খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সূফিবাদি মানবিক ইসলাম চর্চাকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে:সৈয়দ সাইফুদ্দীন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৭:১০ অপরাহ্ণ
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সূফিবাদি মানবিক ইসলাম চর্চাকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে:সৈয়দ সাইফুদ্দীন

তুরস্কের ইস্তানবুল ইয়ালোভার আর মোদিস হোটেলে, আন্তর্জাতিক সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল এসোসিয়েশন অব সূফীস স্কলারের আয়োজনে ৯ম আন্তর্জাতিক ইসলামী সম্মেলনে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্ব থেকে যাওয়া শতাধিক সূফি ব্যক্তিত্বদের অংশগ্রহণে ১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার থেকে শুরু হয়েছে।

এতে বাংলাদেশ থেকে বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে বর্তমান সময়ে মুসলমানদের তাসাউফের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন সূফি ব্যক্তিত্ব, ওয়ার্ল্ড সূফি ফোরাম বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের বর্তমান ইমাম শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (মা.জি.আ.)।

তিনি বলেন, ইসলামের ফলিত দর্শন ও মূল নির্যাসই হচ্ছে সূফিবাদ। যুগে যুগে ইসলামী সূফিবাদের দাওয়াত প্রসারিত করেছেন ওলী-মনীষী আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্বগণ। ইসলামের সাম্য, শান্তি ও মানববাদি রূপরেখাই সূফিবাদি দর্শনে উজ্জলভাবে বিদ্যমান।

সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী বলেন, ইসলামের সূফিবাদি শান্তি ও মানববাদী দর্শন চর্চা প্রত্যাশিতভাবে তেমন বিকশিত ও প্রসারিত নয় বলেই সারা বিশ্বে আজ ইসলামের অনুসারীদেরকে অনেকেই ভুল বুঝছে। তাছাড়া এর পেছনে কারণও রয়েছে। ইসলামের বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্র ছাড়াও ইসলামের নামে এক শ্রেণীর লোকের উগ্রবাদিতা ও হঠকারিতার কারণে মুসলমানরা বিভিন্নভাবে বিশ্বব্যাপী নির্যাতিত। তাই, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসলামের নামে উগ্রবাদি ও হঠকারীদের থামাতে হবে। আর বিশ্ববাসীকে বুঝাতে হবে ইসলামে উগ্রবাদ, হঠকারিতা ও জঙ্গিবাদের কোন স্থান নেই।

তিনি বলেন, এসব থেকে মুক্তি পেতে সূফিবাদি মানবিক ইসলাম চর্চাকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে। সমগ্র বস্তুবাদি দর্শন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সূফিবাদি গণমুখী দর্শনকে দেশে দেশে সামনে নিয়ে আসতে হবে। সূফিবাদি দর্শনকে ছড়িয়ে দিতে সূফিবাদি চিন্তাধারার বোদ্ধা আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বদের মধ্যে সম্প্রীতি ও আন্ত:যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরো বলেন, ইরাক ফিলিস্তিন, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ বহু দেশে আজ রক্তপাত ও হানাহানি-সহিংসতা চলছে। মুসলিম বিশ্বে সংঘাত সহিংসতার জন্য শাসকদের গণবিমুখতা ও স্বেচ্ছাচারিতাই বড় দায়ী। শাসকরা দায়িত্বশীল ও গণমুখী হলেই চলমান বিপর্যস্ত অবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব।

সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী সারা বিশ্বে বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলোতে শরণার্থী সমস্যার স্থায়ী সমাধানে বিশ্ব নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং বাংলাদেশে গণহত্যা ও নিপীড়নের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলমানদের মিয়ানমারে পূর্ণ নিরাপত্তা ও নাগরিক মর্যাদা দিয়ে ফিরিয়ে নিতে সেদেশকে আন্তর্জাতিক চাপ দিতে বিশ্ব সংস্থাগুলেকে আহ্বান জানান। সারা বিশ্বে শান্তির বাতাবরণ তৈরি করতে সূফিবাদি জনতাই নিয়ামক শক্তি হতে পারে বলে তিনি মতব্যক্ত করেন।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সৈয়দ মো: আল হোসাইনী (তুর্কী)। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ড. মো: উজ্জান আল হাদীদ আমিন।

আন্তর্জাতিক ইসলামী সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের সূফি ব্যক্তিত্বদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন প্রফেসর ড. হাসান বাশিশ (তুর্কি), ড. মাজেন শরীফ (তিউনিসিয়া), শেখ আহমদ তিজানী বিন ওমর (ঘানা), সালমান চিশতী (ইন্ডিয়া), শেখ বাজু (লেবানন), আব্দুল্লাহ শরীফ আল-উজানী (মরক্কো), ড. সোলাইমান তিজানী (নাইজেরিয়া), শায়খ ড. আব্দুল বারী (সোমালিয়া), ড. মাসউদ আহমদ রেযা (বৃটেন), ড. মো: মতিউল্লাহ নহর কারীজি (আফগানিস্তান), ড. সাইয়েদী আলী মাউন আইনাইনসহ (মরক্কো), সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, বাহরাইন, কাতার, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, সিরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিগণ। ১৭ ফেব্রুয়ারি সোমবার পর্যন্ত চলবে এ আন্তর্জাতিক ইসলামী সম্মেলন।

Feb2

ভারত থেকে ২০০ ব্রডগেজ কোচের ক্যারেজ রেলের বহরে যুক্ত হবে : রেলমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
ভারত থেকে ২০০ ব্রডগেজ কোচের ক্যারেজ রেলের বহরে যুক্ত হবে : রেলমন্ত্রী

২০২৬ সাল থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর নাগাদ ২০০টি ব্রডগেজ ক্যারেজ বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথ, সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১২তম দিন টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তরে তিনি এ তথ্য জানান।

ফরিদপুর-১ সংসদ সদস্য মো. ইলিয়াস মোল্লা লিখিত প্রশ্ন রেখে বলেন, ঢাকা-কমলাপুর থেকে ফরিদপুর-রাজবাড়ী হয়ে মধুখালি, বোয়ালমারী দিয়ে গোপালগঞ্জ পর্যন্ত কোনো রেলগাড়ি পরিচালনা করার পরিকল্পনা আছে কিনা?

জবাবে শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের অধীনে এই বছরে ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে ভারত থেকে ২০০ ব্রডগেজ কোচের সরবরাহ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর নাগাদ ২০০টি ব্রডগেজ ক্যারেজ বাংলাদেশ রেলওয়ে বহরে যুক্ত হবে মর্মে আশা করা যায়। ক্যারেজগুলো সরবরাহ পাওয়া সাপেক্ষে নতুন ট্রেন পরিচালনার বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে রুট নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা পর্যন্ত চলাচল করছে। তাছাড়া আন্তঃনগর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাটল-২-এর মাধ্যমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহী এসে আন্তঃনগর পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে করে ঢাকা পর্যন্ত যাতায়াত করার সুবিধা রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে ইঞ্জিন, কোচ ও ক্রুর অভাবে ১৯টি মেইল/কমিউটার ও ২১টি লোকাল ট্রেন চলাচল বন্ধ আছে এবং প্রতিদিন ৭/৮টি মালবাহী ট্রেন পুশব্যাক হচ্ছে।

পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পহেলা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলসহ দেশের ১০টি জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) সরকারি এক তথ্যবিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, পহেলা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলসহ বাংলাদেশের ১০টি জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থেকে কৃষকদের মধ্যে কার্ড বিতরণ করবেন।

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।