খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাপ্তাই ইসকনের তীর্থযাত্রার নৌকা ডুবি : ৪দিনপর রাঙ্গুনিয়ায় মিলল নিখোঁজ মা-ছেলের লাশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:২৬ অপরাহ্ণ
কাপ্তাই ইসকনের তীর্থযাত্রার নৌকা ডুবি : ৪দিনপর রাঙ্গুনিয়ায় মিলল নিখোঁজ মা-ছেলের লাশ

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : কাপ্তাই কর্ণফুলি নদীতে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের (ইসকন)’র তীর্থযাত্রার নৌকা ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ থাকা মা-ছেলের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিখোঁজের প্রায় চারদিন পর আজ মঙ্গলবার ১৮ ফেব্রুয়ারি সকালে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটা এলাকায় কর্ণফুলী নদী থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত লাশ দুটি হলো মিরসরাই উপজেলার জোরারগন্জের রাজীব মজুমদার এর শিশু পুত্র বিজয় মজুমদার (৫) এবং তার স্ত্রী টুম্পা মজুমদার (৩০)।

তথ্যটি নিশ্চিত করে রাঙ্গুনিয়া থাকার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সকালে নদীতে ভাসমান অবস্থায় দুটি লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ দুটি উদ্ধার করে।

এর আগে চট্টগ্রামের নন্দনকানন এলাকার রাধামাধব মন্দির থেকে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) ১২৭ জন সদস্য ৩টি বোট যোগে কাপ্তাইয়ের শীলছড়ি ভ্রমনে যায়।

যাওয়ার পথে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার কাপ্তাই উপজেলার কেপিএমের কয়লার ডিপো সংলগ্ন কর্ণফুলী নদীতে ৪৭ জন তীর্থযাত্রী নিয়ে একটি নৌকা ডুবে যায়। ঘটনার দিন প্রাণ হারিয়েছে চট্টগ্রামের হাজারী গলির রতন দে’র কন্যা দেবলীনা দে (১০)। আরো খবর : ইসকনের তীর্থযাত্রার নৌকাডুবি, এখনও নিখোঁজ মা-ছেলে

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা ঘটনাস্থলে গিয়ে নৌকাটির সকল যাত্রীকে উদ্ধার করতে পারলেও নিখোঁজ ছিলেন মা ছেলে। দুদিন নদীতে অনেক তল্লাশি চালিয়ে টুম্পা ও তার ছেলের কোনো খোঁজ মেলেনি।

অবশেষে চার দিন পর আজ মঙ্গলবার সকালে ২৭ কিলোমিটার দূরে রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী নদীতে তাদের লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন এবং পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…