খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জে যমুনেশ্বরী নদীর উপর ব্রীজ নির্মাণে অতিরিক্ত ব্যয় ৭৭ লাখ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১০:৫১ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে যমুনেশ্বরী নদীর উপর ব্রীজ নির্মাণে অতিরিক্ত ব্যয় ৭৭ লাখ

শাহজাহান আলী মনন, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি : নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় যমুনেশ্বরী নদীর উপর ব্রীজ নির্মানে কর্তৃপক্ষের অদূরদর্শিতার কারণে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে ৭৭ লাখ টাকা।

সিডিউল জঠিলতার কারনে এ পরিমান টাকা আক্কেল সেলামী দিতে হয়েছে বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে।

জানাগেছে, কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ইসমাইল ও বাহাগিলী ইউনিয়নের সংযোগ স্থাপনের জন্য যমুনেশ্বরী নদীর উপর ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৩ কোটি ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৪ টাকা নির্মান ব্যয় ধরে টেন্ডার আহবান করা হলে কার্যাদেশ পায় গোপালগঞ্জ জেলার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান খন্দকার বিল্ডার্স। ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে গত বছরের ১২ জুলাই।

কিন্তু সিডিউল জঠিলতার কারনে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের পরেই নির্মান কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ওই ঠিকাদার বেসিন প্লান্ট মেশিন ব্যবহারে আগ্রহী না হওয়ায় তৎকালীন উপজেলা প্রকৌশলী কেরামত আলী কার্যাদেশের চুক্তি বাতিল করেন।

ফলে আরও ৭৭ লাখ টাকা বরাদ্দের সাথে যোগ করে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে পূনরায় টেন্ডার আহবান করা হয়। উক্ত বরাদ্দের পরিমান বেড়ে গিয়ে দাড়ায় ৩ কোটি ৮৮লাখ ২৮হাজার ৪শ ৮০টাকা।

২০২০ সালের ১ জানুয়ারী কাজ শেষ করার কথা থাকলেও নতুন করে কার্যাদেশ পাওয়া নীলফামারীর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এস এম শফিকুল আলমও আলসেমিতে গা ভাসিয়ে দিয়ে সময় ক্ষেপন করেছেন। ১৪ মাসে ৩টি স্পামের কাজ শেষ করা হলেও কাজের অগ্রগতি ৮০ভাগ। ব্রীজের সংযোগ সড়ক ও প্রটেকশন ওয়াল নির্মান করতে এখনও দুই মাস সময় লাগতে পারে বলে জানায় এলাকাবাসী।

প্রকল্প এলাকার বাসিন্দা জয়নাল আবেদিন, সুজন মিয়া ও মিনারুল ইসলামসহ অনেকে অভিযোগ করে বলেন, নদীর বালু দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মান করা হচ্ছে। এটি সড়ক নয় যেন বালুর বাধ।

এছাড়াও কর্তৃপক্ষের অদূরদর্শিতার কারণে সরকারের ৭৭ লাখ টাকা বেশি ব্যয় হলেও সময় মত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নির্মান কাজ শেষ না করায় আমাদের দুর্ভোগ বেড়েই চলছে।

ঠিকাদার এস এম শফিকুল আলমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন ব্রীজের ৩টি স্পামের কাজ শেষ করে এখন ব্লক নির্মানের কাজ করা হচ্ছে। কয়েক দিনের মধ্যে লোকজন যাতায়াত করতে পারবে।

উপজেলা প্রকৌশলী মজিদুল ইসলাম বলেন, কাজের অগ্রগতি ৯০ শতাংশ হয়েছে। বাকি ১০ শতাংশ কাজ অল্পদিনের মধ্যে শেষ হবে বলে তিনি দাবি করেন। অতিরিক্ত ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, আমার পূর্বের প্রকৌশলী এ সম্পর্কে ভালো জানেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…