খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটারের সম্মাননায় চট্টগ্রামের নাট্যজন আহাম্মদ কবীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২০, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ
জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটারের সম্মাননায় চট্টগ্রামের নাট্যজন আহাম্মদ কবীর

নাট্যচর্চায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটারের ‘নাট্যজন সম্মাননা’ পেলেন চট্টগ্রামের নাট্যকার, লেখক ও ইতিহাস গবেষক আহাম্মদ কবির।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটায় সম্মাননা গ্রহণ করেন তিনি। তার হাতে সম্মাননা তুলে দেন বিশ^বিদ্যালয়ের প্রত্মতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. একেএম শাহনেওয়াজ। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন প্রাচ্যনাটের মূখ্য সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম ইমন, জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম সাইমুম।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ‘সৃষ্টি কর্ম, বাংলা নাটক ও নাট্যজগতে তার অবদানকে সম্মান জানাতে জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার আহাম্মদ কবীরকে ‘নাট্যজন সম্মাননা’ প্রদান করেছে। এমন একজন নিষ্ঠাবান নাট্য ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা জানাতে পেরে গর্বিত জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার।’

এ সময় সম্মাননা প্রাপ্ত নাট্যজন আহাম্মদ কবির বলেন, ‘দিনটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে আজীবন। আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া এই সম্মাননা। ধন্যবাদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং থিয়েটার..’

নাট্যকার আহাম্মদ কবীরের জন্ম ১৯৫৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের পটিয়ায়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস করেন। পরবর্তীতে ড. মনিরুজ্জামানের তত্ত্বাবধায়নে ভাষা বিজ্ঞান ও পঠনের ওপর গবেষণা করেন। ১৯৭৫ সালে যাত্রাপালায় অভিনয়ের মাধ্যমে নাট্যজগতে তার প্রবেশ। ১৯৮১ সাল থেকে নিয়মিতভাবে নাটক রচনা করে চলেছেন। এখন পর্যন্ত তার রচিত নাটক ৪২টি; যার মধ্যে ৩২টি নাটকের প্রদর্শনী হয়েছে। চবি নাট্যকলা বিভাগের প্রযোজনা ‘চাঁদ মনসার কাহন’, “‘ফুলজান’, ‘পন্ডিত বিহার বিশ্ববিদ্যালয়’ ছিল তার রচনা। তার রচনায় গভীরভাবে ফুটে উঠে বাংলার ঐতিহ্য এবং বস্তুতাত্ত্বিক সমাজ বাস্তবতা। যখন দেশের অধিকাংশ নাটক এবং থিয়েটার বদ্ধমূল হয়ে আছে ইউরোপীয় ফোকলোর ধারণায়; সেই সময় তিনি ভারতীয় ফোকলোর ধারণায় বিশ্বাসী একজন নাট্যসৃজক। নীরবে, নিভৃতে ৩৯ বছর যাবৎ নিজের সৃষ্টিশীলতার মাধ্যমে সমৃদ্ধ করে চলেছেন বাংলা নাট্যভান্ডারকে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…