খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেয়র নির্বাচনে যুবদলকে জাতীয়তাবাদী ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করতে হবে:শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২০, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
মেয়র নির্বাচনে যুবদলকে জাতীয়তাবাদী ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করতে হবে:শাহাদাত

বিএনপির মেয়র প্রার্থী ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ২৯ মার্চের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার জন্য দাঁড়িয়েছি। চট্টগ্রামের জনগণ ভোট দেয়ার জন্য উদ্রগীব হয়ে বসে আছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে একটি বিজয় বেশী জরুরী।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের ৪৩টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড ও ১৫ টি থানাসহ সংশ্লিষ্ট ইউনিট নেতাকর্মীদের আগামী মেয়র নির্বাচনে কেন্দ্র ভিত্তিক কমিটি করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে জাতীয়তাবাদী ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করার আহবান জানান।

তিনি এসময় নগর যুবদলের সাংগঠনিক ও সুশৃংখল রাজনীতির ভূয়সী প্রশাংসা করে সভাপতি দিপ্তী ও সাধারণ সম্পাদক শাহেদকে ধন্যবাদ জানান। সুশৃখংল অঙ্গ সংগঠন হিসেবে নগর যুবদলকে সাথে নিয়ে আগামী ২৯ মার্চ চসিক নির্বচনে ধানের শীষ তথা গণতন্ত্র মুক্তির প্রতীক, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রতীককে বিজয়ী করার লক্ষ্যে দলীয় ভেদাভেদ ভুলে সর্বত্মকভাবে কাজ করার উদাত্ত আহবান জানান।

তিনি আজ সোমবার (৯ মার্চ) মুরাদপুরস্থ এন মোহাম্মদ কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাথে আসন্ন মেয়র নির্বাচন নিয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, চট্টলার মাটি শহীদ জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত।আমাদের এই বার আউলিয়ার পূণ্য ভূমিতে ঢাকার মত নির্বাচন চট্টলার যুবসমাজকে সাথে নিয়ে রুখে দিব। ইনশাআল্লাহ।

তিনি এ সময় নগর যুবদলের নেতাকর্মীদের স্বতস্ফূর্তভাবে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির অঙ্গ সংগঠন হিসেবে পরিবারের বড় সন্তানের মত দায়িত্ব নিয়ে কাজ করার অনুরোধ জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সি: সহসভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার জন্য গণতন্ত্রের মুক্তির প্রতীক ধানের শীষকে বিজয়ী করার জন্য জীবন বাজি রেখে ২৯ মার্চ লড়াই করতে হবে। কেন্দ্র ভিত্তিক এজেন্টদের সবচেয়ে বেশী সাহস নিয়ে সারাদিন কেন্দ্রে থাকতে হবে। যত বাঁধা আসুক। ইনশাআল্লাহ। চট্টলার জনগণকে সাথে নিয়ে ২৯ মার্চ নির্বাচনে ডা. শাহাদাত হোসেনকে বিজয়ী করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার দৃঢ় শপথ নিতে হবে।

তিনি এসময় ২৯ মার্চ নির্বাচন উপলক্ষে প্রতিটি কেন্দ্র ভিত্তিক এজেন্ট তালিকা প্রস্তুত করার জন্য নগর বিএনপি ও যুবদলকে আহবান জানান।

যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তীর সভাপতিত্বে ও যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ’র পরিচালনায় অন্যান্যের মধে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইসকান্দর মির্জা, বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান, উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি হাসান জসিম ও সাধারণ সম্পাদক এস এম মুরাদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, আজমুল হুদা রিংকু, নূর আহমদ গুড্ডু, এস এম শাহ আলম রব, সাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, ইকবাল হোসেন সংগ্রাম, ফজলুল হক সুমন, মো. ইলিয়াছ, মো. জাহাঙ্গির আলম, আবদুল করিম, আবদুল গফুর বাবুল, সাহাব উদ্দিন হাসান বাবু, মোহাম্মদ মুছা, মিয়া মো: হারুন, মনিরুল হাসান সিদ্দিকী, নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাছিম, জসিমুল ইসলাম কিশোর, মুজিবুর রহমান মুজিব, আবু সুফিয়ান, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকি, সি: যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রহমান মাসুম, মো. হুমায়ুন কবীর, ইকবাল পারভেজ, রাশেদুল হাসান লেবু, আবদুল্লাহ আল টিটু, এরশাদ হোসেন, তাজুল ইসলাম তাজু, আবদুল হামিদ পিন্টু, দীপংকর ভট্টচার্য, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জিয়াউল হুদা জিয়া, শাহীন পাটওয়ারী, নগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, রাজন খান, মো. ইদ্রিস আলম, ওমর ফারুক, হেলাল হোসেন, গুলজার হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম, কামাল পাশা, আসাদুর রহমান টিপু, সাজ্জাদ হোসেন সাজু, ওসমান গনি, শাহজালাল পলাশ, মুজিবুর রহমান রাসেল, আহাদ আলী সায়েম, জমির উদ্দিন আহমদ মানিক,জাফর আহমেদ খোকন, রাসেল নিজাম, মো. ইয়াসিন, শওকত আলী জুয়েল, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য জিল্লুর রহমান জুয়েল, মোহাম্মদ সাগীর, এড. নাজমুল হাসান, জসিম উদ্দিন সাগর, গাজী ফারুক, এস এম বখতেয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, নূরুল আমিন, ওমর ইমতিয়াজ টিটু, মো. নওশাদ, দিদারুল আলম, আসাদুজ্জামান রুবেল, সহ-সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন, মনোয়ার হোসেন মানিক, কমল জ্যৌতি, মাহবুবুর রহমান, কোরবান আলী, জিয়াউর রহমান বাবুল, শাহেদুল ইসলাম, মো. জহিরুল ইসলাম জহির, গিয়াস উদ্দিন টুনু, জিয়াউল হক মিন্টু, মনজুর আলম, হামিদুল হক, হাফেজ কামাল উদ্দিন, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, মো. আনোয়ার, জাহাঙ্গির আলম বাবু, ইলিয়াছ হাসান মঞ্জু, মো. সালাহ উদ্দিন, মো. ইদ্রিস, আশরাফ উদ্দিন, সিরাজ সিকদার, ইব্রাহিম খান, দেলোয়ার আবদুল আউয়াল টিপু, সাইফুদ্দিন যুবরাজ, গুলজার হোসেন মিন্টু, জাফর সাদেক সোহেল, হোসেন জামান, মো. সাইদুল ইসলাম, আবু আহমদ মিয়া, মিজানুর রহমান দুলাল, শেখ কামাল আলম, মো. ইউসুফ, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, ইমরান ভূঁইয়া, নগর যুবদলের সদস্য লতিফুল বারী সুমন, মো. হাবিবুল্লাহ খান, শাবাব ইয়াজদানী, আবদুর রহমান আলমগীর, সাইদুল হক সিকদার, সাব্বির ইসলাম ফারুক, আশরাফ মোমেন আশু, আবদুল করিম, আমির মোহাম্মদ সুমন, সাখাওয়াত কবীর সুমন, থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মনজুর আলম মঞ্জু, শওকত খান রাজু, সাহেদ খান পারভেজ, ইউনুস মুন্না, মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, এস এম আলী, আকতার হোসেন, আবু বক্কর বাবু, এস এম শাহবাজ, সাইফুল ইসলাম, বাদশা আলমগীর, মো. হাসান, মো. ইউনুস, জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…