প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে ‘মুরাসু’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১৬ সকাল
প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে ‘মুরাসু’

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ ক্রমেই শক্তি বাড়িয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়া ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার রাত নাগাদ ভারতের অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে দেখাতে বলা হয়েছে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত।

সোমবার (২ নভেম্বর) আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমানের স্বাক্ষরিত অধিদপ্তরের ৭ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে ঘূর্ণিঝড়টির সর্বশেষ অবস্থান ও গতিপ্রকৃতি তুলে ধরা হয়।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে আরও ঘনীভূত হয়েছে। বর্তমানে এর অবস্থান ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮২ দশমিক ৬ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

সোমবার ভোর ৩টার তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৯০ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১ হাজার ৩৫০ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ১ হাজার ২৪৫ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার। দমকা ও ঝড়ো হাওয়ার সময় এই গতি ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের আশপাশের সাগরও বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে চার সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে সোমবার রাত নাগাদ প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে ভারতের অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে।

জেআই/

Feb2
Feb2