খুঁজুন
, ,

চসিকের জায়গা, রাস্তা ও ফুটপাতে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স-মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 21 January, 2020, 6:23 pm
চসিকের জায়গা, রাস্তা ও ফুটপাতে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স-মেয়র

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : চট্টগ্রাম নগরীর রাস্তা, ফুটপাত ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের জায়গার উপর কাঁচা বাজার, হকার বসানোর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অবস্থানের কথা উল্লেখ করলেন চসিক মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন রাস্তা, ফুটপাত ও ড্রেনের উপরে ইট, বালি, কংকর লৌহজাত দ্রব্য, নির্মাণ সামগ্রী, অস্থায়ী দোকান ও দোকান পাটের মালামাল এবং কাঁচা বাজার বসিয়ে সর্বসাধারণের চলাচলের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা কোনক্রমে বরদাস্ত করা হবে না।

এইসব কর্মকান্ড পরিবেশ দুষণ এবং নগরীর সৌন্দর্যহানির সামিল। যা নাগরিক স্বার্থের পরিপন্থি ও বে-আইনী। এ ধরনের কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

অভিযান চলাকালে রাস্তা,ফুটপাত ও চসিক এর জায়গার উপর কোন ধরনের স্থাপনা পাওয়া গেলে মালামাল জব্দ ও জেল-জরিমানাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার কঠিন হুঁশিয়ারি দিয়েছে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

তিনি মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত ৫ম পরিষদের ৫৪তম সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ হুঁশিয়ারির কথা জানিয়ে দেন।

চসিক থিয়েটার ইনস্টিটিউট হলে অনুষ্ঠিত এই সভায় চসিক প্যানেল মেয়র, কাউন্সিলর, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর, চসিক প্রধান নির্বাহী মো. সামসুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল সোহেল আহমদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মফিদুল আলম, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, মেয়রের একান্ত সচিব মো. আবুল হাশেম, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ন জেলা জজ) জাহানারা ফেরদৌস, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফিয়া আখতারসহ চসিক বিভাগীয় ও শাখা প্রধানগন এবং নগরীর সরকারী ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

সভা সঞ্চালনায় ছিলেন চসিক সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী। সভাপতির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও দুর্নীতির বিরোধী সুশৃংখল মহা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

সমাবেশে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও দুর্নীতির বিরোধী গঠিত কমিটি সদস্য ও নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নেতৃত্বে এ সমাবেশে যোগদান করবেন।

নগরীর সর্বসাধারন মাদক,সন্ত্রাস,জঙ্গীবাদ ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ তা এই সমাবেশের মাধ্যমে প্রমান করতে চায় চসিক। সভায় সিটি মেয়র ‘মেয়র হেলথ কেয়ার কার্ড’ প্রদানের কথা উল্লেখ করে এখনো যারা তালিকা জমা দেননি, তাদেরকে আগামী ৩০ জানুয়ারি ২০২০ এর মধ্যে জমাদানের জন্য আহ্বান জানান।

নগর উন্নয়নে ওয়ার্ড ভিত্তিক উন্নয়নের ফিরিস্তি জনবহুল এলাকায় টাঙ্গিয়ে দেয়া এবং ভিডিওচিত্র প্রদর্শনের উপর গুরুত্বারোপ করে সিটি মেয়র বলেন, এই কার্যক্রমের মাধ্যমে ওয়ার্ডের সামগ্রিক উন্নয়ন চিত্র সম্পর্কে নগরবাসী জানবে এবং দেখবে। এতে সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলরের জনপ্রিয়তাও বৃদ্ধি পাবে।

নগরীর হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও কমিউনিটি সেন্টারের বর্জ্য অপসারনের কথা উল্লেখ করে সিটি মেয়র বলেন, যত্রতত্র ময়লা ফেলে নগর পরিবেশকে কোনক্রমেই ব্যাহত করতে দেয়া যাবে না। তাই নগরীর হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও কমিউনিটি সেন্টারের মালিকদের নিয়ে বৈঠকের পরামর্শ দেন তিনি।চসিক সাধারণ সভায় নেতৃবৃন্দরা

মেয়র চসিকের কর্মকান্ডের জবাবদিহীতার কথা উল্লেখ করে বলেন, চসিকের গ্রাউন্ড লেভেলে জনবল কমে গেছে। অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে সকলকে মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে হবে। তাই মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজার সঠিকভাবে কাজ তদারকি করছে কিনা তা দেখভালের দায়িত্ব উপসহকারী প্রকৌশলীদের। আর উপসহকারী প্রকৌশলীরা মাঠ পর্যায়ের কাজ সঠিকভাবে তদারকি করছে কিনা তার দেখভাল নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর। তাই নিজেদের মধ্যে সমন্বয়টা নিভিড়ভাবে করতে হবে।

এ প্রসঙ্গে সিটি মেয়র বলেন, উন্নয়ন কাজে জড়িত ঠিকাদারদের করুণা দেখার কোন সুযোগ নেই। তাদের কাছ থেকে কার্যাদেশ মতে শতভাগ কাজ আদায় করতে হবে। কাজের গুনগত মানের ক্ষেত্রে কোন ধরণের আপোষ করা যাবে না।

মুজিববর্ষ ২০২০ উদযাপন উপলক্ষে মশকমুক্ত, পরিচ্ছন্ন, সবুজনগরী বিনির্মান সংক্রান্ত কর্মপরিকল্পনার আলোকে চসিকের উদ্যোগে নগরীর ফুটপাত, গোলচত্বর ও সড়ক সমূহের সবুজায়ন, সৌন্দর্যবর্ধনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিয়মিত ভাবে আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে এ নগরের সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ অব্যাহত রাখতে হবে।

এ প্রসঙ্গে সিটি মেয়র বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকীকে উপলক্ষ্য করে যত্রতত্র জাতির পিতা ছবি, ম্যূরাল ও ভাস্কার্য স্থাপন করা যাবে না। এ ব্যাপারে কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের তদারকি করার আহ্বান জানান মেয়র।

আন্তর্জাতিক মাতৃদিবস ভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত ২০ দিন ব্যাপী একুশে বই মেলা আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে নগরীর আউটার স্টেডিয়াম জিমনেসিয়াম চত্বরে আয়োজন, নগরীতে অবস্থিত বিভিন্ন বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর মূল্য পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যালোচনা সহ বিবিধ বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

অনুষ্ঠিত সভায় অর্থ ও সংস্থাপন, শিক্ষা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্যরক্ষা, নগর অবকাঠামো নির্মাণ ও সংরক্ষণ,আইন শৃংখলা বিষয়ক, সমাজ কল্যাণ ও কমিউনিটি,বাজার মূল্য পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ, হিসাব নিরীক্ষা ও রক্ষণ বিষয়ক যোগাযোগ, নগর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন, পরিবেশ উন্নয়ন সম্পর্কিত, দারিদ্র হ্রাসকরণ ও বস্তি উন্নয়ন,পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ, পানি ও বিদ্যুৎ ষ্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যানগণ স্ব স্ব কমিটির কার্যবিবরণী উপস্থাপন করেন এবং আলোচনান্তে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সভার শুরুতে সম্প্রতি নগরীতে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তিদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:56 pm
চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি::চট্টগ্রামের মুনছুরাবাদে ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশের কার্যালয়ের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

জানাগেছে, চট্টগ্রামের ইয়াবা সম্রাট নামে খ্যাত জয় প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে ইয়াবাসহ নানা নেশাজাত দ্রব্য বিক্রি করে । প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাদক জাত দ্রব্য বিক্রি হয় কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী রেশন স্টোর ও পুলিশের ব্র্যাক থেকেও ইয়াবা সাপ্লাই করে জয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, জয় এর এই অবৈধ মাদক ব্যবসার সাথে কিছু অসাধু গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য জড়িত । ফলে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে জয়।

‎অনুসন্ধানে জানাযায়, গনি আহামদের ছেলে জাবেদ ওরফে জয়, কাজীর দেউড়ি ২ নং গলির বাসিন্দা হলেও বর্তমানে বাকলিয়া থানার বলির হাট এলাকায় বসবাস করে।

সুত্র জানায়, ডিবি পুলিশের কনেস্টেবল আজাদ, রবিউল,  হানিফ, সঞ্জয়, আব্দুর রহিম, ইয়াবা সম্রাট জাবেদ ওরফে জয় এর সহযোগী বলে জানা গেছে।

‎এছাড়া কর্ণফুলী ক্লাব থেকে রূপসা বেকারী পর্যন্ত ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ জয়কে ডিবি অফিসার হিসাবে চিনে ও জানে, অনেকেই আবার জয়কে জয় স্যার বলে সম্বোধন করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবি পুলিশের কয়েকজন সদস্য বলেন, আইনের লোকেরা যখন বেআইনি কাজে জড়িয়ে পড়ে তখন কিছুই বলার থাকে না। পুলিশের ব্র্যাকে মাদক দ্রব্য রেখে গোয়েন্দা পুলিশের অফিসের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে চট্টগ্রামের চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী মিস্ত্রী পাড়ার বিপ্লব ও বউ বাজারে ডাইল নুরুকে নিয়ে জয় যে মাদকের হাট বসায় তা মেনে নেওয়ার নয়। গোয়েন্দা পুলিশের যে সদস্যরা জয়ের সাথে জড়িত তারা সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক তাদের টাকার দাপটে আমরা অসহায়। খোদ উর্ধ্বতনরাও টাকার কাছে জিম্মি বলে মনে হয়।

‎নেশাগ্রস্থ অবস্থায় জয় যখন পুলিশ ব্র্যাকে শুয়ে থাকে তখনও কিছুই বলার থাকেনা। সন্ধ্যা হলে নগরীর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা আসে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে ।

‎সিএমপিতে দীর্ঘ দিন ধরে চট্টগ্রামের বাকলিয়ার মাদক সম্ম্রাট ইছহাক, সোবহান, ও পাহারতলীর মাদক সম্ম্রাট টেক্সি জসিম আলমগীর ও কদম তলীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ি আলো সহ আরো অসংখ্য মাদক ব্যবসায়ীর নিকট মাদক ও ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয় করে আসছে।

ক্লাবের ভিতরে মাঠে চেয়ার নিয়ে বসে থাকে, জয় , ডাইল নুরু ও ইয়াবা সম্রাট বিপ্লব। পার্টি আসলে ব্র্যাক থেকে মাদক দ্রব্য নিয়ে আসে অসাধু পুলিশ সদস্যরা।

‎এই বিষয়ে জয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন। একবার বলেন আমি ফার্নিচার ব্যবসায়ী, আবার বলেন আমি এইসব ছেড়ে দিয়েছি। আবার অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে বলেন, আমি জানি কে এইসব আমার ব্যাপারে বলেছে। আপনার খবর নিয়ে দেখবো আপনি কে ?

‎মাদকের ব্যাপারে সারাদেশের প্রসাশন জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করলেও সিএমপি গোয়েন্দা কার্যালয়ের সামনে এমন কান্ডকে ভাবিয়ে তোলে সচেতন মহলকে।

‎এই বিষয়ে ডিসি (ডিবি উত্তর) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:29 pm
সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পাঁচ থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পদে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। একই আদেশে কয়েকজন ওসিকে বদলি এবং বিভিন্ন ইউনিট থেকে নতুন কর্মকর্তাদের থানায় পদায়ন করা হয়েছে।

শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ রদবদলের তথ্য জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক নুর আহমদকে কর্ণফুলী থানার ওসি, সিটিএসবির মোহাম্মদ আবদুর রহিমকে খুলশী থানার ওসি এবং কর্ণফুলী থানার বর্তমান ওসি মো. ইখতিয়ারউদ্দিনকে বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এ ছাড়া ডিবি বন্দর জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. জয়নাল আবেদীন মন্ডলকে হালিশহর থানার ওসি এবং খুলশী থানার বর্তমান ওসি মোজাম্মেল হককে পাঁচলাইশ মডেল থানার ওসি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পাঁচলাইশ মডেল থানার বর্তমান ওসি মো. জাহেদুল ইসলামকে বদলি করে সিটিএসবিতে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি সিটিএসবির মোহাম্মদ একরাম উল্লাহকে সদরঘাট থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

সিএমপির জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 8:20 pm
পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলায় বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি সুদৃঢ় করে সরকার ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষতার বিকাশ ঘটিয়ে তাদের সুনাগরিক ও মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।

আজ রোববার রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা- কর্মচারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করার বৃহৎ দর্শন নিয়ে ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই স্বপ্ন ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নির্বিশেষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে হবে।

তরুণদের উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে যেন তারা ঘরে বসেই উপার্জন করতে পারেন এবং এই আয়কে সরকার করমুক্ত ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উন্নয়ন বোর্ডকে নতুন নতুন স্কিম গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সরকার জনগণের সেবক। সেবার মানসিকতা নিয়ে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে যেন জনগণকে সেবার জন্য বারবার অফিসে আসতে না হয়, বরং সেবা পৌঁছে যায় মানুষের দোরগোড়ায়। এসডিজি অর্জনে মন্ত্রণালয় ও উন্নয়ন বোর্ডকে সমন্বিত পরিবারের মতো কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি বোর্ডের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা, পেনশন সুবিধার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ এবং পাড়া কেন্দ্রের কর্মীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা যৌক্তিক পর্যায়ে উন্নীত করতে ডিপিপি (DPP) সংশোধনের আশ্বাস দেন।

দিনব্যাপী সফরকালে প্রতিমন্ত্রী ৫০ জন নারীকে সেলাই মেশিন ও ২৫০টি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি রাঙ্গামাটি শিশু পার্কের ওয়াচ টাওয়ার, জেলা পরিষদের ই-লার্নিং সেন্টার এবং খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে মহাপুরম খালের ওপর ব্রিজের উদ্বোধন করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, সদস্য (অর্থ) সুমন বড়ুয়া, সদস্য (পরিকল্পনা) জাহিদ ইকবালসহ সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।