খুঁজুন
শনিবার, ৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আইনী প্রক্রিয়া ছাড়া খালেদার মুক্তির অন্য কোন পথ নেই : তথ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৯, ১১:৩০ অপরাহ্ণ
আইনী প্রক্রিয়া ছাড়া খালেদার মুক্তির অন্য কোন পথ নেই : তথ্যমন্ত্রী

hasan

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, একমাত্র বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি সম্ভব।

তিনি সচিবালয়স্থ তার অফিসে প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘একটি দুর্নীতির মামলায় বিএনপি নেত্রী কারাগারে রয়েছেন এবং কেবলমাত্র আদালতই তাকে মুক্তি দিতে পারে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি সবসময় হুমকি দেয় যে, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য তারা আন্দোলন গড়ে তুলবে। কিন্তু তার মুক্তি আদালতের ব্যাপার এবং অন্য কোন পথ নেই।’

তিনি বলেন, বিএনপি গত সাড়ে ১০ বছরে কোন আন্দোলন করতে পারেনি। তিনি আরো বলেন, ‘আমি বিএনপি নেতাদের প্রশ্ন করতে চাই- যেহেতু আইনী প্রক্রিয়া ছাড়া বেগম জিয়াকে মুক্ত করার কোন বিকল্প নেই। অতএব তাকে মুক্ত করতে নেতারা কোন পথে যাবেন।’

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান বলেন, ‘আমরা দেখছি তারা (বিএনপি নেতারা) তাকে মুক্ত করতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। বিএনপির সংসদ সদস্যরা কয়েকদিন আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন এবং তারা বলেছেন যে, তারা চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে পাঠাবেন। প্রথমে মুক্তি বিষয়ে সমাধানে পৌঁছতে হবে এবং পরে তারা সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি কোথায় যাবেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বেগম জিয়া কোন রাজনৈতিক কারণে গ্রেফতার হয়নি এবং তিনি রাজবন্দি নন।

তিনি বলেন, ‘অতীতে অনেক রাজনৈতিক নেতা রাজনৈতিক কারণে গ্রেফতার হয়েছেন। ওইসব নেতৃবৃন্দের মুক্তির জন্য আন্দোলনও হয়েছে। কিন্তু বেগম জিয়ার বিষয়টি তেমন নয়। এতিমদের টাকা মেরে খাওয়ার কারণে দুর্নীতির মামলায় তিনি জেলে রয়েছেন।’

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ব্যাপারে সম্প্রতি উইকিলিক্সের প্রকাশিত তথ্য সম্পর্কে ড. হাছান বলেন, ওই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ছিল তারেক রহমান এবং এ ব্যাপারে বেগম জিয়া ভালভাবেই অবগত ছিলেন। তিনি আরো বলেন, আদালতেও বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘তৎকালীন সরকার প্রধানের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এ ধরনের হামলা চালানো সম্ভব হতো না।’

তিনি বলেন, এই হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করা।

তিনি আরো বলেন, ‘এখন আমি বিএনপি নেতাদের প্রশ্ন করতে চাই যে, উইকিলিক্সের তথ্য সম্পর্কে তারা কি বলবেন।’

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ সম্পর্কে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এখন সবগুলো সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে তাদের অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করছে। এটি আসলেই দেশের জন্য একটা আনন্দের খবর।

তিনি বলেন, বিটিভির ৪টি চ্যানেল কয়েক মাস আগে থেকেই নিরবচ্ছিন্নভাবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে তাদের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে। পূর্ণাঙ্গ সার্ভিস প্রদানের জন্য বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে সকল সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার ৪৫টি টিভি চ্যানেলের লাইসেন্স প্রদান করলেও দেশে ৩৫টি টিভি চ্যানেল চালু রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে বাংলাদেশে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের যাত্রা শুরু হয়।

ড. হাছান বলেন, দেশের সম্প্রচার মাধ্যমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে গণমাধ্যমের স্বার্থে বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এসব উদ্যোগ গণমাধ্যমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে।

তিনি আরোব বলেন, সম্প্রচার মাধ্যমকে পর্যায়ক্রমে ডিজিটালাইজ করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

ব্রিফিংকালে তথ্য সচিব আবদুল মালেক উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

হাদি হত্যার তদন্তে রোববার জাতিসংঘে চিঠি দেবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
হাদি হত্যার তদন্তে রোববার জাতিসংঘে চিঠি দেবে সরকার

শরীফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত পরিচালনার জন্য জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠাবে অন্তর্বর্তী সরকার। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) এ চিঠি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকার স্পষ্টভাবে পুনর্ব্যক্ত করছে যে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারে সরকার বদ্ধপরিকর। জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত পরিচালনার আইনগত দিক সরকার গভীরভাবে পর্যালোচনা করছে। এ বিষয়ে আগামী রোববার জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হবে।

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সংবেদনশীল রাজনৈতিক সময়ে সবাইকে ধৈর্য, সংযম ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের প্রায় ১৮ কোটি মানুষ অধীর আগ্রহে এই নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছেন। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি বর্তমানে বাংলাদেশের দিকে নিবদ্ধ। বিদেশি বহু সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক এরইমধ্যে বাংলাদেশে উপস্থিত হয়েছেন।

হাদি সমর্থকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ণ
হাদি সমর্থকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা করতে গিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে শরিফ ওসমান হাদি সমর্থকরা নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে নগরের দুই নম্বর গেট মোড়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

আন্দোলনের কারণে মুরাদপুর থেকে জিইসি যাওয়ার পথে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। দুই নম্বর গেইট থেকে মেডিকেল সড়ক, বায়েজিদ সংযোগ সড়কেও যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।

এ সময় আন্দোলনকারীরা ‘আমার ভাইয়ের ওপর হামলা কেন, ইন্টেরিম জবাব দে’, ‘জাবের ভাইয়ের ওপর হামলা কেন, ইন্টেরিম জবাব দে’, ‘গোলামি না আজাদি, আজাদি আজাদি’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। আন্দোলনকারীদের হাতে ‘হাদি হত্যার বিচার চাই’ লেখা ব্যানার দেখা গেছে।

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল করিম বলেন, আন্দোলনকারীরা অবস্থান নিয়েছে। আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি। গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক আছে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চট্টগ্রামে ছাত্রশিবিরের বর্ণাঢ্য র‍্যালি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চট্টগ্রামে ছাত্রশিবিরের বর্ণাঢ্য র‍্যালি

৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‍্যালি করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখা। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে নগরের আগ্রাবাদ থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত এই র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি মাইমুনুল ইসলাম মামুন। বক্তব্যে তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের শাসনামলে হত্যাকাণ্ডের শিকার ছাত্রশিবিরের চারজন নেতাকর্মী ইমরান খান রাজীব, আবিদ বিন ইসলাম, সাকিবুল ইসলাম এবং ফয়সাল আহমেদ শান্তকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় সংগঠনের ওপর দমন-পীড়ন ও নির্যাতন চালানো হলেও ছাত্রশিবির তার আদর্শিক অবস্থান থেকে বিচ্যুত হয়নি। শিবির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দেশের ছাত্রসমাজের নৈতিকতা, আদর্শিক উন্নয়ন ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে। একটি আদর্শিক, সুশৃঙ্খল ও মানবিক সমাজ গঠনে ছাত্রসমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি অতীতের প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও সংগঠনের টিকে থাকা ও কার্যক্রম পরিচালনার ধারাবাহিকতার ইতিহাস তুলে ধরেন এবং শহীদদের আত্মত্যাগ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সামনে প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে উল্লেখ করেন। বক্তব্যে তিনি তরুণ প্রজন্মকে দেশ, জাতি ও নৈতিক মূল্যবোধ রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

র‍্যালিতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চট্টগ্রাম-১০ সংসদীয় আসনের প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালি, মহানগর দক্ষিণ শাখা শিবিরের সাবেক সভাপতি কেফায়েত উল্লাহ ও মু. শহীদুল ইসলাম এবং সাবেক সেক্রেটারি মোহাম্মাদ ইকবাল।