খুঁজুন
সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেয়র নির্বাচনে যুবদলকে জাতীয়তাবাদী ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করতে হবে:শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২০, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
মেয়র নির্বাচনে যুবদলকে জাতীয়তাবাদী ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করতে হবে:শাহাদাত

বিএনপির মেয়র প্রার্থী ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ২৯ মার্চের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার জন্য দাঁড়িয়েছি। চট্টগ্রামের জনগণ ভোট দেয়ার জন্য উদ্রগীব হয়ে বসে আছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে একটি বিজয় বেশী জরুরী।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের ৪৩টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড ও ১৫ টি থানাসহ সংশ্লিষ্ট ইউনিট নেতাকর্মীদের আগামী মেয়র নির্বাচনে কেন্দ্র ভিত্তিক কমিটি করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে জাতীয়তাবাদী ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করার আহবান জানান।

তিনি এসময় নগর যুবদলের সাংগঠনিক ও সুশৃংখল রাজনীতির ভূয়সী প্রশাংসা করে সভাপতি দিপ্তী ও সাধারণ সম্পাদক শাহেদকে ধন্যবাদ জানান। সুশৃখংল অঙ্গ সংগঠন হিসেবে নগর যুবদলকে সাথে নিয়ে আগামী ২৯ মার্চ চসিক নির্বচনে ধানের শীষ তথা গণতন্ত্র মুক্তির প্রতীক, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রতীককে বিজয়ী করার লক্ষ্যে দলীয় ভেদাভেদ ভুলে সর্বত্মকভাবে কাজ করার উদাত্ত আহবান জানান।

তিনি আজ সোমবার (৯ মার্চ) মুরাদপুরস্থ এন মোহাম্মদ কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাথে আসন্ন মেয়র নির্বাচন নিয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, চট্টলার মাটি শহীদ জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত।আমাদের এই বার আউলিয়ার পূণ্য ভূমিতে ঢাকার মত নির্বাচন চট্টলার যুবসমাজকে সাথে নিয়ে রুখে দিব। ইনশাআল্লাহ।

তিনি এ সময় নগর যুবদলের নেতাকর্মীদের স্বতস্ফূর্তভাবে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির অঙ্গ সংগঠন হিসেবে পরিবারের বড় সন্তানের মত দায়িত্ব নিয়ে কাজ করার অনুরোধ জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সি: সহসভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার জন্য গণতন্ত্রের মুক্তির প্রতীক ধানের শীষকে বিজয়ী করার জন্য জীবন বাজি রেখে ২৯ মার্চ লড়াই করতে হবে। কেন্দ্র ভিত্তিক এজেন্টদের সবচেয়ে বেশী সাহস নিয়ে সারাদিন কেন্দ্রে থাকতে হবে। যত বাঁধা আসুক। ইনশাআল্লাহ। চট্টলার জনগণকে সাথে নিয়ে ২৯ মার্চ নির্বাচনে ডা. শাহাদাত হোসেনকে বিজয়ী করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার দৃঢ় শপথ নিতে হবে।

তিনি এসময় ২৯ মার্চ নির্বাচন উপলক্ষে প্রতিটি কেন্দ্র ভিত্তিক এজেন্ট তালিকা প্রস্তুত করার জন্য নগর বিএনপি ও যুবদলকে আহবান জানান।

যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তীর সভাপতিত্বে ও যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ’র পরিচালনায় অন্যান্যের মধে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইসকান্দর মির্জা, বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান, উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি হাসান জসিম ও সাধারণ সম্পাদক এস এম মুরাদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, আজমুল হুদা রিংকু, নূর আহমদ গুড্ডু, এস এম শাহ আলম রব, সাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, ইকবাল হোসেন সংগ্রাম, ফজলুল হক সুমন, মো. ইলিয়াছ, মো. জাহাঙ্গির আলম, আবদুল করিম, আবদুল গফুর বাবুল, সাহাব উদ্দিন হাসান বাবু, মোহাম্মদ মুছা, মিয়া মো: হারুন, মনিরুল হাসান সিদ্দিকী, নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাছিম, জসিমুল ইসলাম কিশোর, মুজিবুর রহমান মুজিব, আবু সুফিয়ান, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকি, সি: যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রহমান মাসুম, মো. হুমায়ুন কবীর, ইকবাল পারভেজ, রাশেদুল হাসান লেবু, আবদুল্লাহ আল টিটু, এরশাদ হোসেন, তাজুল ইসলাম তাজু, আবদুল হামিদ পিন্টু, দীপংকর ভট্টচার্য, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জিয়াউল হুদা জিয়া, শাহীন পাটওয়ারী, নগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, রাজন খান, মো. ইদ্রিস আলম, ওমর ফারুক, হেলাল হোসেন, গুলজার হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম, কামাল পাশা, আসাদুর রহমান টিপু, সাজ্জাদ হোসেন সাজু, ওসমান গনি, শাহজালাল পলাশ, মুজিবুর রহমান রাসেল, আহাদ আলী সায়েম, জমির উদ্দিন আহমদ মানিক,জাফর আহমেদ খোকন, রাসেল নিজাম, মো. ইয়াসিন, শওকত আলী জুয়েল, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য জিল্লুর রহমান জুয়েল, মোহাম্মদ সাগীর, এড. নাজমুল হাসান, জসিম উদ্দিন সাগর, গাজী ফারুক, এস এম বখতেয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, নূরুল আমিন, ওমর ইমতিয়াজ টিটু, মো. নওশাদ, দিদারুল আলম, আসাদুজ্জামান রুবেল, সহ-সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন, মনোয়ার হোসেন মানিক, কমল জ্যৌতি, মাহবুবুর রহমান, কোরবান আলী, জিয়াউর রহমান বাবুল, শাহেদুল ইসলাম, মো. জহিরুল ইসলাম জহির, গিয়াস উদ্দিন টুনু, জিয়াউল হক মিন্টু, মনজুর আলম, হামিদুল হক, হাফেজ কামাল উদ্দিন, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, মো. আনোয়ার, জাহাঙ্গির আলম বাবু, ইলিয়াছ হাসান মঞ্জু, মো. সালাহ উদ্দিন, মো. ইদ্রিস, আশরাফ উদ্দিন, সিরাজ সিকদার, ইব্রাহিম খান, দেলোয়ার আবদুল আউয়াল টিপু, সাইফুদ্দিন যুবরাজ, গুলজার হোসেন মিন্টু, জাফর সাদেক সোহেল, হোসেন জামান, মো. সাইদুল ইসলাম, আবু আহমদ মিয়া, মিজানুর রহমান দুলাল, শেখ কামাল আলম, মো. ইউসুফ, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, ইমরান ভূঁইয়া, নগর যুবদলের সদস্য লতিফুল বারী সুমন, মো. হাবিবুল্লাহ খান, শাবাব ইয়াজদানী, আবদুর রহমান আলমগীর, সাইদুল হক সিকদার, সাব্বির ইসলাম ফারুক, আশরাফ মোমেন আশু, আবদুল করিম, আমির মোহাম্মদ সুমন, সাখাওয়াত কবীর সুমন, থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মনজুর আলম মঞ্জু, শওকত খান রাজু, সাহেদ খান পারভেজ, ইউনুস মুন্না, মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, এস এম আলী, আকতার হোসেন, আবু বক্কর বাবু, এস এম শাহবাজ, সাইফুল ইসলাম, বাদশা আলমগীর, মো. হাসান, মো. ইউনুস, জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।