খুঁজুন
রবিবার, ১৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভাষা দিবসে ছিন্নমূলদের পেট ভরে খাওয়াল পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৪:১২ অপরাহ্ণ
ভাষা দিবসে ছিন্নমূলদের পেট ভরে খাওয়াল পুলিশ

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে গভীর রাতে ছিন্নমূল, গরীব ও অসহায় লোকজনকে পেট ভরে খাবার খাওয়াল জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাতে পাঁচবিবি রেলস্টেশন এলাকায় গরীব ও অসহায়দের জন্য এ পিকনিকের আয়োজন করা হয়।

সেখানে শতাধিক ছিন্নমুল ও অসহায় ব্যক্তিদের খাবার বিতরণ করেন পাঁচবিবি থানার পুলিশ সদস্যরা।

এসময় থানার তদন্ত কর্মকর্তা রাইসুল ইসলাম, সেকেন্ড অফিসার এসআই ফারুক হোসেনসহ থানার পুলিশ সদস্যরা তাদের সঙ্গে বসে খান।

গভীর রাতে অসহায়দের খাবার খাইয়ে প্রশংসায় ভাসছে পাঁচবিবি থানা পুলিশ। গভীর রাতে এই দৃশ্য দেখে এক ট্রেনযাত্রী জানান, ভাষা দিবসে এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাতে এমন কর্মসূচি বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

স্টেশন এলাকার হতদরিদ্র মনিরা বেগম বলেন, ‘পুলিশ স্যাররা আমাদের আজ পেট ভরে খাওয়ালেন। আমরা তাদের জন্য ও শহীদদের জন্য প্রাণ ভরে দোয়া করব।’

পৌর এলাকার দানেজপুর মহল্লার হোটেল কর্মচারী মান্নান মন্ডল বলেন, ‘এবার পাঁচবিবিতে ভাষা শহীদদের শুধু ফুল দিয়েই শ্রদ্ধা জানানো হয়নি, তাদের রূহের মাগফেরাত কামনায় ওসি শতাধিক গরীবকে পেট ভরে খাইয়েছেন। এমন উদ্যোগ দেশের সব থানার নেয়া উচিত।’

থানার অফিসার ইনচার্জ মনসুর রহমান বলেন, ‘এসব গরীব-অসহায় লোকগুলো অর্থের অভাবে সব সময় ভালো খেতে পারেন না। এ কারণে থানার সব পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতায় মুজিববর্ষ ও ভাষার মাসে তাদেরকে একবেলা পেট ভরে খাওয়ানো হয়েছে।’

Feb2

পটিয়া প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
পটিয়া প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

আবদুল্লাহ আল নোমান, পটিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :চট্টগ্রামের পটিয়ায় পটিয়া প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দি কিং অব পটিয়া কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু জাফর চৌধুরী।

পটিয়া প্রেস ক্লাবের এডহক কমিটির আহ্বায়ক নুর হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আহমদ উল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি আবদুল হাকিম রানা।

এসময় বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এস এম এ কে জাহাঙ্গীর, কমিটির সদস্য আবদুস সোবহান, রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এটিএম তোহা, আবদুর রাজ্জাক, শফিউল আজম, রবিউল আলম ছোটন, সেলিম চৌধুরী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন অধ্যক্ষ আবু তৈয়ব, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মান্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর মোহাম্মদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমীর মো. সেলিম, কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ এসোসিয়েশনের সভাপতি আবুল হোসাইন, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম কিবরিয়া, মাস্টার শ্যামল দে, জেলা ছাত্রদল নেতা তারেকুর রহমান তারেক, ছাত্রনেতা আশিকুল মোস্তফা তাইফু, অধ্যাপক রেজাউল করিম আনসারী, বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সৈয়দ মো. মোদাচ্ছের এবং কর্ণফুলী প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব মো. আয়াজ।

এছাড়া প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফারুকুর রহমান বিনজু, সুজিত দত্ত, এসএম রহমান, কামরুল ইসলাম, তাপস দে আকাশ, ওবাইদুল হক পিবলু, শাহজাহান চৌধুরী, আবদুল্লাহ আল নোমান, এস এম জুয়েলসহ অনেকে।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পবিত্র মাহে রমজান আত্মশুদ্ধি, সংযম ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। এই শিক্ষাকে ধারণ করে সমাজে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির স্বার্থে ছোটখাটো বিভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

আলোচনা সভা শেষে প্রয়াত সকল সাংবাদিকের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং দেশ ও জাতির সার্বিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

চট্টগ্রামে সন্দ্বীপবাসীর অংশগ্রহণে বিএনপি পরিবারের দোয়া ও ইফতার মাহফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে সন্দ্বীপবাসীর অংশগ্রহণে বিএনপি পরিবারের দোয়া ও ইফতার মাহফিল

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য (কেন্দ্রীয় দপ্তরে দায়িত্বপ্রাপ্ত) তারিকুল আলম তেনজিং-এর সৌজন্যে, আনিসুর রহমান আনিস, নজরুল ইসলাম খোকা ও নাজিম উদ্দিনের আন্তরিকতায় চট্টগ্রামে অবস্থানরত সন্দ্বীপবাসীদের নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবারের উদ্যোগে হালিশহরের চুনা ফ্যাক্টরিস্থ গ্রীনভ্যালি রেস্টুরেন্টে এক “দোয়া ও ইফতার মাহফিল” অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার (১৩ মার্চ) অনুষ্ঠিত এ মাহফিলে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, দলীয় কর্মী-সমর্থক এবং চট্টগ্রামে বসবাসরত সন্দ্বীপের বাসিন্দারা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সন্দ্বীপের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে এলাকায় মাদকের বিস্তার, ঈদকে কেন্দ্র করে অকটেন সংকটের অজুহাতে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রাখা এবং যাতায়াতসংক্রান্ত ভোগান্তির বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। এসব সমস্যার দ্রুত সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারিকুল আলম তেনজিং বলেন, সন্দ্বীপবাসীর যাতায়াতকে আরও জনবান্ধব ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে নৌপথে নিয়মিত যোগাযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি স্পিডবোট ভাড়া স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি ঈদযাত্রাকে নিরাপদ ও আনন্দদায়ক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে শেষে দেশ, জাতি এবং সন্দ্বীপবাসীর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

হাদির হত্যাকারীদের পালাতে ‘সহায়তাকারী’ ফিলিপ সাংমাও পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
হাদির হত্যাকারীদের পালাতে ‘সহায়তাকারী’ ফিলিপ সাংমাও পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেনকে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশে সহায়তার অভিযোগে ফিলিপ সাংমা নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। তিনি বাংলাদেশের নাগরিক বলে জানানো হয়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যের নদীয়া জেলার শান্তিপুরের কাছ থেকে তাকে আটক করা হয়।

সূত্র জানিয়েছে, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের অধিবাসী ফিলিপ সাংমাকে আটকের বিষয়টি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের পক্ষ থেকে কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সূত্র খবর পেয়ে ফিলিপ সাংমাকে গ্রেপ্তার করে স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফিলিপ সাংমা স্বীকার করেন যে, তিনি ফয়সাল করিম এবং আলমগীরকে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকতে সহায়তা করেন। বাংলাদেশে গ্রেপ্তার এড়াতে পরে তিনি নিজেও অবৈধভাবে ভারতে ঢুকে পড়েন।

গ্রেপ্তারের পর ফিলিপ সাংমাকে আদালতে তোলার পর এখন পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে এসটিএফ।

এর আগে, গত সপ্তাহে হাদি হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেনকে বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফ। ৩৭ বছর বয়সী ফয়সাল করিম মাসুদের বাড়ি বাংলাদেশের পটুয়াখালী এলাকায় এবং ৩৪ বছর বয়সী আলমগীর হোসেনের বাড়ি ঢাকায়। পরে পশ্চিমবঙ্গের বিধাননগর মহকুমা আদালত তাদের ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডের নির্দেশ দেন।

২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের কিছুক্ষণ পর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে রিকশায় থাকা অবস্থায় ওসমান হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তাকে মাথায় গুলি করার পর দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদিকে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছিল সিঙ্গাপুরে। ছয় দিন পর সেখানে মৃত্যু হয় তার।

হামলাকারী হিসেবে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ফয়সাল করিম এবং তার সহযোগী আলমগীরকে পুলিশ চিহ্নিত করলেও তাদের ধরতে পারেনি।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, ১২ ডিসেম্বর হামলা চালিয়ে ওই দিনই ফয়সাল ও আলমগীর ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান।

সেসময় পুলিশ জানিয়েছিল, তাদের সীমান্ত পার করতে আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। আর তা করেছিলেন নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের নেতা তাইজুল ইসলাম চৌধুরী (বাপ্পী)। সীমান্তে দালালদের সহায়তায় ফয়সাল ও আলমগীরকে পার করে দেওয়া হয়।

হালুয়াঘাট সীমান্তে টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে মানুষকে সীমান্ত পারাপার করে- সেই এলাকায় এমন কিছু দালাল রয়েছে। তাদের একজন ফিলিপ সাংমা। তার বাড়ি হালুয়াঘাট সীমান্তসংলগ্ন ভুটিয়াপাড়া গ্রামে।

এর আগে, অভিযান চালিয়ে ফিলিপের দুজন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, ফয়সাল ও আলমগীরকে পার করানোর পর টেলিভিশনের খবর দেখে তারা বুঝতে পারেন, তারা ঢাকায় বড় ঘটনা ঘটিয়ে এসেছে। এরপর ফিলিপকে সতর্ক করলে তিনিও আত্মগোপনে চলে যান।

এদিকে হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফিলিপকে নিয়ে তিনজন গ্রেপ্তার হলেন ভারতে। গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সাল ও আলমগীরকে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

হাদির হত্যাকাণ্ডের মামলায় দেশে এ পর্যন্ত ১২ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। তারা সবাই অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি। তাইজুলসহ দুজন এখনো পলাতক।

গত ৭ জানুয়ারি এ হত্যা মামলায় ১৭ জনকে আসামি করে গোয়েন্দা পুলিশ অভিযোগপত্র দিয়েছিল আদালতে। তবে মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের নারাজির পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। বর্তমানে এই মামলার তদন্ত করছে সিআইডি।