খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নীরব ঘাতক করোনায় নীরব ক্যাম্পাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২০, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
নীরব ঘাতক করোনায় নীরব ক্যাম্পাস

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : স্কুল কলেজের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় শুরু হয় সফলতার নতুন জীবন। নানান জেলার অচেনা মুখে গড়ে উঠে নতুন বন্ধুত্ব। আর সেই বন্ধুত্ব থেকেই শুরু আড্ডা, গল্প। আড্ডা ছাড়া ক্যাম্পাস জীবনের কাটেনা সময় গড়েনা বন্ধুত্ব। বলছিলাম উপকূলীয় অক্সফোর্ড খ্যাত নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) নীরবতার গল্প। শিক্ষক আর শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরতি হওয়া ক্যাম্পাস আজ নিস্তব্ধ। জনমানবশূন্য ক্যাম্পাসে নেই কোনো আড্ডা নেই কোলাহল।

চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস সচেতনতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করায় বিরানভূমিতে পরিণত হয়েছে ক্যাম্পাস।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর, নীলদীঘি, প্রশান্তি পার্ক, শান্তিনিকেতন, ব্যাকলগ বন, হতাশার মোড় শিক্ষার্থীদের আনাগোনায় সকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত মুখরিত থাকে চত্বরগুলো। কিন্তু আজ সেই চত্বর গুলো জনমানবশূন্য। নেই কোনো ঘুরাঘুরি, নেই বন্ধুদের আড্ডায় মেতে উঠা জনসমাগম। কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আজ খেলোয়াড়প্রেমীদের নেই ব্যস্ততা। শুূধু জানতে ইচ্ছা করে এই অপেক্ষার সময় কতদিন?

সকালে ঘুম থেকে উঠে ক্লাসে যাওয়া, দুপুরে হলের ডাইনিংয়ে খাওয়ার সিরিয়াল ধরা, বিকেল বাসে সিট রাখার প্রতিযোগিতায় শামিল হওয়া, গানের সুরে বাসের আড্ডার দৃশ্য এসব কথা ভাবতেই ফিরে যেতে ইচ্ছে হয় প্রিয় ক্যাম্পাসে। বাসায় থেকে গুনছে ক্যাম্পাস ফেরার অপেক্ষার প্রহর।

শিক্ষার্থীরা কর্মব্যস্ততা শেষে চায়ের কাপে চুমুক দিতে শুরু হয় জীবনের গল্প। সফলতা-ব্যর্থতা,পাওয়া না পাওয়ার গল্প, গান বাজনা, তর্ক-বিতর্কে জমে উঠা প্রশান্তি পার্ক ক্যান্টিন, কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া, শান্তিনিকেতনের পাশের টং দোকানগুলো পড়ে আছে নিঃশব্দে।

আড্ডায় গানে মেতে উঠা লাল বা সাদা বাসগুলো যেন নীরবে দাড়িয়ে অপেক্ষা করছে। নেই কোনো অ্যাসাইনম্যান্ট, প্রেজেন্টেশন, ক্লাস টেস্ট,সেমিস্টার ফাইনাল। হলগুলোর চিত্রেও নেই কোনো ভিন্নতা।

মহামারীর সময়গুলো নিরাপদে কাটিয়ে সবাই সুস্থভাবে ফিরে আসুক ক্যাম্পাসে। দূর হোক শূন্যতা। গান-আড্ডা-উৎসবে ভরে উঠুক প্রিয় শিক্ষাঙ্গন। এটাই সকলের প্রত্যাশা।

অনামিকা সুলতানা
শিক্ষার্থী, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…