খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন কমিশনে ৪ দফা দাবীর চিঠি দিলেন ডা.শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২০, ১০:৩৫ অপরাহ্ণ
নির্বাচন কমিশনে ৪ দফা দাবীর চিঠি দিলেন ডা.শাহাদাত

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে অবাধ সুষ্ঠু এবং ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে মুখী করতে বিএনপি’র মনোনীত মেয়র প্রার্থী নগর বিএনপি’র সভাপতি ডা.শাহাদাত হোসেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর ৪ দফা সম্মিলিত একটি আবেদন পত্র দিতে সকালে লাভলীস্থ নির্বাচন কমিশনারের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামানের অফিসে যান।

এসময় ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন,আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নির্মুক্ত দাবিসমূহ বাস্তবায়িত হলে জনগণ ভোটকেন্দ্রে আসতে উৎসাহিত হবে।

ডা.শাহাদাত আরো বলেন, ভোটের পরিবেশ রক্ষার জন্য ভোটাররা যাতে নিরাপদে ভোট দিতে পারে তার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকার মাধ্যমে একটি উৎসবমুখর নির্বাচন উপহার দিতে পারে তার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি ।

দাবী সমুহের মধ্যে রয়েছে:
১ /চারদিন একনাগাড়ে ছুটির দিন হওয়ার কারণে ২৯ শে মার্চের নির্বাচনের তারিখ ৩১ শে মার্চ করা।
২/ ইভিএম এর প্রতিটি বুথে ইউনিফর্ম পরিধান রত সেনাবাহিনী অফিসার নিয়োগের মাধ্যমে ইবিএম ঞবপযহরপধষ ংঁঢ়ঢ়ড়ৎঃ এর পাশাপাশি কোন অবৈধ অনাকাঙ্ক্ষিত লোক যাতে অন্যের ভোট দিতে না পারে, সে দায়িত্বের পাশাপাশি পোলিং এজেন্টদের নিরাপত্তার দায়িত্ব ও তাদের নিতে হবে।
৩/ প্রিসাইডিং অফিসারের ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর মাধ্যমে ভোট দেওয়ার অধিকার ১% আনতে হবে। কারণ সিটি কর্পোরেশনের এর প্রায়ই ২০ লাখ ভোটের মধ্যে ৫% বোর্ড যদি প্রিসাইডিং অফিসারের আওতায় থাকে তাহলে ১ লাখ ভোট হয়।যা চাইলে তারা কাপচুপি করতে পারে, যেটাতে নির্বাচনে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়।
৪/ যেহেতু সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোতে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, বহিরাগত সন্ত্রাসীরা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করছে,কাজে এনআইডি কার্ড ছাড়া কেউ যেন ভোট সেন্টারের গেট থেকে যেন ভিতরে ঢুকতে না পারে এবং ৪০০ গজের মধ্যে কোন বহিরাগত সন্ত্রাসী যাতে জড়ো হতে না পারে তার ব্যবস্থা ইসি এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে করতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম নগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান, সহ-সভাপতি আব্দুল আজিজ, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, শফিকুর রহমান স্বপন, কাজী বলাল,শাহা আলম,আনোয়া হোসেন লিপু সাংগঠনিক সম্পাদক মন্জুরুল আলম,কামরুল ইসলাম প্রমুখ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…