খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

করোনা শনাক্তের কিট এলো চট্টগ্রাম : থমথমে বন্দর নগরীতে সেনাবাহিনীর টহল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২০, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
করোনা শনাক্তের কিট এলো চট্টগ্রাম : থমথমে বন্দর নগরীতে সেনাবাহিনীর টহল

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। নিজস্ব প্রতিনিধি : করোনা ভাইরাস সংক্রমনের শংকায় থমথমে অবস্থা বন্দর নগরী চট্টগ্রামে। সড়কে যানবাহন ও মানুষ খুবই কম। গনপরিবহন চলছে না। দোকানপাট বন্ধ। শুধুমাত্র পণ্যবাহী ট্রাক কাভার্ডভ্যানই দেখা যাচ্ছে সড়কে।

তাছাড়া ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের এই দিনটি এবার পালিত হয়েছে ব্যাতিক্রমভাবে। চট্টগ্রামের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটিতে একদম ছিলো না কোন আয়োজন। অন্যান্য বছরের মতো এবছর ভোর থেকে শহীদ মিনারমুখী জনস্রোত দেখা যায়নি, ছিলো না কোন জনকোলাহল। করোনা ভাইরাস ফাঁকা চট্টগ্রাম সেনাবাহিনীর টহল

তবে মাঠে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পেশাগত দায়িত্ব পালনে মঠে আছে সংবাদ কর্মীরাও। রাস্তায় অব্যাহত আছে সেনা টহল। গত বুধবারের মত বৃহস্পতিবারও সকাল থেকে প্রশাসনের সঙ্গে মাঠে নেমে শহরের সড়ক, অলি-গলিতে সচেতনতা মূলক মাইকিং এবং সিভিল প্রশাসনের কাজে সহায়তা করছেন তারা। করোনা ভাইরাস ফাঁকা চট্টগ্রাম সেনাবাহিনীর মাইকিং

করোনা ভাইরাসে আতংকিত না হয়ে সবাইকে বাসায় থাকার আহ্বান জানাচ্ছে প্রশাসন। তাছাড়া হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ অমান্য করে কোন বিদেশ ফেরত প্রবাসী যাতে ঘরের বাইরে বের না হয়, তা নিশ্চিত করছেন সেনা সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম নগরীর ব্যস্ততম এলাকাগুলো ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ সড়কই ছিল ফাঁকা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য, অফিস-আদালত সব বন্ধ। ট্রেন ও বাস সার্ভিস বন্ধ থাকায় নগরজুড়ে বিরাজ করছে নীরবতা। করোনা ভাইরাস ফাঁকা চট্টগ্রাম

নগরীর সড়কগুলোতেও গুটি কয়েক রিক্সা, ব্যাক্তিগত পরিবহণ ও ট্রাক চলাচল করতে দেখা গেছে। সড়কের পাশে কোথাও কোথাও দু একটি ওষুধের দোকান ও মুদির দোকান এবং হাটবাজারে নিত্যপণ্যের কিছু দোকান খোলা থাকলেও ক্রেতা নেই বললেই চলে। অত্যন্ত জরুরি কোন কাজ ছাড়া সাধারণ মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। করোনা ভাইরাস ফাঁকা চট্টগ্রাম বন্ধ দোকান পাট

কোনো জায়গায় অধিক লোক জড়ো হতে দেখেলে প্রশাসন তাদেও বুঝিয়ে ঘরে পাঠিয়ে দিচ্ছে। তাছাড়া জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাসা থেকে বের হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে মাইকিং করছে প্রশাসন।

চট্টগ্রামের করোনা আপডেট : চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, চট্টগ্রাম জেলায় এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়নি। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে নতুন করে হোম কোয়ারেন্টিনের আওতায় আনা হয়নি কাউকে। বর্তমানে চট্টগ্রামে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন মোট ৯৬৩ জন বিদেশফেরত মানুষ।

এরমধ্যে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ২ জনের হোম কোয়ারেন্টিন শেষ হওয়ায় তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তাঁদের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হয়নি।

এদিকে ফৌজদারহাটের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ট্রিপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) এর পরিচালক ডা. মো. আবুল হাসান জানান, বুধবার করোনা শনাক্তের কিট আসার পর বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত ৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত করোনা শনাক্তে চট্টগ্রাম থেকে মোট ১৫ জনের নমুনা ঢাকায় আইইডিসিআর এ পাঠানো হয়েছে জানালেও কি পরিমাণ কিট এসেছে তা নিশ্চিত করে তিনি জানাতে পারেনি।

২৪ ঘন্টা/রাজীব সেন প্রিন্স

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…