খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুবি অধ্যাপকের রিট; ডিন পদে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২০, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
কুবি অধ্যাপকের রিট; ডিন পদে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ

কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বিজ্ঞান অনুষদের ডিন পদে ছয় মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট অধিনস্থ হাইকোর্ট বিভাগ। উক্ত অনুষদের ডিন নিয়োগে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন লঙ্ঘন করার অভিযোগ করে এক অধ্যাপকের রিটের প্রেক্ষিতে এই স্থগিতাদেশ দেন হাইকোর্টের দুই বিচারপতির সমন্বিত বেঞ্চ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অধ্যাপকদের মধ্য থেকে ডিন নিয়োগের কথা উল্লেখ থাকলেও তা উপেক্ষা করার অভিযোগ তুলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে রিটটি দায়ের করেছেন সাবেক সিন্ডিকেট সদস্য এবং রসায়ন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. সৈয়দুর রহমান। রিটের প্রেক্ষিতে বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম এবং মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিসের কার্যক্রম এবং এই ডিন নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপর ছয় মাসের স্থগিতাদেশ দেন।

বিভিন্ন অফিস আদেশ ও স্মারকসূত্রে জানা যায়, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি উপাচার্যের নির্দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন নিযুক্ত হন পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী। অফিস আদেশে ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইন- ২০০৬ এর ধারা ২২ (৫)’ অনুযায়ী এই নিয়োগের কথা উল্লেখ আছে।
তবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় উল্লেখ আছে, ‘ভাইস চ্যান্সেলর, সিন্ডিকেটের অনুমোদনক্রমে, প্রত্যেক অনুষদের জন্য উহার বিভিন্ন বিভাগের অধ্যাপকদের মধ্য হইতে, জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে, পালাক্রমে দুই বৎসর মেয়াদের জন্য ডিন নিযুক্ত করিবেন।’

অধ্যাপক ড. সৈয়দুর রহমান অভিযোগ করেন, ‘আইন অনুযায়ী কোনও অনুষদে অধ্যাপক থাকলে সেখানে অধ্যাপকদের মধ্য থেকেই পালাক্রমে ডিন নিযুক্ত হবেন। তাদের উপেক্ষা করে সহযোগী অধ্যাপকদের মধ্য থেকে ডিন নিয়োগ করা স্পষ্টত আইনের ব্যত্যয়। যা গত টার্মের ডিন নিয়োগেই বিজ্ঞান অনুষদে ঘটেছে, এবার তার পুনারাবৃত্তি হলো।’

অধ্যাপক সৈয়দ আরও জানান, ‘বিজ্ঞান অনুষদে গতবারের ডিন নিয়োগের সময়ই জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে আমার ডিন হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু সিন্ডিকেটের অনুমোদন ছাড়াই রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. রায়হান উদ্দিনকে ডিন নিযুক্ত করেন (২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮) সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তর স্বার্থে আমি তখন এটা নিয়ে প্রকাশ্যে বিরোধিতা করিনি। কিন্তু এবারও আমার প্রতি ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে ডিন পদে নিয়োগ না দিয়ে আইনের ব্যত্যয় করা হয়েছে। এর আগেও আমার অধ্যাপকের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণসহ বেশকিছু ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিমাতাসুলভ আচরণ করেছে।’

এদিকে রিটকারীর আইনজীবী মো. মুহিব উল্লাহ মারুফ বলেন, ‘আইন অনুযায়ী জনাব সৈয়দুর রহমানের ডিন হওয়ার কথা। কিন্তু তিনি জ্যেষ্ঠ হয়েও ডিন পদ পাননি। তার রিটের প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত ওই অনুষদের ডিন অফিস ও ডিন নিয়োগের এই প্রক্রিয়ার উপর ছয় মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছেন।’
এদিকে বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে আইন মেনেই করা হয়েছে ডিন নিয়োগ প্রক্রিয়া। অধ্যাপক সৈয়দ বিশ্ববিদ্যালয় আইনের আংশিক আমলে নিচ্ছেন।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো: আবু তাহের জানান, ‘আমি মৌখিকভাবে রিট ও নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারটি জেনেছি। চিঠি এখনও হাতে পাইনি। পেলে এ ব্যাপারে প্রশাসনিকভাবে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

ডিন নিয়োগের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আইনের ব্যত্যয় করে কাউকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। আইনে অধ্যাপকের জ্যেষ্ঠতার পাশাপশি বিভিন্ন বিভাগের পালাক্রম বজায় রাখার কথাও বলা আছে। যিনি অভিযোগ করেছেন তিনি শুধু অধ্যাপকদের জ্যেষ্ঠতার ব্যাপারটিই আমলে নিয়েছেন, বিভাগের পালাক্রমের ব্যাপারটি নেননি।’

ডিন নিয়োগ প্রক্রিয়া ও রিটের ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, ‘রিটের বিষয়ে জেনেছি। আমরা আইনের ধারা অনুযায়ী ডিন নিযুক্ত করেছি। এ ব্যাপারে কারও দ্বিমত থাকলে তিনি রিট করতে পারেন। আমরা রিট খারিজে ব্যবস্থা নিবো।’

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…