খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সহপাঠী হত্যার বিচার দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন 

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২০, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
সহপাঠী হত্যার বিচার দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন 

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁও সিএম আইয়ুব বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের  দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী শ্রাবণী রায় (১৫) হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (৭ মার্চ শনিবার হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সিএম আইযুব বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে শহরের চৌরাস্তায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে সহপাঠিরা।

ঘন্টা ব্যাপি এই মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা তাদের সহপাঠিনী শ্রাবনী রাণীর হত্যাকারী সোহাগের ফাঁসি দাবি করেন।

এ ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আর পুলিশ বলছে এজাহারে অভিযুক্ত আসামিকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁয়ে স্কুলছাত্রী শ্রাবণী হত্যা মামা-ভাগনির প্রেমের সম্পর্কের জের ধরেহয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

নিহতের সৎ মামা অভিযুক্ত সোহাগ বর্মণ (১৮) ঠাকুরগাঁয়ে স্কুলছাত্রী শ্রাবণী হত্যা বিষয়ে স্বীকারোক্তিও দিয়েছেন। সোহাগের এ সব স্বীকারোক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে শ্রাবণীর পরিবার।

বৃহস্পতিবার রাতে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সোহাগ বর্মণের জবানবন্দির বরাত দিয়ে এসব জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। এ সময় সদর থানার ওসি তানভীরুল ইসলাম, ওসি তদন্ত গোলাম মর্তুজা উপস্থিত ছিলেন।

গ্রেপ্তার সোহাগ পুলিশকে জানায়, প্রেমের সম্পর্কের একপর্যায়ে শ্রাবণীকে সে মন্দিরে নিয়ে সিঁদুর পড়িয়ে বিয়ে করে। পরে তাদের সম্পর্কের কথা শ্রাবণীর পরিবার জেনে গেলে মায়ের কথা মতো সোহাগের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় শ্রাবণী। সাত/আট দিন আগে শ্রাবণীকে মোবাইলে কল দিলে ওয়েটিং পাওয়ায় সোহাগ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় শ্রাবণীর বাবা-মায়ের অনুপস্থিতি টের পেয়ে শ্রাবণীর বাড়িতে গিয়ে হাজির হয় সোহাগ। দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও মারামারির একপর্যায়ে শ্রাবণী ঘরের ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ার থেকে চাকু বের করে সোহাগের ওপর চড়াও হয়। এ সময় সোহাগ শ্রাবণীকে থাপ্পড় মেরে বিছানায় ফেলে দিয়ে হাত থেকে চাকু কেড়ে নেয়। এরপর শ্রাবণীর গলায় ছুরি বসিয়ে দেয় সোহাগ। শ্রাবণী নিজের গলা চেপে ধরে বিছানা থেকে নেমে বারান্দায় গিয়ে লুটিয়ে পড়ে। এরপর আতঙ্কে ওই বাড়ি থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায় সোহাগ।

তবে সোহাগের এ সব স্বীকারোক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে শ্রাবণীর পরিবার। শ্রাবণীর পিতা ভবেশ চন্দ্র অভিযোগ করে বলেন, খুনি নিজেকে বাঁচাতে মিথ্যা অপপ্রচার করছে। তার মেয়েকে হত্যা করার ব্যবহৃত চাকুটি তাদের নয়। দীর্ঘ দিন ধরে সে শ্রাবণীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তাতে শ্রাবণী রাজি ছিল না। তাই সোহাগ পরিকল্পিত ভাবে শ্রাবণীকে হত্যা করেছে।

শ্রাবণীর মা সুমিত্রা রানী বলেন, তাদের পরিবারে একটি মাত্র মোবাইল ফোন। সেটি তিনি নিজেই ব্যবহার করেন। তার মেয়ে সেই ফোন তেমন ব্যবহার করে না। গত ১৫ দিন আগে ওই মোবাইলে সোহাগ প্রেমের প্রস্তাবের এসএমএস দিয়েছিল। বিষয়টি পরিবারের সবাই জানলেও এর বাইরে অন্য কিছুই তারা জানেন না।

বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে শহরের বরুনাগাঁও আশ্রমপাড়া এলাকার মাখনের আমবাগান থেকে সোহাগ বর্মণকে (১৮) আটক করা হয়। সোহাগ সদর উপজেলার জগন্নাথপুরের চব্বিশ টিউবওয়েল এলাকার ধীরেণ বর্মণের ছেলে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…