খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম নগরে মিনি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনে আগ্রহ ডেনমার্কের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৭:০২ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম নগরে মিনি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনে আগ্রহ ডেনমার্কের

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় মিনি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনে সহযোগিতা করবে ডেনমার্ক সরকার। সোমবার বিকেলে টাইগারপাস সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম.নাছির উদ্দীনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এসট্রাপ পিটারসেন এ কথা বলেন।

ওই সময় উপস্থিত ছিলেন ডেনমার্ক দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর জেকব কাহল জেপসেন,ফায়ার এক্সপ্রেসেস এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর হেনরিক নাবাই চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে: কর্ণেল সোহেল আহমদ, সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী,প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মফিদুল আলম, সিটি মেয়রের একান্ত সচিব মো. আবুল হাশেম, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ একেএম রেজাউল করিম ও তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মিষ্টার হেনরিক অগ্নি নিরাপত্তার কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি কার্যকারীতা সম্পর্কে একটি তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন। সরু রাস্তায় ও বহুতল ভবণে আগুন লাগলে অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রের সাহায্যে তা দ্রুত নেভানোর সক্ষমতা এ তথ্যচিত্রে তুলে ধরা হয়।

চট্টগ্রাম নগরীতে এই অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য ডেনমার্ক সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তত বলে বাংলাদেশস্থ ডেনমার্ক রাষ্ট্রদুত সিটি মেয়রকে অবহিত করেন। এব্যাপারে তিনি সিটি মেয়রের সহযোগিতা কামনা করেন।

ডেনমার্ক রাষ্ট্রদূত ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় মিনি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনসহ বাংলাদেশের সঙ্গে ডেনমার্কের সহযোগিতার ক্ষেত্র সমূহ সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম.নাছির উদ্দীনকে বৈঠকে জানান।

এই প্রসঙ্গে সিটি মেয়র ডেনমার্ক রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতাত্তোর সময়ে ডেনমার্ক সরকার এদেশের উন্নয়নে সরাসরি অংশ নিয়েছে। তারা বাংলাদেশে পরিবহন,পানি পরিবহন,কৃষি,মৎস্য,গ্রামীণ উন্নয়ন,প্রযুক্তি ইত্যাদি খাতে সহায়তা প্রদান করেছে। এই জন্য তিনি ডেনমার্ক বাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে সেই দেশের সরকার ও জনগনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি বলেন,সাগর নদী ও পাহাড় পর্বত বেষ্টিত এই শহর। দেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর ও বাণিজ্যিক রাজধানী। জীবন জীবিকার তাগিদে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ ছুটে আসে এ শহরে। এই নিম্ন আয়ের মানুষ বস্তি ও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করে থাকে।

বর্তমানে এ শহরে লোক সংখ্য ৭০লক্ষ বলে তিনি রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন। তিনি বলেন ঘন বসতি কারণে প্রায়শ: শুস্ক মৌসুমে অগ্নিকান্ড সংঘঠিত হয়ে থাকে। এতে জান-মালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তাই অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়নের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের সরু রাস্তায় ও বহুতল ভবনে আগুন লাগলে তা দ্রুত নেভানোর লক্ষে ভ্রাম্যমান মিনি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান সিটি মেয়র।

মেয়র এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। বৈঠকে দ্বি পাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ঠ বিষয় নিয়ে তাঁর আলোচনা করেন। রাষ্ট্রদূত সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে এসে পৌঁছলে সিটি মেয়র তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মনোগ্রাম খচিত ক্রেস্ট উপহার প্রদান করেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…