খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিইউজের নতুন সভাপতি মোহাম্মদ আলী,সম্পাদক শামসুল ইসলাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২০, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ
সিইউজের নতুন সভাপতি মোহাম্মদ আলী,সম্পাদক শামসুল ইসলাম

চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) নির্বাহী পরিষদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হলেন মোহাম্মদ আলী এবং সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন ম. শামসুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বিরতি ছাড়াই বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হয়। মোট ৪০৪ জন সদস্যের মধ্যে নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ৩৮২ জন।

এবারের নির্বাচনে মোট নয়টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ২৭ জন প্রার্থী। এতে সভাপতি পদে দৈনিক পূর্বকোণের মোহাম্মদ আলী ১৪০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ১২৯ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন অবজারভারের মোস্তাক আহমদ। এ পদে অন্য দুই প্রার্থী ছিলেন একাত্তর টিভির মাঈনুদ্দীন দুলাল (৭০ ভোট) এবং সদ্য সাবেক সভাপতি দি ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের নাজিমুদ্দীন শ্যামল (৪০ ভোট)।

ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত নবনির্বাচিত সভাপতি-সম্পাদক

সিনিয়র সহ সভাপতি পদে দৈনিক পূর্বদেশের রতন কান্তি দেবাশীষ ১৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ১২৬ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন অলোকময় তলাপাত্র।। এ পদে অন্য প্রার্থী ছিলেন কর্ণফুলীর মুজাহিদুল ইসলাম (১১৭ ভোট)।

সহ সভাপতি পদে গাজী টিভির অনিন্দ্য টিটো ১৮৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ১৩৩ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন পূর্বকোণের আবসার মাহফুজ। এ পদে অন্য প্রার্থী ছিলেন সি প্লাস টিভির আলমগীর অপু (৫৯ ভোট)।

সাধারণ সম্পাদক পদে ২২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন দেশ রূপান্তরের ম. শামসুল ইসলাম। ১৫১ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন একুশে টিভির হাসান ফেরদৌস।

চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) নির্বাহী পরিষদের নবনির্বাচিত কর্মকর্তারা-

যুগ্ম সম্পাদক পদে ২৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন আজাদীর সবুর শুভ। ১১৫ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সিপ্লাস টিভির স্বরূপ ভট্টাচার্য।

অর্থ সম্পাদক পদে ১৯৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন আজাদীর কাশেম শাহ। ১২২ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নুর উদ্দিন আহমেদ। এ পদে অন্য প্রার্থী ছিলেন সৌমেন ধর (৬০ ভোট)।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ২২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন পূর্বকোণের এসএম ইফতেখারুল ইসলাম। ১৫০ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ভোরের কাগজের প্রীতম দাশ।

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ১৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির ইফতেখার ফয়সাল। ৯৫ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলানিউজের আল রাহমান। এ পদে অন্য দুই প্রার্থী ছিলেন পূর্বদেশের রাহুল কান্তি দাশ (৭১ ভোট) এবং এটিএন বাংলার মো. ফরিদ উদ্দীন (৬১ ভোট)।

নির্বাহী সদস্য পদে ১৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন বিএনএর মো. মহররম হোসাইন। ৯২ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন পূর্বদেশের আবুল হোসাইন। এ পদে অন্য দুই প্রার্থী ছিলেন জয়নিউজের বিশু রায় চৌধুরী (৮৫ ভোট) এবং আবদুর রউফ পাটোয়ারী (২৪ ভোট)।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক জসীম চৌধুরী সবুজ। কমিটির তিন সদস্য হলেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোহাম্মদ নিযাম উদ্দিন, মুহাম্মদ মোরশেদ আলম, মুহাম্মদ শামসুল হক ও মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ।

এবার নির্বাচনের মনোনয়নপত্র সরবরাহ করা হয় ১৫ ও ১৬ জানুয়ারি। মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া হয় ১৭ জানুয়ারি। পরদিন মনোনয়নপত্র বাছাই ও খসড়া তালিকা প্রকাশের পর ২০ জানুয়ারি ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়। এরপর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হয় ২১ জানুয়ারি।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…