খুঁজুন
বুধবার, ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীতাকুণ্ডে লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে দিনব্যাপী সেবা ক্যাম্পে পাঁচশত রোগীর ফ্রি চিকিৎসা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৯, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
সীতাকুণ্ডে লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে দিনব্যাপী সেবা ক্যাম্পে পাঁচশত রোগীর ফ্রি চিকিৎসা

.png

সীতাকুণ্ডের পাঁচটি লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে দিনব্যাপী সেবা ক্যাম্পেে পাঁচশত রুগীর চক্ষু ডায়বেটিস ব্লাড গ্রুপিং সম্পন্ন হয়েছে।

লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং সীতাকুণ্ড, লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং অগ্রণী, লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং মেট্রোপলিটন, লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং লিবার্টি, লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং ইম্পেরিয়াল সিটি এর উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) উপজেলার সাদেক মাস্তান (রঃ) উচ্চ বিদ্যালয়ে উক্ত স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।

দিনব্যাপী সেবা ক্যাম্পে পাঁচশত রুগীর চক্ষু, ডায়বেটিস, ব্লাড গ্রুপিংসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়ন্স ক্লাব ইণ্টারন্যাশনাল জেলা ৩১৫-বি৪ বাংলাদেশের জেলা গভর্ণর ইলেক্ট লায়ন কামরুন মালেক এমজেএফ।

কামরুন মালেক বলেন, লায়নিজমের মূল লক্ষ্য আর্থ মানবতার সেবায় নিঃস্বার্থভাবে কাজ করা। বিশ্বব্যাপী লায়নরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছে অবিরাম।

তিনি লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং সীতাকুণ্ডসহ অংশগ্রহণকারী ক্লাবগুলোকে সেবামূলক এই আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে আগামীতে তা আরো জোরদার করার আহবান জানান।

লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং সীতাকুণ্ড প্রেসিডেন্ট লায়ন নূরুল আবছার চৌধুরী আগামী সেবা বর্ষে সীতাকুণ্ডের সব ইউনিয়নে এমন সেবা কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘এর মাধ্যমে আমরা চাই যেন সীতাকুণ্ডকে চক্ষু রোগ মুক্ত করতে।’

উক্ত ক্যাম্পে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেবিনেট সেক্রেটারী লায়ন জাহিদুল ইসলাম চৌধুরী, কেবিনেট ট্রেজারার লায়ন আশরাফুল আলম আরজু, রিজিওনাল চেয়ারপার্সন হেড কোয়ার্টার লায়ন মীর্জা মোঃ আকবর আলী চৌধুরী খোকন এমজেএফ, সীতাকুণ্ড লায়ন্স ক্লাবের সভাপতি ও ডিস্ট্রিক্ট চেয়ারপার্সন লায়ন আলহাজ্ব নুরুল আবছার, মেট্রোপলিটন লায়ন্স ক্লাবের সভাপতি ও ডিষ্ট্রিক্ট চেয়ারপার্সন লায়ন আলহাজ্ব হাসান আকবর, লিবার্টি লায়ন্স ক্লাবের ডিষ্ট্রিক্ট চেয়ারপার্সন লায়ন কাজী আলী আকবর জাসেদ, সীতাকুণ্ড লায়ন্স ক্লাবের সহ সভাপতি ও ডিস্ট্রিক্ট সেক্রেটারী লায়ন মোঃ গিয়াস উদ্দিন, লায়ন আলহাজ্ব মোঃ বেলাল হোসেন, ট্রেজারার লায়ন ইঞ্জিঃ আলহাজ্ব কামরুদ্দৌজা, লিবার্টি ক্লাবের জয়েন ট্রেজারার লায়ন মোঃ শফিকুল আলম, ক্লাব ডিরেক্টর লায়ন মোঃ শওকত আলী চৌধুরী, ইম্পেরিয়াল সিটি ক্লাবের জয়েন ট্রেজারার লায়ন তারিকুল আলম, সাদেক মাস্তান র. উচ্চবিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের বর্তমান সভাপতি মছিউদ্দৌলা, সাবেক সভাপতি কামাল উল্লাহ, প্রধান শিক্ষক আবু জাফর মোঃ সাদেক, সহকারী শিক্ষকবৃন্দ, লিও ক্লাবের রিজিওনাল ডিরেক্টর লিও আরাফাত ইলাহী, জোন ডিরেক্টর লিও রাশেদ, সীতাকুণ্ড লিও ক্লাবের সভাপতি লিও মোঃ নুর খাঁন, লিবার্টি লিও ক্লাবের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট লিও জিল্লুর রহমান শিবলী, মানবতা ফাউন্ডেশনের সভাপতি রণি খান, সীতাকুণ্ড লিও ক্লাবের সেক্রেটারী লিও হামিদ আজাদ, ট্রেজারার লিও ওয়াসিয়া নুর, ভাইস প্রেসিডেন্ট লিও জামিল আল ফয়সাল, লিও আলী আকবর, লিও জুয়েল চৌধুরী, লিও আইনুল করিম ফিরোজ, লিও শাহীদুল আলম, লিও আরিফুল ইসলাম আরিফ, লিও ই এম বাশার, লিও নিজাম উদ্দিন, লিও নাঈম উদ্দিন ইমন, লিও এম কে মুনীর, লিও শারমীন প্রমূখ।

Feb2

চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৫ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

মাসুদ আলম বিসিএস পুলিশের ২৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তার বাড়ি বগুড়া জেলায়। রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নানা কারণে আলোচনায় আসেন এবং কর্মদক্ষতার জন্য সুনাম অর্জন করেন।

বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যমুনা, সচিবালয়, হাইকোর্ট ও টিএসসি এলাকায় বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে হওয়া আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়।

রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে যোগদানের আগে মাসুদ আলম পাবনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব-৬) ঝিনাইদহ ক্যাম্পেও কর্মরত ছিলেন।

স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ‘স্বাস্থ্যসেবায় সমতা প্রতিষ্ঠায় ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তাবায়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাত দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার। সরকারি হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত চাপের মধ্যে রয়েছে এবং অনেক মানুষ মানসম্মত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত। তিনি উল্লেখ করেন, মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭২ শতাংশ মানুষকে নিজ পকেট থেকে দিতে হয়। ফলে অসুস্থতা এখনো দারিদ্র্যের অন্যতম প্রধান কারণ।

ঢাকা-১৭ এলাকার মানুষের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, কড়াইল, ভাষানটেক, সাততলার মানুষ এই শহরকে সচল রাখে। পোশাকশিল্প, নির্মাণ… সবখানে তাদের শ্রম। অথচ তারাই সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। আমাদের লক্ষ্য এসব এলাকার মানুষ যাতে আর চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন।

তিনি আরও বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের বড় একটি অংশ প্রায় ৪২.৬ শতাংশ মানুষ প্রতিদিনের স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান খুঁজতে স্থানীয় ফার্মেসির ওপর নির্ভর করেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ। তারা অসুস্থ হওয়ার সুযোগ পায় না কারণ অসুস্থতা মানেই আয় বন্ধ।

ডা. জুবাইদা বলেন, আমাদের এই এলাকাবাসীর মধ্যে কয়েকজন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী প্রয়োজন, যারা সবাইকে অবহিত করবেন এই চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম। সেই নাম কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল। আমি আশাবাদী, ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্গত স্বেচ্ছাসেবী ও কুর্মিটোলার সদস্যরা একত্রিত হয়ে বহু প্রাণ বাচাঁতে সক্ষম হবে। এখানকার স্বাস্থ্যসেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার।

এর আগে ডা. জুবাইদা রহমান কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি প্যাভিলিয়ন, গ্যাস্ট্রোলিভার সেন্টার ও ৫০ শয্যা আইসিইউর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর তিনি আইসিইউতে ভর্তি রোগীদের খোঁজ-খবর নেন এবং চিকিৎসাসেবার মান নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, সরকারের লক্ষ্য সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই উদ্যোগগুলো নেওয়া হচ্ছে।

ডা. জুবাইদা রহমান আশা প্রকাশ করেন, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি মানুষকে চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

 

সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘মতিঝিলের শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় ১ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে।’

মঙ্গলবার (৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি জানান, নিহতদের পরিবারের বক্তব্য এবং সকল হত্যাকাণ্ডের সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর। হেফাজতে ইসলামের যে প্রোগ্রামটা তারা আগে থেকেই প্রতিবাদ করে জানিয়ে আসছিলেন এবং তারা ঢাকায় এসে সেখানে অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল- সেই প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, কোনোভাবে তাদের সেখানে অবস্থান নিলে মোকাবিলা করতে হবে। তা না পারলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল- এটিকে তিনি সিস্টেমেটিক, ওয়াইড স্প্রেড অ্যাটাক এবং টার্গেটেড কিলিং হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, প্রত্যেক নিহতের পরিবারের সঙ্গে তারা কথা বলেছেন এবং যেসব হেফাজতে ইসলামের সদস্য নিহত হয়েছেন, প্রত্যেক পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। অতএব প্রত্যেক নিহত হওয়ার পক্ষে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে তিনি দাবি করেন।