খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে অবহেলায় ভাষা সৈনিক দবিরুলের স্মৃতিসৌধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১০:০৬ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে অবহেলায় ভাষা সৈনিক দবিরুলের স্মৃতিসৌধ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃবাহান্নর ভাষা আন্দোলনে যেসব ভাষা সৈনিকদের অবদান রয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম একটি নাম ঠাকুরগাঁওয়ের ভাষাসৈনিক এ্যাড. মরহুম দবিরুল ইসলাম। যার স্মৃতি রক্ষায় আজও জাতীয়ভাবে নেওয়া
হয়নি কোন উদ্যোগ।

১৯৫২ সালে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবীতে কারা বরণ করেন এ মহান মানুষটি। দবিরুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট সরকারের একজন প্রভাবশালী এমএলএ। ভাষা আন্দোলন ও পাকিস্তানবিরোধী আন্দোলনে তাঁর জোড়ালো ভূমিকার কারণে তাঁকে অসংখ্যবার জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল। তাঁর এ অবদান বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতেও স্থান পেয়েছে।

মরহুম দবিরুল ইসলামের স্মৃতি রক্ষায় সরকারিভাবে আজ পর্যন্ত তেমন কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ভাষাসৈনিক হিসেবে তিনি আজও পাননি কোনো স্বীকৃতি।

তবে ঠাকুরগাঁও শহরের সাধারণ পাঠাগারের পাশে দীর্ঘদিন পূর্বে তাঁর নামে ছোট একটি স্মৃতিস্তম্ভ স্বরুপ একটি পিলার দাঁড়িয়ে থাকলেও পরবর্তীতে ২০১৪ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মূকেশ চন্দ্র বিশ্বাস এটি সংস্কারের উদ্যোগ নেন। তবে সারা বছরই তা অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে থাকলেও ২১ শে ফেব্রুয়ারী এলেই মল মূত্রে ঘেড়া এ স্মৃতিস্তম্ভে বালু ছিটিয়ে রং করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী জানান, মহান এ ভাষা সৈনিকের স্মৃতিস্তম্ভটি যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষনের অভাবে পরিত্যাক্ত
অবস্থায় পড়ে রয়েছে। অবাক লাগে যখন দেখি লোক জনেরা এখানে মল মুত্র ত্যাগ করে। তাঁর কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ তাঁকে বা তাঁর পরিবারকে জাতীয়ভাবে আজও কোন সম্মাননা দেওয়া হয়নি। এটা জাতী হিসেবে আমাদের জন্য লজ্জা জনক।

মরহুম দবিরুল ইসলামের পরিবারের সদস্যগন দাবি জানিয়ে বলেছেন, যেহেতু সরকার প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কলেজকে জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়েছে। এমতাবস্থায় ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার লাহিড়ী ডিগ্রি কলেজটিকে জাতীয়করণ করে এটির নাম ভাষাসৈনিক অ্যাডভোকেট দবিরুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজ ঘোষণা করা হলে সামান্য হলেওএ ভাষা সৈনিকের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। এ ব্যাপারে তাঁরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম জানান, ভাষা সৈনিক দবিরুল ইসলামের স্মৃতিস্তম্ভটি আসলেই অবহেলায় পড়ে রয়েছে। আমরা অনতিবিলম্বে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এটি সংরক্ষণ ও সংস্করনের যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহণ করবো।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…