খুঁজুন
রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একুশে পদক পাচ্ছেন সুফি মিজানুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১:০৪ পূর্বাহ্ণ
একুশে পদক পাচ্ছেন সুফি মিজানুর রহমান

সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিসরূপ এ বছর একুশে পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছেন পিএইচপি ফ্যামিলির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

চলতি বছর ২০ জন বিশিষ্ট ব্যাক্তি ও মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট পাচ্ছে একুশে পদক।

বুধবার সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এবারের পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের নাম প্রকাশ করেছে।

চট্টগ্রামের বিশিষ্ট শিল্পপতি সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান সহজ-সরল, বিনয়ী ও মিষ্টভাষী একজন সফল মানুষ। এক কথায় ভীষণ মিশুক। কথা বলতে গেলেই কখনও উদাহরণ টানেন পাশ্চাত্যের জ্ঞানগুরুদের, কখনও ইসলামের কালজয়ীদের, কখনও বা মানবধর্মের মহামানবদের। জন্ম নারায়ণগঞ্জে হলেও বেড়ে ওঠা তার চট্টগ্রামেই। স্থায়ীভাবে বসবাসও করেন তিনি বন্দরনগরীতেই।

নিজেও জীবনযাপন করেন সৎ ও সত্যতার নিরেট এক প্লাটফর্মে। খুঁজে বেড়ান জীবনের মানে।

মানুষটিকে কেউ ডাকেন সুফি সাহেব, কেউ বা মিজান সাহেব। পুরো নাম সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। ‘পিএইচপি ফ্যামিলি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান তিনি। ব্যবসার জগতে সফল এক কিংবদন্তি। শিল্পপতি হয়েও অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত সুফি মিজান। বিলাসিতা একেবারেই টানে না তাকে। ঘুরেফিরে এক পোশাকই পরেন তিনি। সাত ছেলে, এক মেয়ে রয়েছে তার। সবসময় নিজেকে সমাজের কল্যাণেই নিয়োজিত রাখেন তিনি।

অন্যসব বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মতো পিএইচপি কোনও গ্রুপ নয়, ফ্যামিলি। যা সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান গর্ব করে বলেন। ফ্যামিলির মতোই এই প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন হাজার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী। যেখানে সবাই আপন মনে হাসিমুখে কাজ করতে পারে। সুইপার, পিয়ন কিংবা প্রেসিডেন্ট সবাই এখানে এক। বিভিন্ন ধরনের স্টিল, গ্লাস, অ্যালুমিনিয়াম, শিপ রিসাইক্লিং, টেক্সটাইল, পেট্রলিয়াম প্রোডাক্টস, বিদ্যুৎ উৎপাদন, কৃষিজাত পণ্য, লেদার, ফিশারিজ, রিয়েল এস্টেটসহ বর্তমানে বিভিন্ন সেক্টরে ব্যবসা রয়েছে সুফি মিজানুর রহমানের।

পিএইচপি ফ্যামিলির আওতায় দেশে-বিদেশে অন্তত ৩০টি আলাদা কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান রয়েছে এই বিশিষ্ট শিল্পপতির।

বাংলাদেশ নিয়ে এবং নিজের পিএইচপি ফ্যামিলি নিয়ে এখনও অনেক স্বপ্ন দেখেন এই স্বপ্নদ্রষ্টা।

তিনি প্রায়ই বলেন আমি চাই বাংলাদেশের কোনও মা-বোন যেন ক্ষুধার তাড়নায় কষ্ট না পায়। প্রতিটি কোমলমতি সন্তান যেন শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়। যেন চিকিৎসার অভাবে কোনও মানুষ অকালে মৃত্যুবরণ না করে। প্রতিটি মানুষের যেন থাকার মতো একটি ছোট্ট কুটির আর চলার মতো একটি ছোট্ট ট্রান্সপোর্ট থাকে। পিএইচপি ফ্যামিলি নিয়েও একই স্বপ্ন দেখেন তিনি।

দাদা ছিলেন ব্যবসায়ী। পাটের ব্যবসা করতেন। তার বাবাও ব্যবসা করতেন। কিছু ক্ষেত-খামারও ছিল। সেখানে ধান-পাট চাষ হতো। সুফি মিজানের ইচ্ছা ছিল শিক্ষক হবেন। কিন্তু তার বাবা চেয়েছেন তিনি ব্যবসা করবেন। তারপরও মাত্র ১০০ টাকা বেতনে চাকরি শুরু করেছিলেন সুফি মিজান। এখনকার হিসাবে মাত্র ১ ডলার ২০ সেন্টস।

ইন্টারমিডিয়েট পাসের পরপরই ১৯৬৫ সালে সর্বপ্রথম তৎকালীন ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানে (বর্তমানে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড) চাকরি নিয়ে চট্টগ্রাম গিয়েছিলেন তিনি।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এরপর ১৯৬৭ সালেই আরেকটি ব্যাংকে যোগ দেন। তবে স্বাধীনতার পরপরই চাকরি ছেড়ে ব্যবসা শুরু করেন। তখন ব্যবসার জন্য তার মূলধন ছিল মাত্র ১ হাজার ৪৮৩ টাকা। এই টাকা দিয়েই ব্যবসা শুরু করেছিলেন তিনি।

সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান সহকর্মীদের কাছে অন্য রকম এক আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব। ছেলেবেলায় মাকে হারিয়েছেন সুফি মিজান। জন্ম থেকেই শান্তশিষ্ট স্বভাবের মানুষ তিনি। বাবার কঠিন অনুশাসনে বড় হয়েছেন। অল্প বয়সে মাকে হারিয়ে বাবার কাছ থেকে পেয়েছেন দ্বিগুণ স্নেহ-ভালোবাসা। স্কুল জীবন মোটামুটি শেষ হলেও কলেজ জীবনেই অনেকটা কষ্টের শুরু সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের। কলেজ জীবনে আর দশ জনের মতো বন্ধুদের সঙ্গে খুব একটা আড্ডাবাজির সুযোগ পাননি তিনি।

ইন্টারমিডিয়েট পাস করেই চাকরি শুরু করেছিলেন। সারা দিন কাজ করতেন। সন্ধ্যা ৬টায় নাইট কলেজে গিয়ে বসতেন। সারা দিন হাড়ভাঙা পরিশ্রমের পর রাত ১১টা পর্যন্ত ক্লাস করতেন।

কেবল তাই নয়, ৪ মাইল হেঁটে বাড়ি ফিরতেন গভীর রাতে। এরপর নিজের হাতেই রান্নাবান্না করে খেতেন। আবার সকাল ৮টা থেকে অফিস।

কাজের ফাঁকে ফাঁকেই টিউশনি ও নিজের লেখাপড়া করেছেন। অর্থনৈতিক দূরাবস্থার কারণে সাংসারিক প্রয়োজনেই ছাত্র জীবন থেকে এমন কষ্ট করতে হয়েছে তাকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রিও অর্জন করেছেন সুফি মিজানুর রহমান।

Feb2

সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করা হয়।

সারওয়ার আলমকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালের ১৮ আগস্ট সারওয়ার আলমকে সিলেটের জেলা প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ২১ আগস্ট তিনি সিলেটের জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেন।

২৭তম বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা সারওয়ার আলম র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আলোচিত ছিলেন।সিনিয়র সহকারী সচিব পদে থাকাকালীন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে শতাধিক ভেজালবিরোধী অভিযান চালিয়ে ব্যাপক প্রশংসিত ছিলেন সারওয়ার আলম।

২০২০ সালের ৯ নভেম্বর তাকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে বদলি করা হয়। পরে গত বছরের ১৪ আগস্ট উপসচিব পদে পদোন্নতি পান তিনি।

মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (২১ জুন) বিকেল পৌনে তিনটার দিকে তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যায়।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

এ ছাড়া সফরসঙ্গী হয়েছেন সরকারের মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজন সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর কয়েকজন উপদেষ্টা এবং সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা।

এটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর। এই সফরে তিনি একত্রে দুটি দেশে যাবেন। ২১-২২ জুন মালয়েশিয়া এবং ২৩-২৬ জুন চীন সফর করবেন তিনি। সফর শেষে ২৬ জুন দেশে ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

সফরটিকে ঢাকা, কুয়ালালামপুর ও বেইজিংয়ের মধ্যকার অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, মালয়েশিয়া সফরে দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে শ্রমবাজার, বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ, বিনিয়োগ, জ্বালানি সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা ইস্যু গুরুত্ব পাবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চীন সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় দলিল সই হতে পারে। এর মধ্যে প্রায় ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), দুটি চুক্তি, একটি অ্যাকশন প্ল্যান এবং একটি প্রটোকল রয়েছে।

তিউনিসিয়ার বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে ইতিহাস গড়ে জিতল জাপান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১:২৭ অপরাহ্ণ
তিউনিসিয়ার বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে ইতিহাস গড়ে জিতল জাপান

ম্যাচটাই ছিল বড় মাইলফলকের। বিশ্বকাপের হাজারতম ম্যাচে নেমে ইতিহাসগড়া জয় পেয়েছে জাপান। সর্বোচ্চ এই প্রতিযোগিতায় প্রথমবার এত বড় (৪-০) ব্যবধানে জিতে তারা তিউনিসিয়ার বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছে। একইসঙ্গে এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে ৪টি গোল করল সামুরাই ব্লুরা।

এর আগে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ২-২ গোলের ড্র দিয়ে জাপান এবারের আসর শুরু করেছিল। তিউনিসিয়ার বিপক্ষে বড় জয় তাদের টানা চতুর্থবারের মতো নকআউট পর্বের দিকে একধাপ এগিয়ে দিলো। এর আগে বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে এত বেশি গোল করতে পারেনি জাপান। গতিময় আক্রমণাত্মক ফুটবলে সহজ জয় পেল তারা। আর উদ্বোধনী ম্যাচের পর কোচ বরখাস্ত করার নজির গড়া তিউনিসিয়া কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি।

জাপানের হয়ে জোড়া গোল করেন আয়াসে উয়েদা। এ ছাড়া দাইচি কামাদা ও জুনিয়া ইতো একটি করে গোল করেন। এই জয়ে জাপান চার পয়েন্ট নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সমান অবস্থানে রয়েছে। তবে দুই ম্যাচে এক গোল বেশি করায় গোল ব্যবধানে এগিয়ে গ্রুপের শীর্ষে আছে ডাচরা। সমান ম্যাচ খেলে সুইডেন ৩ পয়েন্ট নিয়ে তিনে অবস্থান করছে।

মেক্সিকোর এস্তাদিও মন্টেরেইয়ে অনুষ্ঠিত ১০০০তম ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে এগিয়ে যায় জাপান। যা বিশ্বকাপে তাদের ইতিহাসের দ্রুততম গোল। কেইতো নাকামুরার ক্রসে দাইচি কামাদা নিকটদূরত্ব থেকে বল জালে পাঠান। যা চলমান আসরে তার দ্বিতীয় গোল। ৩১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আয়াসে উয়েদা। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে ২৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড দূর থেকে বাঁকানো শটে জালের কাঁপান।

উয়েদা ক্লাব পর্যায়েও দুর্দান্ত মৌসুম কাটিয়েছেন। ফেইনুর্দের হয়ে ২৪ গোল করে লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জেতা এই ফুটবলার আজও দ্বিতীয়বার স্কোরশিটে নাম তোলেন ৮৩ মিনিটে। তার নিখুঁত লুপিং হেডে আসে জাপানের ঐতিহাসিক চতুর্থ গোল। এর আগে ৬৯ মিনিটে তৃতীয় গোলটি করেন জুনিয়া ইতো। উয়েদার চমৎকার ফ্লিক থেকে বল পেয়ে তিনি তিউনিসিয়ার গোলরক্ষক আইমেন দাহমেনকে ঠান্ডা মাথায় ফাঁকি দিয়েছেন।

প্রথম ম্যাচে সুইডেনের কাছে ৫-১ গোলে লজ্জাজনক হারের পর পরিস্থিতি সামাল দিতে দু’বারের আফ্রিকা কাপ অব নেশনস জয়ী কোচ হার্ভে রেনার্দকে দায়িত্ব দিয়েছিল তিউনিসিয়া। কিন্তু উত্তর আফ্রিকার দলটি জাপানের দ্রুতগতির আক্রমণ ঠেকাতে পারেনি, আবার নিজেরাও উল্লেখযোগ্য কোনো গোলের সুযোগ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে।