খুঁজুন
শনিবার, ১৪ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও দুই আসনের উপনির্বাচন স্থগিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২০, ২:৩০ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও দুই আসনের উপনির্বাচন স্থগিত

করোনা পরিস্থিতির কারণে ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচন, বগুড়া-১ ও যশোর-৬ উপনির্বাচনের ভোট স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আজ শনিবার (২১ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার পর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

করোনাভাইরাসের কারণে জনস্বার্থে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন স্থগিতের দাবি জানিয়েছিলেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন।

গতকাল চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে সিটি নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের কাছে নির্বাচন স্থগিতের আবেদন জমা দেন তিনি।

Feb2

চট্টগ্রামে সন্দ্বীপবাসীর অংশগ্রহণে বিএনপি পরিবারের দোয়া ও ইফতার মাহফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে সন্দ্বীপবাসীর অংশগ্রহণে বিএনপি পরিবারের দোয়া ও ইফতার মাহফিল

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য (কেন্দ্রীয় দপ্তরে দায়িত্বপ্রাপ্ত) তারিকুল আলম তেনজিং-এর সৌজন্যে, আনিসুর রহমান আনিস, নজরুল ইসলাম খোকা ও নাজিম উদ্দিনের আন্তরিকতায় চট্টগ্রামে অবস্থানরত সন্দ্বীপবাসীদের নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবারের উদ্যোগে হালিশহরের চুনা ফ্যাক্টরিস্থ গ্রীনভ্যালি রেস্টুরেন্টে এক “দোয়া ও ইফতার মাহফিল” অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার (১৩ মার্চ) অনুষ্ঠিত এ মাহফিলে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, দলীয় কর্মী-সমর্থক এবং চট্টগ্রামে বসবাসরত সন্দ্বীপের বাসিন্দারা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সন্দ্বীপের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে এলাকায় মাদকের বিস্তার, ঈদকে কেন্দ্র করে অকটেন সংকটের অজুহাতে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রাখা এবং যাতায়াতসংক্রান্ত ভোগান্তির বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। এসব সমস্যার দ্রুত সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারিকুল আলম তেনজিং বলেন, সন্দ্বীপবাসীর যাতায়াতকে আরও জনবান্ধব ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে নৌপথে নিয়মিত যোগাযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি স্পিডবোট ভাড়া স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি ঈদযাত্রাকে নিরাপদ ও আনন্দদায়ক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে শেষে দেশ, জাতি এবং সন্দ্বীপবাসীর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

হাদির হত্যাকারীদের পালাতে ‘সহায়তাকারী’ ফিলিপ সাংমাও পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
হাদির হত্যাকারীদের পালাতে ‘সহায়তাকারী’ ফিলিপ সাংমাও পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেনকে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশে সহায়তার অভিযোগে ফিলিপ সাংমা নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। তিনি বাংলাদেশের নাগরিক বলে জানানো হয়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যের নদীয়া জেলার শান্তিপুরের কাছ থেকে তাকে আটক করা হয়।

সূত্র জানিয়েছে, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের অধিবাসী ফিলিপ সাংমাকে আটকের বিষয়টি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের পক্ষ থেকে কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সূত্র খবর পেয়ে ফিলিপ সাংমাকে গ্রেপ্তার করে স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফিলিপ সাংমা স্বীকার করেন যে, তিনি ফয়সাল করিম এবং আলমগীরকে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকতে সহায়তা করেন। বাংলাদেশে গ্রেপ্তার এড়াতে পরে তিনি নিজেও অবৈধভাবে ভারতে ঢুকে পড়েন।

গ্রেপ্তারের পর ফিলিপ সাংমাকে আদালতে তোলার পর এখন পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে এসটিএফ।

এর আগে, গত সপ্তাহে হাদি হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেনকে বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফ। ৩৭ বছর বয়সী ফয়সাল করিম মাসুদের বাড়ি বাংলাদেশের পটুয়াখালী এলাকায় এবং ৩৪ বছর বয়সী আলমগীর হোসেনের বাড়ি ঢাকায়। পরে পশ্চিমবঙ্গের বিধাননগর মহকুমা আদালত তাদের ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডের নির্দেশ দেন।

২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের কিছুক্ষণ পর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে রিকশায় থাকা অবস্থায় ওসমান হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তাকে মাথায় গুলি করার পর দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদিকে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছিল সিঙ্গাপুরে। ছয় দিন পর সেখানে মৃত্যু হয় তার।

হামলাকারী হিসেবে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ফয়সাল করিম এবং তার সহযোগী আলমগীরকে পুলিশ চিহ্নিত করলেও তাদের ধরতে পারেনি।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, ১২ ডিসেম্বর হামলা চালিয়ে ওই দিনই ফয়সাল ও আলমগীর ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান।

সেসময় পুলিশ জানিয়েছিল, তাদের সীমান্ত পার করতে আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। আর তা করেছিলেন নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের নেতা তাইজুল ইসলাম চৌধুরী (বাপ্পী)। সীমান্তে দালালদের সহায়তায় ফয়সাল ও আলমগীরকে পার করে দেওয়া হয়।

হালুয়াঘাট সীমান্তে টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে মানুষকে সীমান্ত পারাপার করে- সেই এলাকায় এমন কিছু দালাল রয়েছে। তাদের একজন ফিলিপ সাংমা। তার বাড়ি হালুয়াঘাট সীমান্তসংলগ্ন ভুটিয়াপাড়া গ্রামে।

এর আগে, অভিযান চালিয়ে ফিলিপের দুজন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, ফয়সাল ও আলমগীরকে পার করানোর পর টেলিভিশনের খবর দেখে তারা বুঝতে পারেন, তারা ঢাকায় বড় ঘটনা ঘটিয়ে এসেছে। এরপর ফিলিপকে সতর্ক করলে তিনিও আত্মগোপনে চলে যান।

এদিকে হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফিলিপকে নিয়ে তিনজন গ্রেপ্তার হলেন ভারতে। গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সাল ও আলমগীরকে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

হাদির হত্যাকাণ্ডের মামলায় দেশে এ পর্যন্ত ১২ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। তারা সবাই অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি। তাইজুলসহ দুজন এখনো পলাতক।

গত ৭ জানুয়ারি এ হত্যা মামলায় ১৭ জনকে আসামি করে গোয়েন্দা পুলিশ অভিযোগপত্র দিয়েছিল আদালতে। তবে মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের নারাজির পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। বর্তমানে এই মামলার তদন্ত করছে সিআইডি।

সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে সিআরএফ’র ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৮:৫১ অপরাহ্ণ
সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে সিআরএফ’র ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ফোরাম (সিআরএফ)-এর উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদারের লক্ষ্যে এই আয়োজন করা হয়।

শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেল ৪টায় চট্টগ্রাম নগরীর এশিয়ান এসআর হোটেলে এ দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা উপস্থিত থেকে মাহে রমজানের তাৎপর্য, সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি কাজী আবুল মনসুরের সভাপতিত্বে এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সরোজ আহমেদের সঞ্চালনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল পূর্ব আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিআরএফের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলীউর রহমান, সহ সভাপতি হাসান মুকুল, অর্থ সম্পাদক সাইফুল্লাহ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর আহমেদ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক মো. হাসান মুরাদ, নির্বাহী সদস্য সজল চৌধুরী ও মোহন মিন্টু।

এছাড়াও নুর মোহাম্মদ রানা ও রোজি চৌধুরীসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা সংগঠনটির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছি করে তাদের মতামত তুলে ধরেছেন।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, পবিত্র রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও পারস্পরিক সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়।

এই মাসে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের মতো আয়োজন সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

সভাপতির বক্তব্যে কাজী আবুল মনসুর বলেন, চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ফোরাম সবসময় সদস্যদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। ফোরামের সদস্যদের জন্য একটি আবাসন প্রকল্প গ্রহণের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং এ বিষয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ফোরাম স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কল্যাণে ফোরাম সবসময় সচেষ্ট রয়েছে। সকল সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় সংগঠনের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আলোচনা শেষে দেশ, জাতি এবং সাংবাদিক সমাজের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। পরে উপস্থিত সকলের অংশগ্রহণে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।