খুঁজুন
শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গ্র্যান্ড ইমামদের পরামর্শ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গ্র্যান্ড ইমামদের পরামর্শ

প্রাণঘাতি নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) বিশ্বজুড়ে ৫৪টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। আগের তুলনায় চীনে আক্রান্তের ধারা কিছুটা কমলেও বেড়েছে অন্যান্য দেশগুলোতে। ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইরানের অবস্থা ভয়াবহ। ইরানের গ্র্যান্ড মুজতাহিদগণ করনোভাইরাস প্রতিরোধে ধর্মীয় ও স্বাস্থ্যবিষয়ক দিক-নির্দেশনামূলক তথ্য তুলে ধরেছেন।

ইরানের গ্র্যান্ড মুজতাহিদ আয়াতুল্লাহ সোবহানী, আয়াতুল্লাহ নাসের মাকারেম শিরাজি, আয়াতুল্লাহ ওয়াহিদ খোরাসানী এবং আয়াতুল্লাহ শোবেইর যানজানি প্রমুখ করোনাভাইরাস প্রতিরোধের জন্য মহান আল্লাহর উপর ভরসা এবং ইমামদের শরণাপন্ন হয়ে ধৈর্য সহকারে স্বাস্থ্য টিপস মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।

ইরানের করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ব্যাপকহারে বেড়ে চলছে। এ ভাইরাস সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাব ইরানের শীর্ষস্থানীয় আলেম আয়াতুল্লাহ শোবেইর যানজানি বলেন, ‘এই ভাইরাসের মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। এজন্য সকলকেই স্বাস্থ্যবিধি এবং চিকিৎসকরে পরামর্শ মান্য করতে হবে।’

দেশটির শীর্ষস্থানীয় গ্র্যান্ড মুজতাহিদরা অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছেন। তারা সে সবের উত্তর দিয়েছেন। প্রশ্ন ও উত্তরগুলো তুলে ধরা হলো-

>> চিকিৎসক এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ থাকা সত্ত্বেও সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত সন্দেহভাজন ব্যক্তি যদি এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ না করে জনসাধারণের মধ্যে প্রবেশ করে তাহলে তার বিধান কী? শরীয়তগত ভাবে চিকিৎসক এবং বিশেষজ্ঞদের এই পরামর্শ মান্য করা কী জরুরী? বিশেষত, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ থাকা সত্ত্বেও কিছু ব্যক্তি ক্লাস, ধর্মীয় ও অ-ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সমাবেশ বন্ধ করার বিষয়টা সঠিক বলে মনে করছেন না। শরীয়তের দৃষ্টিতে তাদের এধরণের কাজ কী বৈধ?

>> আয়াতুল্লাহ শোবেইর যানজানির উত্তর-
করোনাভাইরাসের মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। এজন্য সকলকেই স্বাস্থ্যবিধি এবং চিকিৎসকরে পরামর্শ মান্য করতে হবে। এই রোগের বিস্তার রোধ করতে কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে এবং এ ব্যাপারে জরুরী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আমরা আশা করি যে, আমাদের দেশের প্রিয় জনগণ সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর নির্ভর করে এবং ইমামদের শরণাপন্ন হলে এই ভয়ঙ্কর রোগ প্রতিরোধ করতে পারবে।

>> আয়াতুল্লাহ ওয়াহিদ খোরাসানী পরামর্শ
আয়াতুল্লাহ ওয়াহিদ খোরাসানী করোনাভাইরাসের উদ্বেগজনক অবস্থায় জনগণের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী অনুসরণ করার পাশাপাশি প্রতিদিন আপনাদের হৃদয়ে (বুকে) হাত রাখুন এবং সাতবার সুরা হামদ (ফাতেহা) পড়ুন।’

তিনি আরও নসিহত করেছেন যে, ‘আপনাদের হাতকে বুকের উপর রেখে প্রতিদিন সকাল ও রাতে সাতবার আয়াতুল কুরসি وَ هُوَ الْعَلِیُّ الْعَظِیمُ (ওয়া হুয়াল আলিউল আযীম) পর্যন্ত পাঠ করুন।

>> আয়াতুল্লাহ নাসের মাকারেম শিরাজি নসিহত
এক ভিডিও বার্তায় করনোভাইরাস প্রতিরোধে জনগণকে আল্লাহর প্রতি ভরসা রাখতে বলেছেন আয়াতুল্লাহ নাসের মাকারেম শিরাজি। তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘করোনাভাইরাসের ব্যাপারে জনগণকে ভয় এবং বিচলিত হলে চলবে না। মহান আল্লাহর উপর ভরসা রাখতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সব বাড়িতে জিয়ারত-এ-আশুরা এবং হাদিসের দরস পাঠ করা উত্তম। কারণ এ দরসের মাধ্যমে মানুষর আত্মিক শান্তি বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি স্বাস্থবিধিসমূহ গুরুত্ব সহকারে পালন করতে হবে এবং সাধারণ সভা ও ভিড়ের মধ্যে উপস্থিতি পরিহার করতে হবে।

মনে রাখতে হবে-
প্রতিটি মানুষের জন্য জীবন রক্ষা করা ফরজ। আর যদি কেউ এই বিষয়টি ছোট করে দেখে তাহলে তিনি আল্লাহর কাছে দায়বদ্ধ হয়ে থাকবেন।

আয়াতুল্লাহ নাসের মাকারেম শিরাজি এ বিষয়ের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন,
‘এ বিষয়ে মানুষকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। চিকিৎসকদের নির্দেশাবলী ও স্বাস্থ্যবিধি পালন করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। জনসাধারণের মধ্যে কম উপস্থিত হতে হবে এবং মহান আল্লাহর উপর ভরসা রাখতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ! এই রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে দোয়াসমূহ, জিয়ারত-এ-আশুরা এবং হাদিসের দারস বিশেষ প্রভাব সৃষ্টি করবে। আমরাও দোয়া করবো।’

তবে শর্ত হচ্ছে, জনগণের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্তৃপক্ষ যে নির্দেশনাবলী দিয়েছেন তার প্রতি মনোযোগী হতে হবে এবং সেগুলো গুরুত্ব সহকারে পালন করতে হবে।

>> আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানীর নসিহত
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানীর নসিহত হলো, প্রথমত চিকিৎসকদের পরামর্শ ন্যায়সঙ্গতভাবে মেনে চলতে হবে।

ইরানের কয়েকটি শহরে করোনারি হার্ট ডিজিজের প্রাদুর্ভাব ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। মহাবিশ্বে যা কিছুই ঘটুক না কেন মহান আল্লাহ সেগুলো সুসংহত রেখেছেন এবং এই বিষয়ে আমরা অবগত নই। সব সময় মহান আল্লাহর প্রতি মনোযোগী হতে হবে এবং জেনে রাখা উচিত যে, আল্লাহ তায়ালা সব সময় তাঁর বান্দাদের প্রতি ক্ষমাপরায়ণ ও করুণাময় থাকেন। নসিহতস্বরূপ তিনি

কুরআনের কথা তুলে ধরেন-
‘অনন্তর তাঁরই দিকে তোমাদের ফিরে যেতে হবে। অতপর তোমাদেরকে বলে দিবেন, যা কিছু তোমরা করছিলে। তিনিই স্বীয় বান্দাদের উপর প্রবল। তিনি প্রেরণ করেন তোমাদের কাছে রক্ষণাবেক্ষণকারী। এমন কি, যখন তোমাদের কারও মৃত্যু আসে তখন আমার প্রেরিত ফেরেশতারা তার আত্মা হস্তগত করে নেয়। আর তারা সামান্যতম অবহেলাও করে না।’ (সুরা আনআম : আয়াত ৬১)

এ বান্দাকে রক্ষণাবেক্ষণকারী নিযুক্তির ব্যাপারটি উঠে এসেছে। এসব রক্ষণাবেক্ষণের কাজে নিয়োজিত ফেরেশতারা মানুষের নানা রোগ-ব্যাধি, বালা-মুসিবত বা দুর্যোগ থেকে রক্ষার নিয়োজিত। সে কারণে আল্লাহর কাছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া থেকে আত্মরক্ষায় সাহায্য কামনা করা জরুরি। আল্লাহর সাহায্যেই এ ভাইরাস থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব। আগে ও পরে আল্লাহর সাহায্য লাভের মাধ্যমে এ রকম বহু মারাত্মক মরণব্যাধি থেকে মুক্তির বহু নজির রয়েছে।

আয়াতুল্লাহ সোবহানী চিকিৎসকদের পরামর্শ যথাযথ মেনে চলতে পরামর্শ দিয়েছেন। চিকিৎসকগণ বলেছেন, ‘জনসম্মুখে কম উপস্থিত হতে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে, তাদের নির্দেশ সবারই পালন করতে হবে। নিঃসন্দেহ সর্বশক্তিমান স্রাষ্টার করুণা সকলের উপর বর্তাবে।

এ রোগ থেকে বেঁচে থাকতে ধর্মীয় অনুশাসনের মেনে চলার পাশাপাশি বিশ্বনবির শেখানো দোয়ার মাধ্যমে এ ভাইরাস থেকে আত্মরক্ষায় দোয়া করাও জরুরি। মহামারী আক্রান্ত অঞ্চলের মানুষকে এ দোয়া পড়তে বলেছেন বিশ্বনবি। আর তাহলো-
اَللَّهُمَّ اِنِّىْ اَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبَرَصِ وَ الْجُنُوْنِ وَ الْجُذَامِ وَمِنْ سَىِّءِ الْاَسْقَامِ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল বারাচি ওয়াল জুনুন ওয়াল ঝুজাম ওয়া মিন সায়্যিল আসক্বাম।’ (আবু দাউদ, তিরমিজি)
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনার কাছে আমি শ্বেত রোগ থেকে আশ্রয় চাই। মাতাল হয়ে যাওয়া থেকে আশ্রয় চাই। কুষ্ঠু রোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে আশ্রয় চাই। আর দূরারোগ্য ব্যাধি (যেগুলোর নাম জানিনা) থেকে আপনার আশ্রয় চাই।’

হাদিসের বিখ্যাত গ্রন্থ তিরমিজিতে আরও একটি দোয়া উল্লেখ করাহয়েছে। যা পড়তে বলেছেন বিশ্বনবি-
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ مُنْكَرَاتِ الأَخْلاَقِ وَالأَعْمَالِ وَالأَهْوَاءِ وَ الْاَدْوَاءِ
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন মুনকারাতিল আখলাক্বি ওয়াল আ’মালি ওয়াল আহওয়ায়ি, ওয়াল আদওয়ায়ি।’
অর্থ : হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার কাছে খারাপ (নষ্ট-বাজে) চরিত্র, অন্যায় কাজ ও কুপ্রবৃত্তির অনিষ্টতা এবং বাজে অসুস্থতা ও নতুন সৃষ্ট রোগ বালাই থেকে আশ্রয় চাই।’ (তিরমিজি)

উল্লেখ্য যে, হুবেই প্রদেশে দেখা দেয়া এ ব্যাধিতে শুধু চীনেই আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৯ হাজার ২৫১ জন। মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯২২ জন। চীনা কর্মকর্তাদের তথ্য মতে, ‘এখন পর্যন্ত তারা এ ভাইরাসে আক্রান্ত ৩৯ হাজার ২ জনকে তারা চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তুলেছেন।

Feb2

‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা প্রতিহিংসার রাজনীতির ছোবল’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ২:৫০ অপরাহ্ণ
‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা প্রতিহিংসার রাজনীতির ছোবল’

জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে ফ্যাসিবাদের সময়ে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির ছোবল বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।

শুক্রবার (৫ জুন) নগরের কাজীর দেউড়ির জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দেখুন এই বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে মেজর জিয়া থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি জিয়া ঘাটে ঘাটে, ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে তাঁর যে অবস্থান সেটা বাংলাদেশকে অনেক বেশি আলোড়িত করেছে, সমৃদ্ধ করেছে। সেই রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষার্থেই এ স্মৃতি জাদুঘর। এটা আমরা দেখলাম, পরিপূর্ণভাবে দেখতে পারিনি। আজ সকালে এসেছি।

আমার পাশে আছেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, ডান পাশে চট্টগ্রামের কৃতী সন্তান মাননীয় সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম দক্ষিণের আহ্বায়ক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, জেলা প্রশাসক, আমার মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিবসহ অন্যান্য কর্মকর্তা আছেন। আমরা এটা দেখলাম। এসে শুনলাম। এর অনেক রুম আমরা খালি দেখেছি। কারণ এটা রেনোভেশন হচ্ছে। সুন্দর করে রেনোভেট করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত জিনিসগুলো সংরক্ষণ করা হবে। আমরা এরপর যাব জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সে যেটি ফ্যাসিবাদের সময়ে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা হয়েছিল সম্পূর্ণভাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি ঈর্ষা করে। এটা একটা প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির ছোবল। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স আমরা নতুন করে করব। সেটি আমরা পরিদর্শন করব। আরও কিছু স্থাপনা পরিদর্শন করব।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ দেশের স্বাধীনতায় মহান মুক্তিযুদ্ধে যে মহান ঘোষণাটি দিয়েছিলেন। সেই ঘোষণার পর একটার পর একটা উনার পদক্ষেপ ছিল। উনি যুদ্ধ করেছেন। উনি বীরউত্তম হয়েছেন। উনি সেনাপ্রধান হয়েছেন। উনি সফল রাষ্ট্রনায়ক হয়েছেন। বাংলাদেশের সমৃদ্ধির জন্য উনি একসময় বাংলাদেশের চিত্রই পাল্টে ফেলেছিলেন। যদিও ফ্যাসিবাদ এসে বারবার সেটি ভূলুণ্ঠিত করেছে। আমরা সেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি এবং তাঁর স্মৃতিগুলো সংরক্ষণের জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় সব কিছু করবে।

কত দ্রুত জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের মেরামত কাজ শেষ হবে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, আমাদের সরকার অত্যন্ত আন্তরিক এ বিষয়ে। এ জন্য আজ মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নেতৃত্বে আমরা পরিদর্শনে এসেছি। এ স্থাপনাটি এবং জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স যেটিকে পরবর্তীতে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স ঘোষণা করা হয়েছিল। এগুলো ঐতিহাসিক নিদর্শন। আগামী প্রজন্মের আসলে এগুলো জানতে হবে। তাদের এখানে আসতে হবে, দেখতে হবে। আমাদের ইতিহাস যদি না জানি তাহলে জাতি হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারব না। ভূমিকম্পের কারণে এখানে কিছু ডেমেজ হয়েছে। আমরা দ্রুততম সময়ে মেরামত করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার পদক্ষেপ নেব ইনশাআল্লাহ।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ পালিত হচ্ছে।

জাতিসংঘের মানবিক পরিবেশ সম্মেলন (ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স অন দ্য হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট) এই দিনেই শুরু হয়েছিল। এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন পর্যন্ত। তখন থেকেই প্রতি বছর এই দিবস পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি প্রথম পালিত হয় ১৯৭৪ সালে। প্রতি বছরই দিবসটি আলাদা আলাদা শহরে, আলাদা আলাদা প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে পালিত হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য- ‘প্রকৃতি থেকে প্রেরণা, জলবায়ুর জন্য, আমাদের ভবিষ্যতের জন্য’।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার এবং বিভিন্ন পরিবেশ ও উন্নয়নমূলক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস হলো পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টি ও কার্যক্রম জোরদারের জন্য জাতিসংঘের অন্যতম প্রধান উদ্যোগ। বছরের পর বছর ধরে এটি জনসচেতনতা বৃদ্ধির অন্যতম বৃহৎ বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে, যা বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে কোটি কোটি মানুষের অংশগ্রহণে পালিত হয়ে আসছে।

দৌলতদিয়া ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আবারও বাস পড়ল নদীতে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আবারও বাস পড়ল নদীতে

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাটে আবারও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস পদ্মায় পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় এখনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী এসবি পরিবহনের একটি বাস দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাট পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ে যায়। এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বাস থেকে যাত্রী নামানো অবস্থায় ছিল বলে মনে হচ্ছে।

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, বাস পদ্মায় ডুবে যাওয়ার ঘটনা শুনেছি। আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ৩ নম্বর পল্টুন থেকে কুষ্টিয়ার কুমারখালি থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী ‘সৌহার্দ্য পরিবহনে’র একটি বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। এ ঘটনায় মোট ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।