খুঁজুন
, ,

উন্নয়ন ও উত্তম সেবাই আমার লক্ষ্য:রেজাউল করিম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 12 March, 2020, 5:00 pm
উন্নয়ন ও উত্তম সেবাই আমার লক্ষ্য:রেজাউল করিম

আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম বলেছেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মী। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক, উন্নত, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ায় জননেত্রী শেখ হাসিনার আন্দোলনে চট্টগ্রামের একজন সৈনিক।

চট্টগ্রামের উন্নয়ন সারা বাংলার উন্নয়নের অন্যতম শর্ত। জাতীয় অর্থনীতির সিংহদ্বার আমাদের চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার জন্য আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধু কন্যা আমাকে সিটি মেয়র পদে মনোনয়ন দিয়েছেন। ভোটের মালিক জনগন। আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হলে আমি সর্বোচ্চ নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সকলের মতামত নিয়ে কাজ করব। জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের সুযোগ কাজে লাগিয়ে চট্টগ্রামকে আরো সমৃদ্ধতর মহানগর হিসেবে গড়ে তুলব। এ জন্য আমি আপনাদের ভোট ও দোয়া চাইছি।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ১০ নং কাট্টলী ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।

গণসংযোগকালে অন্যন্যাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মো. সফর আলী, শেখ মাহমুদ ইসহাক, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা মো. ঈছা, জামশেদুল আলম চৌধুরী, দক্ষিন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা শওকত ওসমান জাহাঙ্গীর, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক নেছার আহমেদ মঞ্জু, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইকবাল, গিয়াস উদ্দিন জুয়েল, হাবিবুর রহমান প্রমূখ।

এছাড়াও স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

Feb2
Feb2

ফেসবুকে ইলিশ বিক্রির নামে প্রতারণা, চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 22 August, 2026, 8:43 am
ফেসবুকে ইলিশ বিক্রির নামে প্রতারণা, চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইলিশ মাছসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে চাঁদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত পাঁচটি মোবাইল ফোন, সিমকার্ড ও নগদ ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে চাঁদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের মিডিয়া সেল থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। এরআগে, বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে নড়াইল জেলার কালিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন- নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের নোয়াগ্রাম এলাকার মো. হাবিবুর রহমান (৪১) এবং একই ইউনিয়নের চাঁদপুর মধ্যপাড়া এলাকার মো. রকিবুল হাসান নয়ন (৩৬)।

পুলিশ জানায়, প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের চাঁদপুর সদর মডেল থানায় করা সাধারণ ডায়েরি ও বিভিন্ন ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অনুসন্ধান শুরু করে জেলা পুলিশ। একপর্যায়ে চক্রটির সন্ধান পায় ডিবি।

চক্রটি বিভিন্ন ফেসবুক পেজে ইলিশ মাছসহ নানা পণ্য বিক্রির আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাদের প্রলুব্ধ করত। পরে পণ্য সরবরাহের কথা বলে মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করে তা আত্মসাৎ করত।

গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে এসআই মো. আনছার উল্লাহ ও মো. জিয়াউল হক জিয়ার নেতৃত্বে ডিবির একটি দল কালিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালায়। অভিযানে এলআইসি শাখার এএসআই মো. ইলিয়াছ শাহ, ডিবির এএসআই জহির উদ্দিনসহ পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।

অভিযানের প্রথম ধাপে ২০ আগস্ট রাতে কালিয়া থানার পুরুলিয়া ইউনিয়নের নোয়াগ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে একই রাতে চাঁদপুর মধ্যপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে রকিবুল হাসান নয়নকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তাররা তাদের সহযোগীদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইলিশসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির নামে প্রতারণা করে আসছিলেন। এ চক্রের সঙ্গে আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুইজনসহ পলাতক ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইন ও পেনাল কোডের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।

চাঁদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, অনলাইনে পণ্য কেনাবেচার ক্ষেত্রে অপরিচিত ব্যক্তি বা ফেসবুক পেজের মাধ্যমে লেনদেনের আগে যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করতে হবে। প্রতারণার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 22 August, 2026, 8:20 am
নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন

শপথ নেওয়া নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এরপর সরকারি গেজেট জারি করা হয়।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন আবদুল মঈন খান। মির্জা ফখরুল ইসলাম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর পদটি শূন্য হয়।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত পদোন্নতি পেয়ে এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হয়েছেন।

আর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানমকে (রিতা) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে।

বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরিকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ।

আর মোহাম্মদ শামীম কায়সার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও হুমায়ুন কবির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি আসাদুজ্জামান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 18 August, 2026, 10:06 am
দুদকের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি আসাদুজ্জামান

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। একই প্রজ্ঞাপনে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া।

সোমবার (১৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সই করা এক প্রজ্ঞাপন সূত্র এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৭-এর উপধারা (১)-এর বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং কমিশনার হিসেবে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান এবং ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়াকে নিয়োগ দেওয়া হলো।

এর মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৭-এর উপধারা (১)-এর বিধান অনুযায়ী বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আর দুদক আইন, ২০০৪-এর ধারা ১৩-এর বিধান অনুযায়ী কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকের এবং কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমরূপ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে আজ বিকেলে সার্চ কমিটি তিনজনের নাম চূড়ান্ত করে সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়।

বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। তিনি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আপিল বিভাগ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি দীর্ঘকাল হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ থেকে অবসরে যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান। এর আগে ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে আসাদুজ্জামান হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি থেকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন।

১৯৫৯ সালের ১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন বিচারপতি আসাদুজ্জামান। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। ১৯৮৩ সালে তিনি জেলা আদালতের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ১৯৮৫ সালে হাইকোর্ট বিভাগের এবং ২০০১ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি।

এছাড়া কমিশনার হিসেবে নাম চূড়ান্ত হওয়া ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর কমিশনার ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।

অপর কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান অবসরপ্রাপ্ত সাবেক সচিব। তিনি ৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা ছিলেন বলে জানা গেছে।

গত ৩ মার্চ দুদকের চেয়ারম্যানসহ তিন কমিশনার পদত্যাগ করার পর নতুন কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেয় সরকার। এরপর নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে সদস্যসচিব করে একটি সার্চ কমিটি গঠন করা হয়। সার্চ কমিটি ছয় দফা বৈঠক করে সম্ভাব্য প্রার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত যাচাই-বাছাই ও যোগ্যতা পর্যালোচনা করে। পরে চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার হিসেবে এ কে আসাদুজ্জামান, ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার নাম চূড়ান্ত করে।

২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন দুদকের প্রথম চেয়ারম্যান বিচারপতি সুলতান হোসেন খান থেকে সর্বশেষ মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের নেতৃত্বাধীন কমিশন পর্যন্ত মোট সাতটি কমিশন দায়িত্ব পালন করে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনসহ নানা জটিলতায় মাত্র তিনটি কমিশন পুরো মেয়াদ পূর্ণ করতে পেরেছিল। বাকি চার কমিশন মেয়াদ পূর্ণ করার আগে বিদায় নিতে হয়। সর্বশেষ মোমেন কমিশন মেয়াদ পূরণ না করেই বিদায় নিয়েছে।

চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার পদ শূন্য থাকায় দীর্ঘদিন ধরে দুদকের নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়। কমিশনের অনুমোদন প্রয়োজন এমন অনুসন্ধান, তদন্ত, মামলা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও আটকে আছে। নতুন কমিশন দায়িত্ব নিলে এসব কার্যক্রমে গতি ফেরার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান। ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে স্থায়ী হন তিনি।