খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুজিববর্ষে অধিকার বঞ্চিতরা নাগরিক সুবিধা পেলে কমবে অপরাধ প্রবণতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৯:১৮ পূর্বাহ্ণ
মুজিববর্ষে অধিকার বঞ্চিতরা নাগরিক সুবিধা পেলে কমবে অপরাধ প্রবণতা

ঢাকা-চট্টগ্রামসহ সারাদেশে পথে বসবাসকারিদের বিরাট একটা অংশ অসহায় পথশিশু আর বৃদ্ধ। তারা পথে বসবাস করে এবং পথই তাদের একমাত্র ঠিকানা। তারা জানে না জীবনে আলো-অন্ধকার, সত্য-মিথ্যার পার্থক্য তারা বুঝেনা ভালো মন্দের পার্থক্য। এই আধুনিক যুগে জন্মগ্রহণ করেও গুহায় বসবাস করা আদিম মানুষের জীবনমান থেকে তাদের জীবনমান উন্নত নয়। তাদের আচার-আচরণে আজও রয়েছে কুসংস্কার, বর্বরতা অপরাধ প্রবণতা। এরা অপরাধ করলে তাদের হাতেনাতে না ধরতে পারলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে ভালোই বেগ পেতে হয় এদের খুঁজে বের করতে। কারণ এই মানুষদের পরিচয় নেই তাই তারা খুব সহজেই হারিয়ে যেতে পারে স্থান ত্যাগের মাধ্যমে।

আমি তাদের জীবনের কয়েকটি ইতিবাচক ও নেতিবাচক বিষয় যা তাদের সাথে সরাসরি মিশে অনুভব করেছি ও তাদের থেকে জেনেছি।

খাদ্যের অভাবে তারা ডাস্টবিনের পরিত্যক্ত খাবার গ্রহণ করে এবং তারা তা ভাগ করে খেতে হয় কুকুরের সঙ্গে।

ক্ষুধার্ত, অসহায়, রুগ্ন, নির্যাতিত, এবং নাগরিক অধিকারবঞ্চিত মানবসন্তান। ( এদের কোন জাতীয় পরিচয় পত্র নেই) যার ফলে তারা নিজ সন্তানদের স্কুলে ভর্তি করাতে পারে না। এবং পরিচয় হীনতার কারণে এদের মাঝে অপরাধ প্রবণতা বেশী। যার ফলে তারা ভয়ানক অপরাধের সাথে জড়িত থাকে।

তারা তাদের সারাটি জীবন পার করে অপ্রয়োজনীয় ভারী বোঝা বহন করে। তারা নিজেই জানে না এই বোঝা কতদিন বহন করতে হবে। এক সময় ঐ বোঝা ও বয়সের ভারে জটিল কঠিন রোগে আক্রান্ত হয় কিন্তু তারা সঠিক চিকিৎসা ও পায় না অনেক সময় পরিচয়ের অভাবে।

শিশু বা বৃদ্ধ তাদের সকলের সাথে কুকুর দেখা যায় কারণ ওরা কুকুরকে আপন ভাবে এবং খুব ভালোবাসে।তারা চিন্তা করে কুকুর আর তাদের মাঝে কোন পার্থক্য নাই৷ কিন্তু কুকুর দ্বারা তারা রোগে আক্রান্ত হতে পারে বা কুকুর তাদের ক্ষতি করতে পারে তা তারা ভাবে না। দেখা যায় অনেক ৪/৫ বছরের ও কম বয়স্ক শিশু কুকুরের মুখে হাত দিয়ে খেলা করে এবং কুকুরকে জড়িয়ে ধরে ঘুমায় যা একটি শিশুর জন্য বড় দূর্ঘটনা বয়ে আনতে পারে।

সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে আমরা প্রত্যেক মানুষই তার নিজ সমাজের কাছে দায়বদ্ধ। সমাজকে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখার দায়িত্বটাও প্রত্যেক মানুষেরই। তাই সুস্থ ও স্বাভাবিক সমাজ গঠনের সত্যিকার মানসিকতা নিয়ে চট্টগ্রাম সহ সারা বাংলাদেশে অসহায় ও বৃদ্ধদের পাশে এসে আমাদের দাঁড়াচ্ছে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন এর মত বহু সংগঠন।যাদের সেবামূলক কার্যক্রমের ফলে অসহায় বৃদ্ধ ও শিশুরা খুবই উপকৃত হচ্ছে। তাদের জীবনের বৃহৎ পরিবর্তন না হলেও তারা কিঞ্চিৎ আনন্দ পাচ্ছে। খুবই ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে ঠিক তখনই যখন এই অসহায় বৃদ্ধ নারী-পুরুষ বা শিশু তারা তাদের নাগরিক অধিকার পাবে এবং তৈরী হবে তাদের পরিচয়। দূর্ভাগ্যবশত হলেও সত্য অসহায় নারী বা পুরুষ বৃদ্ধদের এমব আপন লোকের সংখ্যা নেই বললে চলে যে তার উপকারে আসবে।

আমাদের দেশে জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরী করতে যে জটিলতা তা ওদের জন্য মওকুফ করে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন বা পড়া মহল্লার মাধ্যমে তাদের জাতীয় পরিচয় পত্রে নজর দেয়া উচিৎ। একজন মানুষ জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরী করতে নাগরিকত্বের যা যা প্রমাণ দেখাতে হয় তার ৮০% এদের কাছে নাই। তাই জাতীয় পরিচয় পত্র করা সম্ভব হয় না তাদের। বাংলাদেশে এখন বর্তমানে রোহিঙ্গা বসবাস করছে এর জনসংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমন একটা সময় আসবে যেদিন আমরা নিজের দেশের এই অসহায় মানুষদের রোহিঙ্গা মনে করে বের করে দিবো। বা এমন ও দিন আসতে পারে এদের দ্বারা অনেক বড় অপরাধ সংগঠিত হবে শুধুমাত্র পরিচয় পত্রের অভাবে তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। সেদিন হয়তো অনেক বড় ক্ষতি হবে।

এদের জাতীয় পরিচয় পত্র করলে আমাদের দেশে অপরাধ প্রবণতার হার হ্রাস পাবে।কারণ ফিঙ্গারপ্রিন্ট দ্বারা যে কোন ব্যাক্তি বা অপরাধী সনাক্ত করা সহজ। আমি মনে করি আমাদের দেশ থেকে অসহায় মানুষদের বৃহৎ উপকার হবে এ বিষয়ের মাধ্যমে। এবং অপরাধ প্রবণতা কমে যাবে শতভাগ তাছাড়া নিজের পরিচয় তৈরী করতে পারা মানুষের সব চেয়ে বড় অধিকার। মুজিব শতবর্ষে আমাদেরও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় নেতাদের পক্ষ থেকে এমন একটি ঘোষণার প্রত্যাশা ছিল মুজিব শতবর্ষ গণনার পর থেকে। কিন্তু এ বিষয়ে কোন বিষয়ের দেখা মিলে নি।বঙ্গবন্ধু এমন একটি নাম যিনি না জন্মালে আমরা পেতাম না বাংলা। তার জন্মশত বার্ষিকীতে যদি একশ জন অসহায় মানুষের নতুন করে পুণঃজন্ম হতো তাহলে জন্ম শত বার্ষিকীর আনন্দ বেড়ে যেত বহুগুনে৷ একজন সমাজকর্মী হয়ে এমনটা প্রত্যাশা করা স্বাভাবিক তবে বাস্তবে রুপ দেয়া কঠিন।

লেখক:মুহাম্মদ আনোয়ার এলাহি ফয়সাল
প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী
আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…