খুঁজুন
, ,

খানাখন্দে বিপর্যস্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, সাত মাসে প্রাণ গেল ৩৭ জনের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2026, 10:37 am
খানাখন্দে বিপর্যস্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, সাত মাসে প্রাণ গেল ৩৭ জনের

দেশের অর্থনীতির লাইফলাইন খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী অংশের ২৭ কিলোমিটার এখন যেন খানাখন্দ আর দুর্ঘটনার করিডোর। টানা বৃষ্টিতে কোথাও উঠে গেছে কার্পেটিং, কোথাও গর্তে জমে আছে পানি। ফলে প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো মানুষ, ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা, ঝরছে প্রাণও। সড়ক ও জনপথ বিভাগ সংস্কারকাজ চলমান থাকার কথা বললেও মহাসড়কের এমন বেহাল চিত্রই ফুটে উঠেছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখা গেছে, মহাসড়কের ফেনীর নতুন সমিতি বাজার থেকে মুহুরীগঞ্জ, কসকা থেকে লেমুয়া সেতু এবং লেমুয়া সেতু থেকে লালপোল পর্যন্ত রাস্তা জুড়ে এখনো রয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ।

বৃষ্টির পানিতে গর্তগুলো ডুবে থাকায় হিমশিম খেতে হচ্ছে চালকদের। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও ছোট যানবাহনের চালকরা সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রয়েছেন। গর্ত এড়াতে গিয়ে অনেক চালক হঠাৎ দিক পরিবর্তন করছেন, এতে দ্রুতগতির যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষের শঙ্কা বেড়েছে। মহাসড়ক সংস্কারে মুহুরী সেতু থেকে কসকা পর্যন্ত কয়েকটি স্থানে ইট ও কার্পেটিং করেছে সড়ক বিভাগ। কিন্তু ভরাট করা অংশগুলো সমতল না হওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়েছে।

মহাসড়কে চলাচলকারী বেশ কয়েকটি পরিবহনের চালকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দিয়ে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করায় প্রায়ই যানজট তৈরি হচ্ছে। এতে যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলে সময় লাগছে বেশি। পাশাপাশি বাড়ছে জ্বালানি ব্যয়, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যানবাহনের যন্ত্রাংশ। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স, নারী, শিশু ও দূরপাল্লার যাত্রীরা।

চালক ও যাত্রীদের অভিযোগ, প্রতিবছর বর্ষা এলেই বিশেষ করে ঢাকামুখী লেনের বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ে। এরপর সাময়িক মেরামত করা হলেও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ দেখা যায় না। ফলে বছর ঘুরে আবারও একই দুর্ভোগে পড়তে হয়।

সরেজমিনে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখা গেছে, সংস্কারে সড়ক বিভাগের কাজের গতি ধীর। সড়ক সংস্কারে কোথাও ইট ও কার্পেটিং করে সাময়িকভাবে গর্ত ভরাট করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় নগণ্য।

রেজাউল করিম নামে এক বাসচালক বলেন, বারৈয়ারহাট থেকে মহিপাল পর্যন্ত আসতে এখন স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক বেশি সময় লাগে। খানাখন্দের কারণে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়। সাবধানে না চালালে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেক বেশি।

সায়েম চৌধুরী নামে এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, সড়কে দুই-একটা গর্ত হলে সমস্যা ছিল না। মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনজুড়েই ছোট-বড় গর্ত। অনেক জায়গায় পানি জমে থাকায় বোঝাই যায় না। মোটরসাইকেল চালকদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে সড়কটি।

এ প্রসঙ্গে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ফেনী জেলা কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান দারা বলেন, সড়কে চলাচলরত গাড়ি চালকদের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার অভাবে দুর্ঘটনা বাড়ছে। এছাড়া ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও গাড়িতে অতিরিক্ত পণ্য পরিবহনের কারণে মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি বলেন, ফেনীর আয়তনের তুলনায় সড়কে যানবাহনের সংখ্যা অনেক বেশি। সাম্প্রতিক সময়ে সড়কে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানোর কারণে দুর্ঘটনা বাড়ছে। মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশের যথাযথ নজরদারি থাকলে দুর্ঘটনা কমিয়ে আনা সম্ভব হত।

সাত মাসে মহাসড়কে ঝরল ৩৭ প্রাণ

হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী অংশে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী, পুরুষ, শিশু ও বিভিন্ন বয়সী মানুষ রয়েছেন। এই পরিসংখ্যান কেবল পুলিশের। এর বাইরেও দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। গত সাত মাসে মহাসড়কের সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫টি মামলা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেপরোয়া গতিতে যানবাহন চালানো, সার্ভিস লেনের অভাব, চালকদের অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা এবং বর্ষাকালে মহাসড়কে খানাখন্দ সৃষ্টি-এসব কারণে দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ছে।

ফাজিলপুর হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত মহাসড়কের ফাজিলপুর অংশে দুর্ঘটনায় ১১টি মামলা হয়েছে। দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৯ জন এবং আহত হয়েছেন আরও ৭ জন।

মহিপাল হাইওয়ে পুলিশের তথ্যমতে, একই সময়ে তাদের আওতাধীন অংশে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৪টি মামলা হয়েছে। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৮ জন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ফাজিলপুর হাইওয়ে থানার ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম বলেন, বেপরোয়া গতি ও সার্ভিস লেন না থাকাই দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ। সার্ভিস লেন থাকলে ছোট যানবাহনগুলো আলাদা পথে চলাচল করতে পারত। এছাড়া বৃষ্টিতে মহাসড়কে খানাখন্দ সৃষ্টি হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায় এবং যানজটও তৈরি হয়।

মহিপাল হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আছাদুল ইসলাম বলেন, বেশিরভাগ দুর্ঘটনাই বেপরোয়া গতির কারণে ঘটে। পাশাপাশি অনেক চালক একদিনে শারীরিক সক্ষমতার চেয়ে বেশি সময় গাড়ি চালান। দীর্ঘসময় গাড়ি চালানোর ফলে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন।

তিনি বলেন, মহিপাল হাইওয়ে এলাকার যেসব স্থানে বর্ষায় খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছিল, সেগুলোর বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগকে জানানো হয়। পরে সড়ক ও জনপথ বিভাগ দ্রুত সংস্কারকাজ সম্পন্ন করে। এতে ওই অংশে দুর্ঘটনার শঙ্কা এখন অনেকটাই কমেছে।

যা বলছে সড়ক বিভাগ

সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়ক সংস্কারের কাজ চলমান রয়েছে। বৃষ্টি না হলে আগামী দুই দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে সংস্কারকাজের ধীরগতি এবং টেকসই সমাধানের অভাবে প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে হাজারো যানবাহনকে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সড়ক ও জনপথ (সওজ) ফেনীর নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীতি চাকমা বলেন, টানা বৃষ্টিতে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি স্থানে সংস্কার করা হয়েছে এবং বাকি অংশেও সংস্কারকাজ চলছে। আগামী দুই দিন বৃষ্টি না হলে সংস্কারকাজ পুরোপুরি শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনেই মূলত সমস্যা বেশি হয়। কারণ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আসা ভারী পণ্যবাহী যানবাহনের চাপ এই লেনেই বেশি থাকে। টানা বৃষ্টির সময় ভারী যানবাহনের চলাচলের কারণেই গর্তের সৃষ্টি হয়। তবে চট্টগ্রামমুখী লেনে তুলনামূলকভাবে সমস্যা কম।

Feb2
Feb2

সাত অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 3 September, 2026, 8:29 am
সাত অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

দেশের সাত অঞ্চলের ওপর দিয়ে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে বুধবার রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত সারাদেশের সম্ভাব্য পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 3 September, 2026, 8:18 am
নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ

নেপালের ভোটেকোশি নদীতে গত ২৬ আগস্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটে। এতে শত শত মানুষ নিহত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারমধ্যে আছে হাইড্রোপাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও। আর এ কারণে বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

গতকাল বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট।

এতে বলা হয়েছে, বর্ষাকালে নদীর পানি বাড়লে হাইড্রোপাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ে। এ সময় নিজেদের চাহিদা মিটিয়েও নেপালের বাড়তি বিদ্যুৎ থাকে। যা রপ্তানি করা হয়।

বাংলাদেশ সদ্যই ভারতীয় গ্রিড ব্যবহার করে নেপালের বিদ্যুৎ আনছিল। তবে এখন এ বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, ভোটেকোশি নদীতে আকস্মিক বন্যার পর অনেক হাইড্রোপাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে।

শুষ্ক মৌসুমেও নেপাল গড়ে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করে আসছিল। কিন্তু এখন এটি ৬৫০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।

নেপালে শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায়। এ কারণে দেশটিকে বিদ্যুৎ আমদানি করতে হতো। তবে হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে দেশটি আঞ্চলিক বিদ্যুৎ রপ্তানিকারকের ভূমিকায় আসছিল।

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদন ছিল ২২ দশমিক ১ মেগাওয়াটের চিলমি হাইড্রোপাওয়ার প্রজেক্ট এবং ২৪ মেগাওয়াটের ত্রিশূলি হাইড্রোপাওয়ার প্রজেক্টের। এ দুটি কেন্দ্রই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে গত সপ্তাহ থেকে তারা বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রেখেছে।

প্রতিষ্ঠান দুটি মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ভারতের গ্রিড দিয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করেছিল।

নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ বলেছেন, “বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা দুটি কেন্দ্রেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে আমরা ভারতকে বিকল্প হিসেবে অন্য প্রজেক্ট থেকে বিদ্যুৎ পাঠানোর সুযোগ দিতে অনুরোধ করেছি।”

সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 September, 2026, 11:48 pm
সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় মির্জা আব্বাসকে বহনকারী ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এ সময় তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসও সঙ্গে ছিলেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত ১১ মার্চ ইফতারে পানি পান করার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। অবস্থার উন্নতি না হলে গভীর রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

১৫ মার্চ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসার পর তাকে মালয়েশিয়ায় চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা আব্বাস।