খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চবিতে মুক্তি বক্সে মিলছে স্যানিটারি ন্যাপকিন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ
চবিতে মুক্তি বক্সে মিলছে স্যানিটারি ন্যাপকিন

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। মেহেদী, চবি প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) বিভিন্ন হল ও অনুষদে মুক্তি বক্সে একদম বিনামূল্যে পাওয়া যাচ্ছে স্যানিটারি ন্যাপকিন। একটি বক্সে স্যানিটারি ন্যাপকিন পূর্ণ করে তার নাম দেওয়া হয়েছে ‘মুক্তি বক্স’।

মুক্তি বক্স টিম জানায়, ‘অনেকেই ভাবছেন ইউনিভার্সিটি লেভেলে কেনো প্যাড দিতে হবে? ফ্রি প্যাড নয় আমাদের উদ্দেশ্য একটা প্র্যাক্টিস সেট করা। একেকটি অনুষদে হাজার হাজার ছেলে-মেয়ে অধ্যয়নরত। মুক্তি বক্স দেখে অন্যরা তাদের গ্রামে গঞ্জে এর ব্যবহার ও অভ্যাস নিজেরা ছড়িয়ে দিক।

মুক্তি বক্সের শুরু করেছেন আমেরিকা প্রবাসী ফখরুদ্দীন রিজভী। আইডিয়াটি আসে আরো দুই বছর আগে। প্রবাস জীবনের ব্যস্ততার কারণে সম্ভব হচ্ছিল না। এ বছরের জানুয়ারি ১ মাসের ছুটিতে দেশে আসেন। তখনই মুক্তি বক্সের আইডিয়া নিয়ে আবারো কাজ করার আগ্রহ দেখালে বন্ধুরা তার সঙ্গে যোগ দেন।

ছোটো ভাই আরিফ মঈনুদ্দিনের সঙ্গে বন্ধুদের নিয়ে এখন পর্যন্ত ২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেন ‘মুক্তি বক্স’। এক্ষেত্রে বেছে নেন প্রত্যন্ত এলাকার এবং সুবিধাবঞ্চিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

রিজভী জানান, ইচ্ছে আছে নিজে ১০০টি স্কুলে ‘মুক্তি বক্স’ বসাবো। নিজের খরচে এই ১০০টা স্কুলে স্যানিটারি ন্যাপকিন রিফিল করবো। আমাদের কাজকে ভালোবেসে এরইমধ্যেই অনেকেই এগিয়ে এসেছেন। তারা নিজেদের এলাকায় ‘মুক্তি বক্স’ বাসাচ্ছেন। আজীবন ফ্রি রিফিল করার দ্বায়িত্ব নিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, মেয়েদের পিরিয়ড নিয়ে যে ট্যাবু আছে সেটাকে ভাঙার লক্ষে মুক্তি বক্সের পথচলা। পিরিয়ড যে দৈনন্দিন জীবনের অন্য দশটা ইস্যুর মতো নরমাল একটা ইস্যু সেটা পরিষ্কার করা।

মুক্তি বক্স একটা ক্লিয়ার সি-থ্রু বক্স, তার মানে দূর থেকেই স্পষ্ট বুঝা যায় বক্সের ভেতরে কি আছে। একটা ওয়াশরুমে ঢুকেই হ্যান্ড সেনিটাইজার অথবা সাবান দেখে যেমন আমরা চমকে যাই না তেমন প্যাড দেখেও যাতে আমরা চমকে না যায় সেই কারণেই স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে মুক্তি বক্স স্থাপন।

এ বিষয়ে ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী ইসরাত জাহান ইরা বলেন, এটি সত্যিই একটা ভালো উদ্যোগ। প্রয়োজনের সময় অনেক ক্ষেত্রে প্যাড পাওয়া যায় না। ক্লাসে এসেও আমরা মুক্তি বক্স থেকে খুব সহজেই প্যাড সংগ্রহ করতে পারবো।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…