খুঁজুন
, ,

পিআরইউ উদ্যোগে সংবাদপত্রের হকারদের মাঝে উপহার সামগ্রী প্রদান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 16 July, 2026, 6:48 pm
পিআরইউ উদ্যোগে সংবাদপত্রের হকারদের মাঝে উপহার সামগ্রী প্রদান

জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি-পিআরইউ উদ্যোগে সংবাদপত্রের হকারদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পিআরইউ’র অস্থায়ী কার্যালয়ে সংগঠনের আহবায়ক হাসান মুকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সম্মানী সম্পাদক প্রকৌশলী খাঁন মোহাম্মদ আমিনুর রহমান সুমন।

পিআরইউ সদস্য সচিব ইমরান এমি’র পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) চট্টগ্রাম কেন্দ্রের ভাইস চেয়ারম্যান প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন ও আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সেক্রেটারি (ইঞ্জিনিয়ারস রিক্রেশন সেন্টার) প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন।

এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, পেশাজীবী ও সাংবাদিকদের পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আগামী দিনগুলোতেও চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও পেশাগত স্বার্থে দুই সংগঠন একসঙ্গে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

পিআরইউ আহবায়ক হাসান মুকুল বলেন, আমরা চাই, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং সরকার সবাই সম্মিলিতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াক। সাংবাদিক সমাজ সবসময় মানুষের কথা বলে, মানুষের পাশে থাকে এবং ভবিষ্যতেও এই মানবিক দায়িত্ব পালন করে যাবে। সংবাদপত্রের হকাররা সাংবাদিকদের পরিবারের অংশ, তাদের পাশে যে কোনো সময় আমরা থাকবো।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিআরইউ আহবায়ক কমিটির সদস্য দৈনিক শেয়ার বীজের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান নূর হোসেন মামুন, ঢাকা জার্নালের ব্যুরো প্রধান রাকিব উদ্দিন, মঞ্জুর মোরশেদ রনী, জহিরুল ইসলাম জহির, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জসিম উদ্দিন চৌধুরী, সাজ্জাদ হোসেন খান, আবু তাহের, কাজী সাকলায়েন মোস্তফা, মো: সরোয়ার প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষে পিআরইউ সদস্য জহিরুল ইসলাম জহিরের লেখা ‘অনন্য রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক বই নেতৃবৃন্দকে উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়।

Feb2
Feb2

প্রশংসায় ভাসলেন যুব স্বেচ্ছাসেবকরা: দুর্যোগে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্ট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 16 July, 2026, 7:17 pm
প্রশংসায় ভাসলেন যুব স্বেচ্ছাসেবকরা: দুর্যোগে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্ট

চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণের কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে উপহার বিতরণ উদ্বোধন এবং চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্টের সঙ্গে মতবিনিময় সভা নগরীর টাইগারপাসস্থ সিটি কর্পোরেশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্টের চেয়ারম্যান ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. আব্দুস সালাম।

সভার সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্টের চেয়ারম্যান, যুব সদস্যদের কার্যক্রমে প্রশংসা করেন সাথে সাথে ২০০৭ এ চট্টগ্রামে সৃষ্ট চরম ভূমিধ্বসে চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্টের ভূমিকার পুনরাবৃত্তি, সাথে সাথে ভবিষ্যতে কোনো প্রকার দুর্যোগে চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্ট যেকোনো স্থান, যেকোনো সময়ে প্রস্তুত এই আশাবাদ ও ব্যক্ত করেন।

প্রধান অতিথি ব্যারিস্টার এম এ সালাম তাঁর বক্তব্যে বলেন, দুর্যোগের পূর্বে, দুর্যোগ চলাকালীন এবং দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্টের ভূমিকা সর্বোপরি প্রশংসনীয়। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সর্বদা সকল স্তরের মানুষের পাশে থেকে মানবিক সহযোগিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, যা ভবিষ্যতে আরও সুপ্রসারিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম সিটি যুব রেড ক্রিসেন্টের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং এই ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, চট্টগ্রাম সিটি ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান ও এশিয়ান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. এ. সালামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. মো. রফিকুল কবির, ব্যবস্থাপনা পর্ষদ সদস্য ডা. মো. সহিদুর রহমান, ফারুক উদ্দিন ভূঁইয়া, রফিকুল ইসলাম সিকদার, ডা. জামিল আহমেদ এবং কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্টের সেক্রেটারি গোলাম বাকি মাসুদ, কার্যকরী পর্ষদ সদস্য জিয়াউল হক সোহেল, মেহেদী হাসান রায়হান, মোহাম্মদ এনামুল হক, চট্টগ্রাম সিটি যুব রেড ক্রিসেন্টের যুব প্রধান দীপ্ত ভট্টাচার্য্যসহ যুব স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ।

৪৫ বছর পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী আটক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 16 July, 2026, 4:00 pm
৪৫ বছর পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী আটক

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত ও দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে পলাতক থাকা অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. মোজাফফর হোসেনকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরে তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তাকে আটকের পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) জানিয়েছে, দীর্ঘ ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর তাকে আটক করা হয়েছে। পরে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানানো হয়নি।

আটকের স্থান, অভিযান পরিচালনার প্রেক্ষাপট এবং পরবর্তী আইনি কার্যক্রম সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হলে তা পরে প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

মন্ত্রিসভায় রদবদলের গুঞ্জন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে আসতে পারে নতুন মুখ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 16 July, 2026, 3:46 pm
মন্ত্রিসভায় রদবদলের গুঞ্জন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে আসতে পারে নতুন মুখ

৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা নিয়ে যাত্রা করা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারে বড় ধরনের রদবদলের গুঞ্জন উঠেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সড়ক পরিবহন ও কৃষিসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে আসতে পারে নতুন মুখ। একই সঙ্গে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানো নিয়েও আলোচনা চলছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে।

এর আগে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ৪৬ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। পরে ধাপে ধাপে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬০ জনে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, তারেক রহমান সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যাও সময়ের সঙ্গে ধীরে ধীরে বাড়তে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘এটি কোনো বিচিত্র ব্যাপার নয়, বরং অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়। সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আসাটাই নিয়ম। তবে তার মানে এই নয় যে, এটি এখনই হবে কিংবা নির্দিষ্ট কোনো সময়েই হতে হবে। এগুলো নিয়ে কথা বলার একমাত্র এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর। তিনি যখন উপযুক্ত বিবেচনা করবেন, তখনই কাউকে নতুন দায়িত্ব দিতে পারেন কিংবা কারও দায়িত্ব পরিবর্তন করতে পারেন।’

রাজনৈতিক সূত্র বলছে, সম্ভাব্য এই রদবদলে বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ নেতা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টামণ্ডলীতে যুক্ত হতে পারেন।

আলোচনার কেন্দ্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

চলমান আলোচনায় সবচেয়ে বড় ফোকাস শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘিরে। দুর্যোগকালীন পরীক্ষা গ্রহণ নিয়ে নেওয়া কয়েকটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ও বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বিব্রত বলে জানা গেছে।

এ কারণে বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে অন্য মন্ত্রণালয়ে সরিয়ে শিক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহাদী আমিনকে। তরুণ ও উচ্চশিক্ষিত নেতৃত্বের মাধ্যমে শিক্ষা খাতের সংস্কার আরও গতিশীল করতেই এমন চিন্তাভাবনা।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়েও পরিবর্তনের ইঙ্গিত

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়েও রদবদলের হাওয়া লাগতে পারে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, স্বাস্থ্যসংক্রান্ত বিভিন্ন সেমিনার ও সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের ‘অতিকথনে’ প্রধানমন্ত্রী রীতিমতো ক্ষুব্ধ।

নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সম্প্রতি আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স স্থগিতের পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনের লোকজন লাইসেন্স বাঁচাতে কোটি টাকা নিয়ে তার পেছনে ঘুরেছে। পরে ওই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি মন্ত্রীর অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন উল্লেখ করে ওই বক্তব্যের প্রমাণ তুলে ধরার দাবি জানান।

এ ছাড়া কয়েকদিন আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজের এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে তাকে মূল বিষয়ের বাইরে কথা বলতে নিষেধ করেন প্রধানমন্ত্রী। সব মিলিয়ে তাকে অন্য মন্ত্রণালয়ে সরিয়ে দেওয়ার জোরালো গুঞ্জন রয়েছে। সে ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী করা হতে পারে। স্বাস্থ্য খাতে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার বিষয়টি এক্ষেত্রে বিবেচনায় আসতে পারে।

রদবদলের পর মন্ত্রিসভায় নতুন করে কয়েকজন অভিজ্ঞ পার্লামেন্টেরিয়ান, পোড় খাওয়া রাজনীতিক এবং দুই-একজন তরুণ মুখ দেখা যেতে পারে। কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে প্রশাসনিক দুর্বলতা ও কাজের ধীরগতি ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে। দ্রুত এটি কাটিয়ে উঠতে চায় সরকার।

এর অংশ হিসেবে তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা এক মন্ত্রী এবং দুই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা আরেক মন্ত্রীর বিতর্কিত বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের কারণে তাদের দপ্তর কমানোর আলোচনা চলছে।

গুঞ্জন রয়েছে, তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ওই মন্ত্রীর একটি মন্ত্রণালয় সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে দেওয়া হতে পারে। তিন মন্ত্রীর দায়িত্ব কমার পাশাপাশি একজন প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বদলাতে পারে।

নোয়াখালী অঞ্চল থেকে একজন প্রবীণ নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ছয়বারের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুকের নাম আলোচনায় রয়েছে। সংসদীয় রাজনীতিতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর দেওয়া হতে পারে।

মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে পারেন যারা

মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ হিসেবে বেশকিছু নাম শোনা যাচ্ছে। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, এ বি এম মোশাররফ হোসেন, আব্দুস সালাম আজাদ, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, খন্দকার আবু আশফাক, নজরুল ইসলাম আজাদ ও মো. মজিবুর রহমানের নাম আলোচনায় রয়েছে।

টেকনোক্র্যাট কোটায় আলোচনায় আছেন অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, শামসুজ্জামান দুদু, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও হাবিব উন নবী খান সোহেল।

মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণে জোটের শরিক দলগুলো থেকেও কয়েকজনের নাম আলোচনায় আছে। এর মধ্যে রয়েছেন আন্দালিব রহমান পার্থসহ কয়েকজন সিনিয়র নেতা। বিভিন্ন সময়ে রাজপথে সক্রিয় থাকা কয়েকজনকেও দেখা যেতে পারে নতুন মন্ত্রিসভায়। তবে চূড়ান্ত তালিকায় কারা থাকছেন, তা জানতে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

রদবদলের গুঞ্জন নিয়ে যা বলছেন মন্ত্রী ও নেতারা

নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কবে নাগাদ আসবে এটি একমাত্র প্রধানমন্ত্রী বলতে পারেন।’

বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘কী হবে তা আমরা জানি না। ফেসবুকে দেখা যাচ্ছে অনেকে মন্ত্রী হবেন, রদবদল হবে।’

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘পরিবর্তন হতে পারে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী ভালো বলতে পারবেন। যদি পরিবর্তন হয়, তবে দেশ ও জনগণের স্বার্থে কাকে মন্ত্রিপরিষদে যুক্ত করা যায়, তা তিনিই ভালো বোঝেন।’

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, ‘বিষয়টি আমার নলেজে নেই।’

সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরকারের উন্নয়ন এজেন্ডা দ্রুত বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এই সম্ভাব্য রদবদলের ছক সাজানো হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।