অধিনে পানের ছড়া বিটে। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে পানের ছড়া বিটের অধিনে সৃজিত ১০০ হেক্টর বাগানের খালি স্থান পূরণ ও আগাছা পরিষ্কার করার জন্য বরাদ্দকৃত বিপুল অর্থও মেরে দেয় সোহেল রানা। এছাড়া পানের ছড়া বিটের অধিনে সরকারি বনায়নের কোটি টাকার গাছ বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে।

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের অপর এক সুত্রে জানা গেছে, সোহেল রানা শাফলাপুর বিট ও পানের ছড়া বিটে শতাধিক অবৈধ দখলদারদের মৌখিক ভাবে বৈধতা দিয়ে কোটি টাকা আয় করেছে।

‎সুত্র দাবি করেন, সোহেল রানা বর্তমানে কোটি টাকার মালিক। ব্যবহার করেন দেড় লক্ষাধিক টাকার আই ফোন। তার এহেন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে কেউ কথা বললেই সোহেল রানার সেই দাম্ভিক আচরণ টাকা দিলে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের ম্যানেজ করা কোন ব্যাপার না।

সোহেল রানার বেপরোয়া অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে বেশ কিছু পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে চতুর সোহেল মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বদলি হয়ে আসেন চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের ধুম ঘাট স্টেশনে। ১২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে সোহেল রানার এই বদলি ও পোস্টিং বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন অফিস জুড়ে। গত দেড় মাস আগে ধুম ঘাট স্টেশনে যোগদান করে একই কর্মকান্ড শুরু করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

‎সচেতন মহল মনে করেন, এই সোহেলকে থামানো দরকার। তাঁদের প্রশ্ন সোহেলকে থামাবে কে ?

এই বিষয়ে সোহেল রানার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এই গুলোর সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই সব আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

২য় পর্বে চোখ রাখুন…

জলাবদ্ধতার কারণ চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধানে কাজ করছে চসিক: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 14 July, 2026, 8:43 pm
জলাবদ্ধতার কারণ চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধানে কাজ করছে চসিক: মেয়র

নগরীতে সাম্প্রতিক রেকর্ড বৃষ্টিপাতের ফলে নগরীর যেসব এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে, সেসব স্থানের জলাবদ্ধতার প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধানে কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।

এজন্য নগরীর জলাবদ্ধতা প্রবণ এলাকাগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে সমস্যা নিরূপণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

মঙ্গলবার আগ্রাবাদ চৌমুহনীস্থ চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কার্যালয় এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় সাম্প্রতিক রেকর্ড বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির কারণ অনুসন্ধানে চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে পরিদর্শন করেন মেয়র।

এসময় চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এবং প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানকে এই এলাকার জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে নিরসনে করণীয় নির্ধারণ করে দ্রুত কাজ শুরু করার নির্দেশ দেন মেয়র।

মেয়র বলেন, গত সাত দিনের রেকর্ড বৃষ্টিতে নগরীর যেসব এলাকায় পানি জমেছে, সেসব স্থান আমরা একে একে আইডেন্টিফাই করছি। সরেজমিনে গিয়ে কোথায় কেন পানি উঠছে, তার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। শুধুমাত্র পানি নিষ্কাশন নয়, জলাবদ্ধতার মূল কারণ চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন এলাকা এবং আশপাশের ২৩ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে পানি জমার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে আমরা জেনেছি স্থানীয় বিভিন্ন খাল, নালা ও ছড়ায় বর্জ্য জমে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ায় এসব এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এসব স্থানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, পরিদর্শনে দেখা গেছে আশপাশের বিভিন্ন গাড়ির শোরুম, টিভি ফ্রিজসহ বিভিন্ন পণ্যের শোরুম থেকে ব্যবহৃত ফোম শিট, ককশিট, পলিথিন ও অন্যান্য বর্জ্য যেখানে সেখানে ফেলে দেওয়ার কারণে ড্রেন ও নালাগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে সামান্য সময়ের মধ্যেই বৃষ্টির পানি জমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা যদি নিজেদের বর্জ্য যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা না করেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে জেল জরিমানাসহ প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নগরীর স্বার্থে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে এবং পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় সচেতন হতে হবে।

মেয়র আরও বলেন, নাগরিকদের সহযোগিতা ছাড়া জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। তাই সবাইকে ড্রেন, নালা ও খালে কোনো ধরনের বর্জ্য না ফেলার আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি জানান, দেওয়ানহাট আগ্রাবাদ এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে নাসির খাল ছড়া এবং লালমিয়া খাল ছড়াসহ গুরুত্বপূর্ণ জলপ্রবাহগুলো দ্রুত পরিষ্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব খাল ও ছড়ার স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা গেলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তারা, সাবেক কাউন্সিলর নিয়াজ মোহাম্মদ খান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় রাজনীতিবিদরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 14 July, 2026, 4:10 pm
উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

দেশের তরুণ উদ্যোক্তা ও সম্ভাবনাময় স্টার্টআপগুলোর জন্য সরকার সবসময় পাশে থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, নতুন কিছু করার পথ সহজ নয়, তবে সরকার সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করবে। যাতে তারা নিজেদের উদ্যোগের মাধ্যমে দেশ ও মানুষের কল্যাণে অবদান রাখতে পারেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আলী চৌধুরী সিনেট হলে আয়োজিত ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা যারা এখানে নতুন উদ্যোক্তা বা সম্ভাব্য উদ্যোক্তা রয়েছেন, যারা এগিয়ে আসতে চাচ্ছেন, যারা কিছু করতে চাচ্ছেন আপনাদের শুধু একটা কথা বলি—আপনারা যেটা করতে চাইছেন, এটা খুব সহজ কাজ নয়, খুবই কঠিন। কিন্তু আপনি পারবেন যদি আপনার ইচ্ছা থাকে।

তিনি বলেন, উদ্যোক্তাদের অনেক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে।

তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে সরকারের অবস্থান থেকে আমি বলতে পারি, আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে, আপনাদের হেল্প করার জন্য, পথ দেখানোর জন্য। আপনাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা আছি। কতটুকু পারবো আমি জানি না, কিন্তু আমরা আছি, যতটুকু পারবো সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ।

তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা শুধু নিজেদের জন্য নয়, দেশের লাখো-কোটি মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাদের উদ্ভাবন, উদ্যোগ ও সৃজনশীলতা বাংলাদেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, আপনারা আজকে যারা উদ্যোক্তা হবেন, যারা হতে চাইছেন, যারা হয়ে গিয়েছেন এবং এগিয়ে গিয়ে যারা মানুষ, সমাজ ও সামগ্রিকভাবে দেশের উপকার করছেন, আপনাদের প্রয়োজন। নিজের জন্য আপনাদের প্রয়োজন না, আপনাদের প্রয়োজন লাখো-কোটি মানুষের জন্য, আপনাদের প্রয়োজন এই দেশের জন্য।

বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী নিজের জীবনের সংগ্রামের কথাও তুলে ধরে বলেন, দীর্ঘ সময় মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, অপমান এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে তাকে এগিয়ে আসতে হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি তরুণদের কঠিন সময়েও হাল না ছাড়ার আহ্বান জানান।

দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, সম্প্রতি বিভিন্ন উদ্ভাবনী আয়োজন, স্কুলশিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের কাজ দেখে তার আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, আগামী প্রজন্ম বাংলাদেশের নেতৃত্ব নিয়ে দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।