খুঁজুন
, ,

হরিণের চামড়ার উপর সৌম্যের আশীর্বাদ, পড়বেন শাস্তির মুখে!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 25 February, 2020, 1:04 am
হরিণের চামড়ার উপর সৌম্যের আশীর্বাদ, পড়বেন শাস্তির মুখে!

বিয়ের আশীর্বাদে হরিণের চামড়ার আসন বানিয়ে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার সৌম্য সরকার। এবার পড়তে পারেন আইনি ঝামেলায়। বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট জানিয়েছে, অপরাধ প্রমাণিত হলে সৌম্যর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আগামী বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) কুমারী প্রিয়ন্তি দেবনাথ পূজার সঙ্গে সাতপাকের বন্ধনে জড়াবেন সৌম্য। তার আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারি তার আশীর্বাদ সম্পন্ন হয়। আশীর্বাদ অনুষ্ঠানে তাকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের একটি হরিণের চামড়ার ওপর বসে এবং দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় কয়েকটি ছবি প্রকাশ হয়।

এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এদিকে সাতক্ষীরায় বেশ কয়েকজন সংবাদমাধ্যমকর্মী জানিয়েছেন, তারা সৌম্য সরকারের বাড়ির দেয়ালে হরিণের একটি মাথাও ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেছেন।

বিষয়গুলো সামনে আসার পর সৌম্য সরকারকে নিয়ে ফেসবুকে রিরূপ মন্তব্য করেন তার ভক্তরা। কেউ কেউ এটাকে বাড়াবাড়ি বলেও উল্লেখ করছেন।

কেননা, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের ধারা ৬ অনুযায়ী, লাইসেন্স ও পারমিট প্রাপ্ত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কারো কাছে কোনো বন্যপ্রাণী, বন্যপ্রাণীর অংশ পাওয়া যায় অথবা তা থেকে উৎপন্ন দ্রব্য ক্রয়, বিক্রয়, আমদানি-রপ্তানি করেন আর যদি অপরাধ প্রমাণিত হয় তাহলে সর্বোচ্চ এক বছরের সাজা অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে। একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটলে তিন বছরের সাজা অথবা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা জরিমানা।

সে হিসেবে অনেকে সৌম্য সরকারের অপরাধ যদি সত্যি হয়; তাহলে তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা উচিত বলে অনেক মন্তব্য করেছেন। তারা উদাহরণ হিসেবে ভারতে সালমান খান, আর্জেন্টিনায় ম্যারাডোনাকে সামনে নিয়ে আসছেন। তারা এ ধরনের অপরাধে জেল খেটেছেন।

এ বিষয়টি নিয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা জানতে পেরেছি ওই চামড়া পূর্বপুরুষদের হাত বদল হয়ে তাদের কাছে এসেছে। বিয়ের আশীর্বাদে এভাবে চামড়ার ব্যবহার তাদের পারিবারিক ঐতিহ্য। এই চামড়াটাও অনেক পুরনো। তারপরেও জাতীয় পর্যায়ের একজন খেলোয়াড় হিসেবে এটা করা তাদের উচিৎ হয়নি।

তবে হরিণের চামড়া ইস্যুতে শক্ত অবস্থানে বন বিভাগ। তারা এ বিষয়ে কোনরকম ছাড় দিতে নারাজ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বন বিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিচালক এস এম জহির উদ্দিন আকন জানান, তথ্য পেয়ে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে বন বিভাগ। প্রাথমিক কিছু তথ্যও পাওয়া গেছে। দোষী প্রমাণিত হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Feb2
Feb2

মানবতাবিরোধী অপরাধ : ওবায়দুল কাদেরসহ সাত জনের মামলার রায় আগামীকাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 14 September, 2026, 1:32 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধ : ওবায়দুল কাদেরসহ সাত জনের মামলার রায় আগামীকাল

কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামীকাল (মঙ্গলবার) ঘোষণা করা হবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেন। প্যানেলের বাকি দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

এ মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক।

এর আগে, ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হলে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দেন মোট ২৯ জন সাক্ষী।

চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন একই আদালত।

প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা জুলাই-আগস্টে আন্দোলন দমনে সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানানোসহ একাধিক বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা করেন। কোথাও কোথাও সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখেন। তাদের এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য।

খুলশীর ওসিসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 14 September, 2026, 9:01 am
খুলশীর ওসিসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও দুই উপ-পরিদর্শকসহ আটজনের বিরুদ্ধে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট, মারধর ও রাবার বুলেট নিক্ষেপের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন মো. জাবেদ (৬৬) নামের এক ব্যক্তি।

তিনি চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াকিল হোসেন ওরফে বিহারী বগার বাবা।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন জাবেদ।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এস এম মইনুল ইসলাম বলেন, আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন, খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিম, এসআই (নিরস্ত্র) মো. শাহ পরান, এসআই (নিরস্ত্র) মো. আনোয়ার হোসেন, জালালাবাদ এলাকার বাসিন্দা মেম্বার বাবু প্রকাশ যুবলীগ বাবু, পাহাড়তলী কলেজ এলাকার বাসিন্দা মো. মিজানুর রহমান, পশ্চিম খুলশীর আমান উল্লাহ আমান, নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির আরিফ প্রকাশ, ভুয়া সাংবাদিক আরিফ ও একই এলাকার আসাদ উল্লাহ।

মামলার আরজিতে বলা হয়, গত ৪ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে খুলশী থানার ১৩ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের ওয়্যারলেস মোড়ে বাদীর বাড়িতে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে ভাঙচুর, লুটপাট ও মারধর করা হয়। এ সময় রাবার বুলেট নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। এতে প্রায় ১৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বাদী।

আদালতে দায়ের করা অভিযোগে জাবেদ বলেন, আসামিরা তার বসতঘরে প্রবেশ করে আসবাবপত্র, দরজা, জানালা ও অন্যান্য মালামাল ভাঙচুর করেন। এতে আনুমানিক তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়। পরে তার পুত্রবধূ রীখা বেগমের ঘরে প্রবেশ করে ওয়ারড্রব ভেঙে নগদ আট লাখ টাকা ও প্রায় তিন ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, লুটপাটে বাধা দিলে রীখা বেগমের শ্লীলতাহানি করা হয়। বাদী ও তার পুত্রবধূকে মারধর করে আহত করা হয়। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সদস্যরা রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেন। এতে কয়েকজন আহত হন বলে দাবি করেছেন বাদী।

মামলার বাদী অভিযোগ করেন, ঘটনার প্রতিবাদ করায় তাকে ও পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও মাদক মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। ভয়ে তারা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা না নিয়ে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছ থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন বলে মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পুলিশ সদস্যরা সরকারি ক্ষমতা ও দায়িত্বের অপব্যবহার করে বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালান। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ দেওয়ার চেষ্টা করেও কার্যকর ব্যবস্থা না পাওয়ায় আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন বাদী।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ আগস্ট নগরীর পাহাড়তলী কলেজের এক শিক্ষককে তুলে নিয়ে মারধরের ঘটনায় খুলশী থানায় মামলা হয়। ওই মামলায় ওয়াকিল হোসেন ওরফে বগাকে আসামি করা হয়। মামলা হওয়ার পর গত ৪ সেপ্টেম্বর ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে ওয়াকিল হোসেনকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় তার অনুসারীরা রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে পুলিশের পথ আটকে দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং পুলিশের ওপর হামলা করা হয় বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। পরে পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশ সদস্যকে আহত করার ঘটনায় ২১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 13 September, 2026, 9:27 pm
নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার ও ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বিদ্যমান গ্যাসক্ষেত্রের পাশাপাশি নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক জ্বালানি কোম্পানি শেভরনকে আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেভরনের বেস অ্যাসেটস ও উদীয়মান দেশবিষয়ক প্রেসিডেন্ট জাভিয়ার লা রোসার নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, সাক্ষাতে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে দেশে বিদ্যমান ও পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনের বিনিয়োগের বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শেভরন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শু শিয়ংসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।