খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পঁচিশ শত টাকা ঋণ নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের মাসুমা সফল নারী উদ্যোক্তা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২০, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
পঁচিশ শত টাকা ঋণ নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের মাসুমা সফল নারী উদ্যোক্তা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ মাত্র ২৫০০ টাকা ঋণ থেকে শুরু করে আজ তিনি দেশসেরা ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা। পনির (চীজ) বানিয়ে বদলে ফেলেছেন নিজের জীবনের গল্প, তেমনি স্বাবলম্বী করে তুলছেন তার মতো আরো পঁয়তাল্লিশ নারী-পুরুষকে। তার পনির (চীজ) এখন দেশের গন্ডি পেরিয়ে যাচ্ছে ভিনদেশে। আর এই গ্রামের মানুষকে পনিরের সঙ্গে পরিচয় করে দিয়েছেন মাসুমা খানম মিষ্টি।

মাসুমা স্কুল জীবন থেকে ভাবতেন হাজারও নারীকে নিয়ে। নিজে স্বাবলম্বী হয়ে অন্য আরেকজন নারীকে কিভাবে স্বাবলম্বী করা যায় এবং কিভাবে নারীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে দেশকে অর্থনৈতিক দিক দিয়ে এগিয়ে নেওয়া যায় সে চিন্তা করতেন সব সময়।

চল্লিশোর্ধ মাসুমা খানম মিষ্টি থাকেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামে। আজ তিনি একজন সফল নারী উদ্যোক্তা। পনির তৈরির মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মাসুমা খানম মিষ্টি। নগরে বা শহরে আমরা পাস্তা বা ফাস্টফুডের সাথে যে চীজ পাই সে সকল চীজ বা পনীর দুধ থেকে তৈরি করেন মাসুমা খানম মিষ্টি। তার তৈরী চীজ দেশের চাহিদা পূরণ করে এখন রপ্তানী হয় দেশের বাইরে। ওই  গ্রামের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কেউ সাইকেলে, কেউ ভ্যানে আবার কেউ ইজি বাইকে করে নিজ নিজ দুগ্ধ খামার থেকে দুধ আনেন খামারীরা।

গত কয়েক বছর আগেও এ অঞ্চলগুলোতে ছিলোনা কোন দুগ্ধ খামার । এসব খামার গড়ে উঠেছে মাসুমা খানমের চীজ কারখানাকে কেন্দ্র করে।

একাধিক খামারী জানান, তেমন কোন চীজ কারখানা ছিলনা বলে তারা শুধু খামার করার স্বপ্নই দেখে যেতো কোন খামার করতে সাহস পাচ্ছিলেন না। এখন মাসুমা খানমের চীজ কারখানা হওয়ার কারণে এবং এখানে দুধ দিয়ে টাকা সহজে পাওয়ার কারনে তারা খামার করতে আগ্রহ প্রকাশ করছে এবং নতুন নতুন খামার করছে।

জানা যায়, স্বামী সন্তান নিয়ে ভাড়া বাড়িতে থেকে ১৯৯৫ সালে একটি বেসরকারি সংস্থার কাছে মাত্র ২৫০০ টাকা ঋণ নিয়ে একটি হাঁস মুরগীর খামার দিয়ে যাত্রা শুরু করেন মাসুমা খানম মিষ্টি। সেই থেকে আজ পর্যন্ত তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ধীরে ধীরে খামার বড় করেছেন উপার্জিত অর্থ দিয়ে। করেছেন নিজস্ব দুগ্ধ খামার। নিজের খামারের গরুর দুধ থেকে অল্প পরিসরে তৈরি করা শুরু করেছিলেন পনীর। আস্তে আস্তে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তার চীজ কারখানায় গরুর দুধ আসতে শুরু করেছে এখন এবং বড় পরিসরে তৈরি হচ্ছে পনির।

এখন পর্যন্ত তার চীজ কারখানা ও দুগ্ধ খামারে মোট ৪৫ জন পুরুষ ও মহিলার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে।জেলার অনেক দুস্থ ও অবহেলিত এসব মানুষ তার চীজ কারখানায় কাজ করে দুবেলা দুমুঠো আহার যোগার করতে সক্ষম হচ্ছে।

মাসুমা খানম মিষ্টির চীজ কারখানায় কর্মরত নারী শহিনা, বেলী ও নিহার জানান, মাসুমা খানম মিষ্টির ভালোবাসা আদর স্নেহ না পেলে তারা আজ আত্মনির্ভরশীল হতে পারতেন না। তাদের অভাব ও অসময়ে মিষ্টি পাশে এসে দাড়িয়েছেন তাদের সাহস যুগিয়ে আত্ম প্রত্যয়ী করার চেষ্টা করেছেন।

সফল নারী উদ্বোক্তা মাসুমা খানম মিষ্টি জানান, স্বামী সন্তান নিয়ে ভাড়া বাড়িতে খুব অল্প পরিসরে একটি হাঁস মুরগীর খামার দিয়ে তার যাত্রা শুরু হয়। জীবনে অনেক শুভাকাঙ্খীর অনুপ্রেরণায় তিনি ধীরে ধীরে এতদূর পর্যন্ত আসতে সক্ষম হয়েছেন।

তিনি বলেন, তার এই সফলতার পেছনের পরিবার ও তার সাথে যারা কাজ করে তাদের সহযোগিতা রয়েছে অনেক। ক্ষুদ্র নারী উদ্বোক্তার জন্য মাসুমা খানম মিষ্টি বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান থেকে পুরুস্কৃত হয়েছেন একাধিকবার। ২০১৮ সালে বর্ষসেরা ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা হিসেবে ১৩ তম সিটি ক্ষুদ্র নারী উদ্বোক্তা পুরুস্কার পান তিনি। তার সাফল্য এখন দেশ জুড়ে বিস্তৃত। তিনি বিশ্বাস করেন একদিন তার মতো হাজারো নারী বাংলাদেশে সফলকাম হবে।

ঠাকুরগাঁও চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজর সভাপতি হাবিবুল ইসলাম বাবলু বলেন, মাসুমা শুধু নিজে কাজ করছেন না, বেকার যুব নারী-পুরুষদের উৎসাহ জোগাচ্ছেন। নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি বহু নারী পুরুষকে স্বাবলম্বী করেছেন। নিঃসন্দেহে তিনি ঠাকুরগাঁও নারীদের আদর্শ। মাসুমাকে অনুসরণ অনুকরণ করে অন্য নারীরাও উদ্যোক্তা হিসেবে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার জিতে আনবেন বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

২৪ ঘণ্টা/এমআর/গৌতম

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…